মোহন
রায়হান সংখ্যা | কবিতা
কল্যাণ ভঞ্জ
মেরুদণ্ড
আমি একাই
বজ্র কন্ঠে
চিৎকার করে
বলতে পারতাম -
কিন্তু
মেরুদণ্ডের ভগ্নতার কারণে
পিছিয়ে
আসতে হোলো।
এভাবেই পিছতে পিছতে আঁতকে ওঠে শরীর।
আজও যে প্রাণীরা ভাষার অভাবে
প্রতিবাদ করতে পারেনি -
তারা আমায় দেখে ব্যঙ্গ করে, হাসে।
আমি একাই সমস্ত সমতলে আগুন ধরিয়ে
বিষধর মানুষগুলোকে
কাত করে দিতে পারতাম,
কিন্তু
একাকীত্বের দংশনে
পিছিয়ে আসতে হোলো।
গোটা পৃথিবীকে আমি একপেশে করে
তোমার খুনিদের শাস্তি দিতে পারতাম
কিন্তু সময়ের গুপ্ত আঘাতে
আমি নরকঙ্কাল হয়ে
চিহ্নিত করতে পেরেছি মাত্র -
শাস্তি দিতে পারিনি।
শাস্তি দিতে পারিনি।
এভাবেই পিছতে পিছতে আঁতকে ওঠে শরীর।
আজও যে প্রাণীরা ভাষার অভাবে
প্রতিবাদ করতে পারেনি -
তারা আমায় দেখে ব্যঙ্গ করে, হাসে।
আমি একাই সমস্ত সমতলে আগুন ধরিয়ে
বিষধর মানুষগুলোকে
কাত করে দিতে পারতাম,
পিছিয়ে আসতে হোলো।
গোটা পৃথিবীকে আমি একপেশে করে
তোমার খুনিদের শাস্তি দিতে পারতাম
কিন্তু সময়ের গুপ্ত আঘাতে
আমি নরকঙ্কাল হয়ে
চিহ্নিত করতে পেরেছি মাত্র -
শাস্তি দিতে পারিনি।
শাস্তি দিতে পারিনি।

No comments:
Post a Comment