প্রাপ্তমনস্কদের পত্রিকা ~ ~ ~ নাম নয় মানই বিবেচ্য

নারী না পুরুষ | সাম্য

বাতায়ন/নারী না পুরুষ / ধারাবাহিক গল্প/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ , ১৪৩৩ নারী না পুরুষ সম্পাদকীয় সাম্য "একে অন্যের পরিপূরক হয়ে ...

Showing posts with label গল্পাণু. Show all posts
Showing posts with label গল্পাণু. Show all posts

Saturday, August 15, 2026

আমি | ফটিক চৌধুরী

বাতায়ন/নারী না পুরুষ/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
গল্পাণু
ফটিক চৌধুরী
আমি

"পথ শেষ হলো এক নির্জন নদীর ধারে। নদীর জলে মুখ রাখতেই দেখলাম—আমার মুখ নেই; আছে শৈশবের একটি বিকেল, মায়ের ডাকে ফিরে আসা একটি শিশু, কিছু হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন আর অনেকগুলো না-বলা কথা।"

 
প্রতিদিন সকালে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মানুষটিকে দেখি। মুখটি আমার, চোখদুটিও

সহায়ক | কেয়া নন্দী

বাতায়ন/নারী না পুরুষ/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
গল্পাণু
কেয়া নন্দী
সহায়ক

"হুইলচেয়ারে বসে জায়া, আর পতি তার দিকে জল ছুঁড়ছে। দুজনেই খুশির জোয়ারে ভাসছে। ডাইনিং টেবিলে তাদের সঙ্গে আলাপ হয় সোমপার্থ ও শিরিনের। কথাবার্তায় বুঝতে পারে, পতির সাহায্যে-সাহচর্যে এভাবেই চলে দম্পতির সুখের সংসার।"

 
এই বছরের শেষেই দুই বাড়ির নিয়মকানুন পালন করে শিরিনের বাসস্থান বদলে যাবে। পূর্বপরিচিত নয়

মুক্তি দিবস | সঙ্ঘমিত্রা দাস

বাতায়ন/নারী না পুরুষ/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
গল্পাণু
সঙ্ঘমিত্রা দাস
মুক্তি দিবস

"পাইস হোটেলের দেওয়াল ঘড়িতে ঢং ঢং করে বারোটা বাজল। দূরে কোন ক্লাবে দেশাত্মবোধক গান বাজছে। আজ যে ১৫ই আগস্ট‌। স্বাধীনতা দিবস। আজ শুধু ভারতবর্ষের নয়, অন্তরার মতো মেয়েদেরও মুক্তি দিবস।"

 
রাত সাড়ে ন'টা। ঘরের দরজাটা ভেজানো। খাটে পড়ে কোঁকাচ্ছে অন্তরা। একটু আগেই ভীষণভাবে

রং | মানালী হোড়

বাতায়ন/নারী না পুরুষ/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
গল্পাণু
মানালী হোড়
রং

"ভরসা করতে ভয় লাগে। অনেক পুরনো কথা মনে পড়ে যায়। তা চাকরি না দেওয়া হোক বা কয়েক বছর চাকরি করার পর যোগ্যদের চাকরি হারিয়ে পথে দাঁড়ানো হোক। ধর্ষকের বিচার না করে"

 
দেখতে দেখতে তিন বছর কেটে গেল। ২৫ ফাল্গুন, আজ আমার বাবা আমাকে ছেড়ে চলে গেছিল। শত চেষ্টা করেও চিকিৎসার অভাবে বাঁচতে পারিনি তাকে। আর্থিকভাবে কোনদিনই সচ্ছল ছিল না

অপূর্ণ আলো | সন্দীপন সাহা

বাতায়ন/নারী না পুরুষ/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
গল্পাণু
সন্দীপন সাহা
অপূর্ণ আলো

"চিঠিটার ভাঁজে এখনো শুকিয়ে থাকা একটা কৃষ্ণচূড়ার পাপড়ি আটকে ছিল। রাহুল অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল। তারপর নিঃশব্দে কাগজটা বুকের কাছে চেপে ধরল।"

 
স্টেশন চত্বরে সন্ধ্যার আলো তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। ভাঙা বেঞ্চের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল রাহুল। হাতে পুরোনো একটা

দাপট | অর্চনা দাস

বাতায়ন/নারী না পুরুষ/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
গল্পাণু
অর্চনা দাস
দাপট

"গভীর রাতে দাউদাউ করে চিতা জ্বলে উঠে শ্মশানে। ছাব্বিশ বছরের তরতাজা যুবক রনি চিতাকাঠের উপরে পরম নিশ্চিন্তে শুয়ে আছে। সন্ধের দিকে ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।"

 
বড়দা এখনও আসেননি তাই দুপুরের খাওয়া হয়নি কারো। যদিও সবার পেটে খিদের পোকাগুলো বিদ্রোহ শুরু করে দিয়েছে। বাবা খাবেন না। রীতা, রুমি, রনি বসে আছে বড়দার অপেক্ষায়। রনির শরীরটা ভালো

টান | অর্পিতা দাস

বাতায়ন/নারী না পুরুষ/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
গল্পাণু
অর্পিতা দাস
টান

"উত্তাল নদীর গর্জন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে। সবাই আত্মরক্ষার জন্য ছুটে পালাচ্ছে। বঙ্কুর সারা ঘর জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বিছানা ছুঁই ছুঁই করছে। জলের ছোঁয়া পেতেই সম্বিৎ ফেরে বঙ্কুর। লক্ষ্মীকে ঠেলে দিয়ে, 'পালা বউ, এক্ষুনি পালা...'"

 
খিলখিল করে হেসে চলেছে আকাশ। যেন কতদিনের রাগ অভিমান দুঃখ ভুলে সহজ আনন্দে লুটিয়ে পড়ছে। বঙ্কুর মন আনচান করতে থাকে। সেই কত দিনের অভ্যেস। মেঘ গুড়গুড় শুনলেই মাথার ভিতর

নদীর কথা | এম.এম. সাইফুল ইসলাম

বাতায়ন/নারী না পুরুষ/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
গল্পাণু
এম.এম. সাইফুল ইসলাম
নদীর কথা

"সে দাদিকে ধরে বের করে আনল ঘর থেকে। প্রতিবেশীদের ডাকল। মিলে মিলে সবাই উঁচু জায়গায় উঠে গেল। সেই রাতে ঘর ডুবল না। কিন্তু রহিম বুঝল, নদীকে সে ভয় পায় না, ভালোবাসে।"

 
বরিশালের এক ছোট্ট গ্রামে থাকত রহিম। বয়স তার বারো-তেরো হবে। বাড়ির পেছনেই একটি নদী। ছোট, শান্ত, কিন্তু প্রাণবন্ত।
প্রতিদিন সকালে রহিম

শিকড়ের টান | দীনেশ সরকার

বাতায়ন/নারী না পুরুষ/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
গল্পাণু
দীনেশ সরকার
শিকড়ের টান

"দেবু তো দুবাই থাকে, সেও কি আসতে পেরেছিল? তোরা দুভাইয়ের কেউ তো আসতে পারিসনি, তবু তো তোর মায়ের পারলৌকিক ক্রিয়াকলাপ সবই হয়েছিল। তাই বলছি, আমাকে নিয়ে তোরা ভাবিস-নে। আমার কিছু হয়ে গেলে কেউ না কেউ তোদের ঠিক খবর দেবে।"

 
প্রিয়ব্রত অনাদিবাবুকে জিজ্ঞেস করল,
-কী ঠিক করলে বাবা? তুমি আমার সঙ্গে কানাডা যাচ্ছ তো? আমি তাহলে ফ্লাইটের টিকিট কাটি?
অনাদিবাবু একটু ভেবে বললেন,
-না রে। তুই একটা টিকিটই কাট। তুই একাই কানাডা ফিরে

বুভুক্ষু | রানা জামান

বাতায়ন/নারী না পুরুষ/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
গল্পাণু
রানা জামান
বুভুক্ষু

"সাইফুদ্দিন আহমেদ ওর দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে মনে মনে বললেন: ওর মুখটা দেখতে কি আমার মতো লাগতাছে? কী সর্বনাশ!"

 
গাছের আড়াল থেকে তাকিয়ে আছে ওদিকে। ঠোঁট চাটছে, উদরে অনন্ত ক্ষুধা, চোখেও। কবে ভাত খেয়েছে বলতে পারবে না। লবন মরিচ ছাড়া সেদ্ধ কলমিশাক খেয়েছে। মাঝেমধ্যে ও কাঁচা লতাপাতা চিবিয়ে খেয়ে ফেলে। প্রথম প্রথম খারাপ লাগলেও ক্ষুধা নিবৃত্ত করার জন্য খেতে হয়েছে- এখন ভালো লাগে; মাঝে মাঝে পোকামাকড়ও

Wednesday, June 17, 2026

গৃহশিক্ষক | গোবিন্দ সাহা

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | গল্পাণু
গোবিন্দ সাহা
 
গৃহশিক্ষক

"শোনা যাচ্ছে সরকার পাঁচ বছর বয়সের ছাড় দিয়েছে। মাধবের মতো মেধাবী মানুষের মস্তিষ্ক কি আর আগের মতো আছে। এ বয়সে পড়াশোনা নিতান্তই বিলাসিতা..."

 
মাধবের একটা চাকরি জুটল না। টিউশন পড়িয়ে দিন যায়। বেতনও ঠিক মতো পায় না। দিনমজুর বাবা বলল- বাবা মাধব, তোমার চাকুরির খবর কতদূর। দীনু

মিষ্টুর বুদ্ধি | অলক চক্রবর্তী

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | গল্পাণু
অলক চক্রবর্তী
 
মিষ্টুর বুদ্ধি

"লোকনাথ বললেন, “ঠিক আছে, এবার তোর কথায় ফিরে যাচ্ছি। আবার খামোখা ঝগড়া করলে বিবাগী হয়ে যে দিকে দু’চোখ যায় চলে যাব; বলে দিবি তোর মাকে।”

 
স্ত্রীয়ের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া করে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন লোকনাথ। হনহন করে হাঁটতে হাঁটতে এগিয়ে যাচ্ছেন বাস স্টপেজের দিকে। সন্ধ্যা হয় হয়। ধানজমির মাঝখান দিয়ে মোরাম

সাক্ষী | রবীন বসু

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | গল্পাণু
রবীন বসু
 
সাক্ষী

"সংযম! তুমি নেবে সংযমের পাঠ? হাসালে, তা যদি হত তাহলে তো সেপারেশনের দরকারই ছিল না।"

 
হ্যালো!
কী ব্যাপার, আজ বাষট্টি দিন হয়ে গেল ফোন করলে না তো?
সেপারেশনে ফোন হয়

Sunday, April 26, 2026

চুমুর তাপমাত্রা | ভাস্কর সিনহা

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
ভাস্কর সিনহা
 
চুমুর তাপমাত্রা

"তুমি আমার কপালে আঙুল ছুঁইয়ে দিলে—ঠান্ডা আঙুল। “একেই বলে স্পর্শের হিমালয়,” তুমি বললে। আমার গলা ভিজে গেল। কান্না নয়ঘাম নয়একধরনের পরমানন্দের সিক্ততা।"

 
মেট্রো স্টেশনের ফ্লুরোসেন্ট আলোয় তোমার মুখ দেখলাম। ব্লারি, ব্যর্থ আপলো

শেষ ট্রেন | অমৃতা পাণ্ডে

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
অমৃতা পাণ্ডে
 
শেষ ট্রেন

"তোর ওঠার আগে… অরিন্দম কিছু বলতে পারল না। ঠিক তখনই মেয়েটা হেসে উঠলশীতলঅচেনা হাসি। ট্রেন আবার অন্ধকারে ঢুকল।"

 
রাত সাড়ে এগারোটা। শহরের শেষ লোকাল ধরতে হাঁপাতে হাঁপাতে প্ল্যাটফর্মে পৌঁছল অরিন্দম। স্টেশনটা অস্বাভাবিক নীরব, না কো

বসন্তের রূপ | ছন্দা দাম

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
ছন্দা দাম
 
বসন্তের রূপ

"ওরা কেউ নেই রেএকটা কামানের গোলা এসে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে সব! জ্যাঠা কঁকিয়ে কেঁদে উঠলেন। এদিক-ওদিকে সৈন্যসেচ্ছাসেবকমেডিকেলের লোকেরা আসা-যাওয়া করছে।"

 
প্রায় ছ মাস পর বাড়ি ফিরছে জয়ন্ত। দু দেশের মাঝখানের কাঁটাতারে মাঝে অনেকটা সবুজ জমি, সরকারের হিসেবে নোম্যানস ল্যান্ড এখানেই ওর ছোট গাঁ

আতঙ্ক যখন অস্তিত্বের | জয় মণ্ডল

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
জয় মণ্ডল
 
আতঙ্ক যখন অস্তিত্বের

"হঠাৎ ভিড় ঠেলে এক বৃদ্ধা এগিয়ে এলেন। তিনি মেঘনার হাতটা শক্ত করে ধরে বললেন, "ভয় পাস না মাআমার পাশে বোস।" সেই ‘মা’ ডাকটা যেন জাদুমন্ত্রের মতো কাজ করল।"

 
শহরের ব্যস্ত সিগন্যালে ট্রাফিক যখন থমকে দাঁড়ায়, মেঘনার বুকটা তখন এক অজানা আতঙ্কে দুরুদুরু করে। ছাব্বিশ বছরের এ

যন্ত্রণাময় রাতগুলি | সঞ্জিতা চৌধুরী

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
সঞ্জিতা চৌধুরী
 
যন্ত্রণাময় রাতগুলি

"মায়ের মৃত্যুর রাতেও ঠকঠক করে কাঁপছিল। সকলে ভেবেছিল মাতৃবিয়োগ হজম করার লড়াইয়ে কাঁপছে নিখিল। কিন্তু একমাত্র ওই জানতজল দেখলেই ডুবে যাওয়া বন্ধুর হাতটা ও দেখতে পায় এখনো।"

 
দমবন্ধ সেই এক যন্ত্রণা, বছরের পর বছর সহ্য করে চলেছে নিখিল। ঘুমটা ভেঙে গেল। এসি চলছে তবুও ঘামে জবজব করছে সে। নিখিল উঠে বসল, পাশেই টেবিল ল্যাম্পটা জ্বালিয়ে

চরিত্র হনন | প্রদীপ সরকার

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
প্রদীপ সরকার
 
চরিত্র হনন

"এবার গঙ্গা স্নান করিয়ে ঘরে ঢোকাবআর যদি পার্টিমুখো হয়আমি বাড়ি ছেড়ে চলে যাব। মলির ঘরের চার দেওয়ালে আতঙ্কের আপাত অদৃশ্য কালো ছোপগুলো আস্তে আস্তে হালকা হতে শুরু করেছে।"

 
গত পাঁচটা দিন রাত ঠিক দেড়টা বাজতেই ফোনটা বেজে ওঠে। আতঙ্কে সারা শরীরে কাঁপন লাগে। রোজই এককথা,
-স্যারেন্ডার করিয়ে দিন, নইলে যেখানে দেখব এনকাউন্টার ক

আতঙ্ক | অর্পিতা দাস

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
অর্পিতা দাস
 
আতঙ্ক

"সোমজা পেছনে শব্দ পেয়ে থমকে দাঁড়ায়ধীরে ধীরে পেছনে তাকায়না একটা কুকুর। ক্যারাটে ক্লাসটা মাথার মধ্যে চলতে থাকে। কান খাড়া করে দ্রুত পদে... কদমতলা মোড়ের দিকটা খুব অন্ধকার। রকবাজ ছোকরাদের আড্ডা সেখানে।"

 
আজ একটু বেশিই দেরি হয়ে গেছে। রাস্তাঘাট প্রায় শুশান। সোমজা পিঠের ব্যাগটা সামনে এনে জোরকদমে এগিয়ে চলে। কাছেপিঠে কোথাও একটা টোটোও চোখে পড়ছে না। রেলগেট পেরিয়ে কদমতলা মোড়, তার থেকে ডান দিকে কিছুটা এগোলে

নাবিকের খোঁজে ~~~


Popular Top 10 (Last 7 days)