প্রাপ্তমনস্কদের পত্রিকা ~ ~ ~ নাম নয় মানই বিবেচ্য

নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | রাজদণ্ড

বাতায়ন/ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা / সম্পাদকীয় /৪র্থ বর্ষ/ ৬ষ্ঠ সংখ্যা/ ২রা আষাঢ় , ১৪৩৩ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | সম্পাদকীয়   রাজদণ্ড "অগণিত ছাপো...

Showing posts with label গল্পাণু. Show all posts
Showing posts with label গল্পাণু. Show all posts

Wednesday, June 17, 2026

গৃহশিক্ষক | গোবিন্দ সাহা

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | গল্পাণু
গোবিন্দ সাহা
 
গৃহশিক্ষক

"শোনা যাচ্ছে সরকার পাঁচ বছর বয়সের ছাড় দিয়েছে। মাধবের মতো মেধাবী মানুষের মস্তিষ্ক কি আর আগের মতো আছে। এ বয়সে পড়াশোনা নিতান্তই বিলাসিতা..."

 
মাধবের একটা চাকরি জুটল না। টিউশন পড়িয়ে দিন যায়। বেতনও ঠিক মতো পায় না। দিনমজুর বাবা বলল- বাবা মাধব, তোমার চাকুরির খবর কতদূর। দীনু

মিষ্টুর বুদ্ধি | অলক চক্রবর্তী

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | গল্পাণু
অলক চক্রবর্তী
 
মিষ্টুর বুদ্ধি

"লোকনাথ বললেন, “ঠিক আছে, এবার তোর কথায় ফিরে যাচ্ছি। আবার খামোখা ঝগড়া করলে বিবাগী হয়ে যে দিকে দু’চোখ যায় চলে যাব; বলে দিবি তোর মাকে।”

 
স্ত্রীয়ের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া করে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন লোকনাথ। হনহন করে হাঁটতে হাঁটতে এগিয়ে যাচ্ছেন বাস স্টপেজের দিকে। সন্ধ্যা হয় হয়। ধানজমির মাঝখান দিয়ে মোরাম

সাক্ষী | রবীন বসু

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | গল্পাণু
রবীন বসু
 
সাক্ষী

"সংযম! তুমি নেবে সংযমের পাঠ? হাসালে, তা যদি হত তাহলে তো সেপারেশনের দরকারই ছিল না।"

 
হ্যালো!
কী ব্যাপার, আজ বাষট্টি দিন হয়ে গেল ফোন করলে না তো?
সেপারেশনে ফোন হয়

Sunday, April 26, 2026

চুমুর তাপমাত্রা | ভাস্কর সিনহা

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
ভাস্কর সিনহা
 
চুমুর তাপমাত্রা

"তুমি আমার কপালে আঙুল ছুঁইয়ে দিলে—ঠান্ডা আঙুল। “একেই বলে স্পর্শের হিমালয়,” তুমি বললে। আমার গলা ভিজে গেল। কান্না নয়ঘাম নয়একধরনের পরমানন্দের সিক্ততা।"

 
মেট্রো স্টেশনের ফ্লুরোসেন্ট আলোয় তোমার মুখ দেখলাম। ব্লারি, ব্যর্থ আপলো

শেষ ট্রেন | অমৃতা পাণ্ডে

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
অমৃতা পাণ্ডে
 
শেষ ট্রেন

"তোর ওঠার আগে… অরিন্দম কিছু বলতে পারল না। ঠিক তখনই মেয়েটা হেসে উঠলশীতলঅচেনা হাসি। ট্রেন আবার অন্ধকারে ঢুকল।"

 
রাত সাড়ে এগারোটা। শহরের শেষ লোকাল ধরতে হাঁপাতে হাঁপাতে প্ল্যাটফর্মে পৌঁছল অরিন্দম। স্টেশনটা অস্বাভাবিক নীরব, না কো

বসন্তের রূপ | ছন্দা দাম

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
ছন্দা দাম
 
বসন্তের রূপ

"ওরা কেউ নেই রেএকটা কামানের গোলা এসে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে সব! জ্যাঠা কঁকিয়ে কেঁদে উঠলেন। এদিক-ওদিকে সৈন্যসেচ্ছাসেবকমেডিকেলের লোকেরা আসা-যাওয়া করছে।"

 
প্রায় ছ মাস পর বাড়ি ফিরছে জয়ন্ত। দু দেশের মাঝখানের কাঁটাতারে মাঝে অনেকটা সবুজ জমি, সরকারের হিসেবে নোম্যানস ল্যান্ড এখানেই ওর ছোট গাঁ

আতঙ্ক যখন অস্তিত্বের | জয় মণ্ডল

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
জয় মণ্ডল
 
আতঙ্ক যখন অস্তিত্বের

"হঠাৎ ভিড় ঠেলে এক বৃদ্ধা এগিয়ে এলেন। তিনি মেঘনার হাতটা শক্ত করে ধরে বললেন, "ভয় পাস না মাআমার পাশে বোস।" সেই ‘মা’ ডাকটা যেন জাদুমন্ত্রের মতো কাজ করল।"

 
শহরের ব্যস্ত সিগন্যালে ট্রাফিক যখন থমকে দাঁড়ায়, মেঘনার বুকটা তখন এক অজানা আতঙ্কে দুরুদুরু করে। ছাব্বিশ বছরের এ

যন্ত্রণাময় রাতগুলি | সঞ্জিতা চৌধুরী

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
সঞ্জিতা চৌধুরী
 
যন্ত্রণাময় রাতগুলি

"মায়ের মৃত্যুর রাতেও ঠকঠক করে কাঁপছিল। সকলে ভেবেছিল মাতৃবিয়োগ হজম করার লড়াইয়ে কাঁপছে নিখিল। কিন্তু একমাত্র ওই জানতজল দেখলেই ডুবে যাওয়া বন্ধুর হাতটা ও দেখতে পায় এখনো।"

 
দমবন্ধ সেই এক যন্ত্রণা, বছরের পর বছর সহ্য করে চলেছে নিখিল। ঘুমটা ভেঙে গেল। এসি চলছে তবুও ঘামে জবজব করছে সে। নিখিল উঠে বসল, পাশেই টেবিল ল্যাম্পটা জ্বালিয়ে

চরিত্র হনন | প্রদীপ সরকার

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
প্রদীপ সরকার
 
চরিত্র হনন

"এবার গঙ্গা স্নান করিয়ে ঘরে ঢোকাবআর যদি পার্টিমুখো হয়আমি বাড়ি ছেড়ে চলে যাব। মলির ঘরের চার দেওয়ালে আতঙ্কের আপাত অদৃশ্য কালো ছোপগুলো আস্তে আস্তে হালকা হতে শুরু করেছে।"

 
গত পাঁচটা দিন রাত ঠিক দেড়টা বাজতেই ফোনটা বেজে ওঠে। আতঙ্কে সারা শরীরে কাঁপন লাগে। রোজই এককথা,
-স্যারেন্ডার করিয়ে দিন, নইলে যেখানে দেখব এনকাউন্টার ক

আতঙ্ক | অর্পিতা দাস

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
অর্পিতা দাস
 
আতঙ্ক

"সোমজা পেছনে শব্দ পেয়ে থমকে দাঁড়ায়ধীরে ধীরে পেছনে তাকায়না একটা কুকুর। ক্যারাটে ক্লাসটা মাথার মধ্যে চলতে থাকে। কান খাড়া করে দ্রুত পদে... কদমতলা মোড়ের দিকটা খুব অন্ধকার। রকবাজ ছোকরাদের আড্ডা সেখানে।"

 
আজ একটু বেশিই দেরি হয়ে গেছে। রাস্তাঘাট প্রায় শুশান। সোমজা পিঠের ব্যাগটা সামনে এনে জোরকদমে এগিয়ে চলে। কাছেপিঠে কোথাও একটা টোটোও চোখে পড়ছে না। রেলগেট পেরিয়ে কদমতলা মোড়, তার থেকে ডান দিকে কিছুটা এগোলে

টিক টিক টিক | সমাদৃত দাস

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
সমাদৃত দাস
 
টিক টিক টিক

"বাপরে বাপ! কী স্বপ্ন। এটা স্বপ্ন না সত্যিতবে হঠাৎই বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠল, এই ভেবে যে এই ঘটনা আবার তার সাথে বাস্তবে ঘটবে না তো?"

 
নির্জন রাত। কালো মেঘে ঢাকা আকাশ। এছাড়া আজ অমাবস্যা। রাস্তার স্ট্রিট লাইটগুলো ভৌতিক দৃষ্টিতে চেয়ে রয়েছে। কিন্তু এই আধো-অন্ধকারে সোনালী একাকী

রক্তগঙ্গা | অলক চক্রবর্তী

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
অলক চক্রবর্তী
 
রক্তগঙ্গা

"গরম রক্তে আমি জবজবে হয়ে যাচ্ছি। আমি মরেও কী করে সব অনুভব করছি! বড়বাবুর গলা আরও কাছে, -তাড়াতাড়ি বস্তা খোল।"

 
গলাকাটা কালীমন্দিরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। সন্ধ্যা সাতটা। অকস্মাৎ পিছন থেকে কেউ ঝাঁপিয়ে জাপটে ধরল। একজন মাথা দিয়ে বস্তা গলিয়ে দিল। যাতে কথা বলতে না পারি তাই দুটো ঠোঁটের মাঝখান দিয়েও দড়ি

শান্তি | কেয়া নন্দী

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
কেয়া নন্দী
 
শান্তি

"স্তব্ধ পুণ্যলতা মনেমনে ভেবেছিলসাদা রং তো শান্তির প্রতীক। এতদিন তো আশঙ্কা-উৎকণ্ঠা আতঙ্কের শাঁখা-সিঁদুরে সে রঙিন ছিল। এবার একটু নিজের সঙ্গে কথা বলবে..."

 
আত্মীয়স্বজন চলে যাবার পর নিজের ঘরে দক্ষিণের জানলাটা খুলে বসে পুণ্যলতা। এক ঝলক হাওয়া এসে উড়িয়ে নিয়ে যায় দুধে-আলতা ছাপের

অসময়ে বর্ষা | গোবিন্দ সাহা

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
গোবিন্দ সাহা
 
অসময়ে বর্ষা

"সেদিন বাড়ি ফেরেনি অনন্ত মন্ডল। নদীর পাড়ে একটা গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে তাকে। কৃষকের জীবনে কৃষি এক আতঙ্ক।"

 
অসময়ে বৃষ্টি বাদল। ভরপুর চৈত্রের মাঝে হঠাৎ বর্ষাকাল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই কী যেন হয়ে গেল। এ বছর আলুর ফলন ভালই হয়েছিল। সমবায় থেকে ঋণ নিয়ে আলু চাষ করাই কাল

হাড়িকাঠ | জয়নাল আবেদিন

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
জয়নাল আবেদিন
 
হাড়িকাঠ

"তোমার সঙ্গে মেলামেশা। বিয়ের পাকা কথা হওয়াই কাল হলো আমার ছেলের জীবনে। সব শেষ হয়ে গেল আমার। তুমি একটা অপয়া। আমার পরিবারটা শেষ করে দিলে..."

 
অস্তমিত সূর্যের লাল আভায়, আকাশের শেষ সীমানা থেকে একটা অন্তিম রঙিন আভাসে দিগন্ত রঙিন হয়ে আছে। এটা গোধূলি লগ্ন। ঘোড়ার পায়ের ধুলোয় বাতাসে কেমন আলপনা আঁকা। ছাদের রেলিংয়ে ভর করে, ঠায় পশ্চিম আকাশে

Wednesday, April 8, 2026

বৃষ্টির রাত | সুদীপ্তা চট্টোপাধ্যায়

বাতায়ন/চৈতি হাওয়া—নববর্ষ/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | গল্পাণু
সুদীপ্তা চট্টোপাধ্যায়
 
বৃষ্টির রাত

"বলতে পারে নানা-বলা সেই গোপন প্রেমের কথা। আমি তোমার জন্য এখনো অপেক্ষায়। অন্য কোনো নারী এখনও আমার জীবনে আসেনি।"

 
বৃষ্টি থামতেই রাস্তার আলোগুলো জ্বলে উঠল। পথ চলতে লাগল অনিমেষ। রাস্তার ও-পারে বৃষ্টিতে ভিজে ওঠা এক মহিলা

মুহূর্ত | সুশান্ত গঙ্গোপাধ্যায়

বাতায়ন/চৈতি হাওয়া—নববর্ষ/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | গল্পাণু
সুশান্ত গঙ্গোপাধ্যায়
 
মুহূর্ত

"যাকে-তাকে চাবি দিয়ে দেবেনচায়ের দোকানের মালিকও ছেলেটাকে চেনে না। লাইটপোস্টের ক্যামেরাগুলো সব খারাপ হয়ে আছে।"

 
-দাদা, এই সাইকেলটা কি আপনার?
ভদ্র ভাবে কথাগুলো বলে একটি অল্প বয়স্ক ছেলে

আবার এল বৈশাখ | গোবিন্দ সাহা

বাতায়ন/চৈতি হাওয়া—নববর্ষ/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | গল্পাণু
গোবিন্দ সাহা
 
আবার এল বৈশাখ

"বৈশাখ আসে জানুয়ারি আসেযায় শুধু দিন। চোখ ছলছল করে লখিন্দরের। রিমিকে সে বড্ড ভালবাসত। পয়লা বৈশাখে রাধাগোবিন্দের মন্দিরে নতুন শাড়ি আর ভেজা এলানো চুলে পুজো দিতে যেত রিমি।"

 
তরতর করে চলে গেল বারোটি মাস। এই তো সেদিন নিউ ইয়ার পালন করেছে ক্লাবের ছেলেরা। এত তাড়াতাড়ি পয়লা

Sunday, March 8, 2026

মায়ের ভয়েস মেসেজ এবং জয়ন্ত | মুকাররাম হোসেন

বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/গল্পাণু/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | গল্পাণু
মুকাররাম হোসেন
 
মায়ের ভয়েস মেসেজ এবং জয়ন্ত

"কাজের মাসি ঠিক করে এসেছি। বাবাকে দেখিস। নিজের যত্ন নিস। কদিন পরেই ফিরছি।’ জয়ন্ত কেবল মুখ তুলে সিলিং ফ্যানের দিকে তাকাল।"

 
জয়ন্ত সবে ক্লাস টেনের ছাত্র। মাস ছয়েক আগে একটি দুর্ঘটনায় বাবাকে অকালে হারানোর পর সে রীতিমতো মনমরা। মায়ের চেয়ে

স্মৃতির স্বল্পছায়া | মোহাম্মদ বিন এমদাদ

বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/গল্পাণু/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | গল্পাণু
মোহাম্মদ বিন এমদাদ
 
স্মৃতির স্বল্পছায়া

"বাঁশির শব্দ উঠতেই তরুণী ডায়েরির ভাঁজে একটা শুকনো শিউলি রেখে নেমে পড়া বৃষ্টির দিকে তাকাল। বৃদ্ধ দেখলেনসে উঠে বসেছেকিন্তু চোখদুটো রয়ে গেছে প্ল্যাটফর্মে।"

 
বিকেলের শেষ ট্রেনটা হঠাৎ বিকল হয়ে ছোট্ট স্টেশনটায় দাঁড়িয়ে পড়ল। স্টেশনঘরটায় মানুষ

খাবারের সন্ধানে ~~~


Popular Top 10 (Last 7 days)