প্রাপ্তমনস্কদের পত্রিকা ~ ~ ~ নাম নয় মানই বিবেচ্য

নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | রাজদণ্ড

বাতায়ন/ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা / সম্পাদকীয় /৪র্থ বর্ষ/ ৬ষ্ঠ সংখ্যা/ ২রা আষাঢ় , ১৪৩৩ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | সম্পাদকীয়   রাজদণ্ড "অগণিত ছাপো...

Showing posts with label গদ্য. Show all posts
Showing posts with label গদ্য. Show all posts

Wednesday, June 17, 2026

অপেক্ষার প্রহর | সূপর্ণা চন্দ

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/গদ্য/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | গদ্য
সূপর্ণা চন্দ
 
অপেক্ষার প্রহর

"অপেক্ষা মানে নিজের সঙ্গে নিজের লড়াই। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় মানুষ চুপচাপ বসে আছে, কিন্তু ভেতরে চলছে তীব্র আলোড়ন। প্রশ্ন জন্ম নিচ্ছে—এই অপেক্ষার শেষ কোথায়?"

 
অপেক্ষা—মানুষের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়। জন্মের পর থেকেই মানুষ যেন অপেক্ষার পাঠ নিতে শুরু করে। শৈশবে বড় হওয়ার অপেক্ষা, কৈশোরে নিজের পরিচয় খোঁজার অপেক্ষা

অকাল-বসন্তের রিক্ত অর্ঘ্য | ঈষিকা সূত্রধর

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/গদ্য/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | গদ্য
ঈষিকা সূত্রধর
 
অকাল-বসন্তের রিক্ত অর্ঘ্য

"সত্তর ক্রোশব্যাপী সেই দুর্গম যাত্রার অবসাদে যখন কায়া ও মন অবসন্ন, যখন শরীরের প্রতিটি শিরায় ক্লান্তির তীব্র দহন—তখন কিঞ্চিৎ আশ্রয়ের তরে কড়া নেড়েছিলাম একদা প্রিয় সেই স্বজনের দ্বারে।"

 
জীবনের রূঢ় পটে দারিদ্র্য যেখানে নিত্যকার সঙ্গী, সেখানে সম্পর্কের সমীকরণগুলো বড় অদ্ভুত। ললাটের ঘাম মুছে যে অন্ন জোগান আমার জন্মদাতা, সেই শ্রমের পবিত্রতা আধুনিকতার চড়া মেকআপে

Sunday, April 26, 2026

কালো ছায়া | রঞ্জন ভট্টাচার্য

বাতায়ন/আতঙ্ক/গদ্য/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গদ্য
রঞ্জন ভট্টাচার্য
 
কালো ছায়া

"এক আতঙ্কের জতুগৃহ। বারণাবত পেরিয়ে আজ হরমুজ প্রণালী বুকে। দিগন্ত বিস্তৃত সাগরের আতঙ্কে বুক চেরা কান্না জলহীন নীরব আকুতি"

 
যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি অবিরল চলেছে বোমাবর্ষণ, টিভির পর্দায় মোবাইলের পর্দায় দেখে চ

Wednesday, April 8, 2026

মানুষের মানবতা | এম.এম.সাইফুল ইসলাম

বাতায়ন/চৈতি হাওয়া—নববর্ষ/গদ্য/৪র্থ বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | গদ্য
এম.এম.সাইফুল ইসলাম
 
মানুষের মানবতা

"সমাজ তখনই সুন্দর হয়ে ওঠেযখন মানুষের হৃদয়ে মানবতার আলো জ্বলে। যদি প্রতিটি মানুষ নিজের অবস্থান থেকে সামান্য হলেও ভাল কাজ করার চেষ্টা করেতবে এই পৃথিবী আরও শান্তিময় ও মানবিক হয়ে উঠতে পারে।"

 
মানুষ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। এই কথাটি আমরা ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি। কিন্তু মানুষের প্রকৃত শ্রেষ্ঠত্ব কেবল জ্ঞান, ক্ষমতা কিংবা সভ্যতার অগ্রগতিতে

Sunday, March 8, 2026

ক্ষণিকের অতিথি | জয়শ্রী সরকার

বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/গদ্য/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | গদ্য
জয়শ্রী সরকার
 
ক্ষণিকের অতিথি

"আসলেক্ষণিকের অতিথি হয়েও আমরা অমরত্বের প্রত্যাশী। একমাত্র সৎকর্মই জীবনকে বরণীয় করে তুলতে পারে। তখন আর বিষাদ সুরে গাইতে হবে না 'দিনগুলো মোর সোনার খাঁচায় রইল না...!'"

 
'ক্ষণিকের অতিথি' ছোট্ট দুটো শব্দ জীবনটাকে যেন দার্শনিক করে তোলে। পুব আকাশে সূর্য ওঠা ভোর দেখে প্রতিদিন ঘুম ভাঙে আমার। মিষ্টি রোদের স্নিগ্ধ আলো মনকে মাতিয়ে তোলে। বেলা বাড়ার সাথে সাথেই

Tuesday, November 25, 2025

ভূত পরা ভূত | রঞ্জন ভট্টাচার্য

বাতায়ন/তৈমুর খান সংখ্যা/গদ্য/৩য় বর্ষ/৩তম সংখ্যা/১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২
তৈমুর খান সংখ্যা | দ্য
রঞ্জন ভট্টাচার্য
 
ভূত পরা ভূত

"নিজের অজান্তেই আগে-পিছনে-পাশে যারা আছে তাদেরকে আমার বিক্রম দেখাবার যে গরিমা তা প্রকাশ করি।"

 
আমার অজান্তেই আমি বিক্রমাদিত্য হয়ে উঠি। যখন হুঁশ ফেরে তখন অনুভব করি আমি সেই আমিতেই।

Friday, October 31, 2025

নিষ্কৃতি | রঞ্জন ভট্টাচার্য

বাতায়ন/নৃপেন চক্রবর্তী সংখ্যা/গদ্য/৩য় বর্ষ/২৮ সংখ্যা/১ই কার্ত্তিক, ১৪৩২
নৃপেন চক্রবর্তী সংখ্যা | গদ্য
রঞ্জন ভট্টাচার্য
 
নিষ্কৃতি

"দৃষ্টি শক্তি আজ আর নেই। চলতে চলতে পথ হারিয়ে কোন এক অজানা স্থানে শেষ নিষ্কৃতি!"

 
খেজুর পাতায় আর ঝিঁঝি পোকার ডাক শোনা যায় না।

Monday, September 15, 2025

এই সময়ের ভিতর কবিতাযাপন—অন্য জানালায় খোলা হাওয়ার গান... | দীপক বেরা

বাতায়ন/শারদ/গদ্য/৩য় বর্ষ/২২তম সংখ্যা/১লা আশ্বিন, ১৪৩২
শারদ | গদ্য
দীপক বেরা
 
এই সময়ের ভিতর কবিতাযাপন—অন্য জানালায় খোলা হাওয়ার গান...

"এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে এর মতো প্রাসঙ্গিক কথা আর কী-ই বা হতে পারে! বিশেষত যখন কেউ প্রথাগত বিশ্বাসের বিপরীতে দাঁড়িয়ে বলতে চায়কবিতা সর্বগ্রাসী নয়কবি সর্বশান্ত করে না তাঁর সাধককে। বরংকবিতা মা অন্নপূর্ণার মতো সর্বদাত্রী। কবিতার নির্যাসে নবজন্মের পরাগরেণু লুকিয়ে থাকে।"

চারদিকে আতঙ্ক। মৃত্যুর আবহ। অনিশ্চয়তা। বিশ্বায়নের ঘোরলাগা এই সময়টা যতটা অস্থির, ঠিক ততটাই জটিল। এখনই একটু প্রতিশ্রুত জলের ভাবনায় ভীষণরকম চাগিয়ে উঠছে প্রাণটা। পরিবেশ ও পরিস্থিতির জেহাদে অস্তিত্ব সংকট এমনই

মাধবীলতা | প্রতিমা পাল

বাতায়ন/শারদ/গদ্য/৩য় বর্ষ/২২তম সংখ্যা/১লা আশ্বিন, ১৪৩২
শারদ | গদ্য
প্রতিমা পাল
 
মাধবীলতা

"জানো অভিরূপমাধবীলতার নিজস্ব শাখাপ্রশাখামাটির ভেতর পা রাখার নরম বিছানা এমনকি বেড়ে ওঠার শক্তিও আছে তবুও তারা পরগাছা ছাড়া নিরুপায়এক্কেবারে নিরুপায়..."


এতকাল আমার কাজল ছাড়া ফ্যাকাশে চোখে শুধু কামিনী ফুলকেই খুঁজে পেয়েছি। সাদা ফ্যাটফ্যাটে- যেন রক্তাল্পতা ডানা ঝাপটাচ্ছে, লুকিয়ে রাখা বড্ড কঠিন। জানো অভিরূপ, যবে থেকে এ চোখ সর্বনাশা কাজল পরতে চেয়েছে, তবে থেকে

Friday, March 14, 2025

মনখারাপের বৃষ্টিনীল মলাটের উপর একটা রঙিন প্রজাপতি | দীপক বেরা

বাতায়ন/রং/গদ্য/২য় বর্ষ/৩২তম সংখ্যা/২৯শে ফাল্গুন, ১৪৩১
রং | গদ্য
দীপক বেরা
 
মনখারাপের বৃষ্টিনীল মলাটের উপর একটা রঙিন প্রজাপতি


"শাড়িতে শাড়িতে আকাশ চমকায়। মনখারাপের এই দেশে মেঘে মেঘে ভাসে চুপড়ি-সিঁদুর। আমার ঘরে শনিমরচে ধরা লোহা আর মৃদু বজ্রপাত! গোপনীয়তার যাবতীয় রং আমার আত্মগোপনের পাতায় সঙ্গম-শূন্য বৃষ্টিনীল মলাটে ঢাকা।"
 
রং-টা কিছুতেই যখন মেলাতে পারছি না, তখন তাকে দিয়েছিলাম পলাশের অশ্রু ও ঐশ্বর্য। অথচ রং-মিলান্তির খেলায়— রং তো কোথাও না কোথাও মিলেই যায়। প্রশ্ন করি, কোন অভিসারে তোমার রং-মিলান্তি হল? আসলে, ওটা যে এক কিশোরের থেকে চুরি করা। হায়, বর্ণিল নারী! তুমি বেশ সফল এবং নিরাপদ দূরত্বে থাকো।

ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান | শম্পা সামন্ত

বাতায়ন/রং/গদ্য/২য় বর্ষ/৩২তম সংখ্যা/২৯শে ফাল্গুন, ১৪৩১
রং | গদ্য
শম্পা সামন্ত
 
ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান

"কীভাবে সূর্যের নাগাল পেলাম জানি না। কীভাবে লতাগুল্ম ছাড়িয়ে ছুটে গেলাম জানি না। সেদিনের মতো আজও লুব্ধককালপুরুষের অমোঘ টানে। অরণ্যের গম্বুজেসপ্তর্ষিমণ্ডলে নীহারিকায়মিল্কি গ্যালাক্সিতে।"
 
কাল এখানে যাব। রক্তে রক্তে শিরায় শিরায় প্রবাহিত এক আরামের স্রোতের নাম শান্তিনিকেতন। বহুদূর থেকে যে বাঁশির মন্দ্র আমাকে ডাকে। আয় চলে আয়। পাগল পারা মন আমার ভেসে যেতে ইচ্ছা করে ফাগুনের হাওয়ায় হাওয়ায়। যেখানে আছে পূর্ণিমাসন্ধ্যা ফাগুনের রজনিগন্ধায় ডুব দেব রূপ সাগরের অতল স্পর্শে।

Wednesday, December 11, 2024

জলজন্মের কথা | শম্পা সামন্ত

বাতায়ন/মাসিক/গদ্য/২য় বর্ষ/২২তম সংখ্যা/২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১

মোহন রায়হান সংখ্যা | গদ্য

শম্পা সামন্ত

জলজন্মের কথা


"ছোট্ট একটি জলের ধারা কখন যেন গতিময় জলরাশি হয়ে গেলাম। কোখাও আমার পাশে গড়ে উঠল বৃহৎ সভ্যতা। আর আমার বাহিত পলিপড়া জমিতে কয়েকজন মিলে চাষবাস শুরু করল। গাঁয়ের বউ-মেয়ে মিলে স্নান সারে আমার জলে। মেয়েলি গল্পগাছায় মন ভিজে যেত আমার।"


জলজন্ম হল আমার। বরফ শীতল পাহাড়ে আলোয়ান গায়ে বেশ ছিলাম। হঠাৎ সূর্যকিরণে কমনীয় উত্তাপে, আদরে উষ্ণতায় গলে গেলাম আমি। ধীরে ধীরে উন্মোচন করলাম অশ্রু। ভিন্নপথে পাক খাওয়া ঘুর্ণি বাতাসে জন্ম হল আমার। 

Friday, November 8, 2024

আত্মপ্রতিকৃতি | শিশির আজম

বাতায়ন/মাসিক/গদ্য/২য় বর্ষ/১৮তম সংখ্যা/২৩শে কার্ত্তিক, ১৪৩১

চৈতালী চট্টোপাধ্যায় সংখ্যা | গদ্য

শিশির আজম

আত্মপ্রতিকৃতি


"সেজান আর মাতিসের 'স্টিল লাইফকি ল্যান্ডস্কেপের যে ব্যাপ্তি আর পোর্ট্রেটের নিগুঢ় অন্তর্ময়তাতাকে স্পর্শ করে নাআমাদের চেতনা কি আচ্ছন্ন বা আলোড়িত হয় না?"



চিত্রকর্ম: আত্মপ্রতিকৃতি /১৫১২-১৫১৫ -লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি

ছবি দেখার ক্ষেত্রে আত্মপ্রতিকৃতির প্রতি আমার আলাদা দুর্বলতা আছে। অনেকের মতো আমার চেতনাও ভ্যান গঘ আর ফ্রিদা কাহলোর আত্মপ্রতিকৃতিতে নাড়া খায়। হ্যাঁ, এক সময় পোর্ট্রেটকে পেইন্টিংয়ের সম্মান দেওয়া হতো না। লিওনার্দো-মাইকেলাঞ্জেলো-বের্নিনির মতো রেনেসাঁর গুরুশিল্পীরা প্রথম এই মিথ ভেঙে পোর্ট্রেটকে সমঝদারদের সামনে আকর্ষণীয়  

গ্যালিলিও বেচে খাই- এক | ইন্দ্রজিৎ রায়

বাতায়ন/মাসিক/গদ্য/২য় বর্ষ/১৮তম সংখ্যা/২৩শে কার্ত্তিক, ১৪৩১

চৈতালী চট্টোপাধ্যায় সংখ্যা | গদ্য

ইন্দ্রজিৎ রায়

গ্যালিলিও বেচে খাই- এক


"বৈজ্ঞানিকরা শুধু যে খোঁজা ও যন্ত্রের উদ্ভাবনে জরুরি, এমনটা নাও হতে পারে। বস্তুত বৈজ্ঞানিকদের বেচেতাদের সারা জীবনের খুঁজে পাওয়া সূত্রগুলোকেবিভিন্ন সিলেবাসের সূত্রে বেচেও তো কিছু মানুষ বেঁচে থাকে।"


পেছোতে পেছোতে পরগণাতে এসে ঠেকি। এক-একটা বিকেলে দিদার কথা খুব মনে পড়ে, ঠিক কেন এরকম হয়, এটা আমারও জানা নেই। যদিও দিদার সঙ্গে, পুরুলিয়ার সঙ্গে, চন্দ্রবাবু, বাদলবাবু অথবা শ্যামলবাবুর সাথে সম্পর্ক, এগুলোও দাঁড়িয়ে আছে পাশাপাশি। পেছোতে পেছোতে আলমারির কোনায় এসে ঠেকি। সম্প্রতি কিছু ছারপোকার আমদানি হয়েছে

গ্যালিলিও বেচে খাই- দুই | ইন্দ্রজিৎ রায়

বাতায়ন/মাসিক/গদ্য/২য় বর্ষ/১৮তম সংখ্যা/২৩শে কার্ত্তিক, ১৪৩১

চৈতালী চট্টোপাধ্যায় সংখ্যা | গদ্য

ইন্দ্রজিৎ রায়

গ্যালিলিও বেচে খাই- দুই


"হাতে বোনা কাঁটার আস্ফালনে ফুটে ওঠা ফুলপাতাপাখি অথবা গুড লাক - এসব সোয়েটারতেল আবিষ্কারের পরে। তারপর তো সোয়েটারগুলোও পাল্টে গেলহাতে বোনার যে ছোটখাটো স্নেহের ভুলগুলোএকটা বেরিয়ে থাকা সুতোকোথাও দাঁতে কাটা গিঁট"


যা বুঝলাম তেল এক বিভাজন রেখা। তেল আবিষ্কারের আগে ও পরে, পরের মানুষ এক নয়। বোধহয় তেলের আগে কাঁচা, সেদ্ধ, পোড়া খাবারের চল ছিল, নিশ্চিত ভাজা তখনও আসেনি। নিশ্চয়ই পরোটা ছিল না। কারণ পরোটা ভাজার তেল তখনও আসেনি। তবে এও কী সত্যি, তেল আগে না ঘি আগে এই ইতিহাস আমার জানা নেই। তবে তেল দিতে 

Saturday, September 28, 2024

শারদ | ভরসাযোগ্য রাতের উদ্দেশ্যে | নীলম সামন্ত

বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/গদ্য/২য় বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/শারদ/১১ই আশ্বিন, ১৪৩১

শারদ | গদ্য

নীলম সামন্ত

ভরসাযোগ্য রাতের উদ্দেশ্যে


"এত কাঠখড় পোড়াতে হবে নাতার চেয়ে আসুনআমার দোকানে আসুন। টুকরো টুকরো কাচ উপহার দেব। হাতে নিলেই টের পাবেনযে জন্তু ঘুমিয়ে আছে তার হাত পা কলিজা নড়েচড়ে উঠছেসে আকারে বড় হচ্ছে৷ না না  কোন টাকা দিতে হবে না৷ আজ দানধ্যানের রাত৷"


ফুল সরিয়ে মাংসের দোকান দিতে চেয়েছি৷ ধারালো ছুরি দিয়ে ঘষ ঘষ শব্দে কেটে দেব ভরসাযোগ্য আধুনিকতা। ওভারকোটে সামান্য রক্ত এসে পড়লেও কিচ্ছু যায় আসবে না৷ আমি জানি রাত্রি এখন অনেক গাঢ়৷ চাঁদ তারা কিছুই প্রায় দেখা যায় না। তাছাড়া

শারদ | জলস্পর্শ বা মন খারাপের গল্প | মণিপদ্ম দত্ত

বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/গদ্য/২য় বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/শারদ/১১ই আশ্বিন, ১৪৩১

শারদ | গদ্য

মণিপদ্ম দত্ত

জলস্পর্শ বা মন খারাপের গল্প


"কিন্তু আমি নিশ্চিত জানি আমার ভিতরটা প্রকাণ্ড বিস্ফরণে পুড়ে গিয়েছিল। বাবাতুমি এত দেরি করলে কেনকেন তোমায় ভুলে যাওয়ার আগে একবার ডাকলে নাআমার সে অচেনা বোন বোধহয় আবার কাঁদল। দু ফোঁটা জল আমার খোলা করতলে গড়িয়ে পড়ল।"


বাবা বলতেন, কখনো মন খারাপ লাগলে জলের কাছে যেও। যেতামও। বাড়ির পাশেই দিঘি ছিল। একটু দূরেই ডুরে পাড় নদী।  মন ভাল হতো জলের উপর ব্যাঙবাজি খেলে। ভাবতাম বাবা বোধহয় এটাই বলেছিল। আজ যখন বহুদিন পর সত্যি সত্যি নামতে হল নদীর ভিতর, জল ছুঁতে, তখন আমার হাতে বাবার নাভিকুন্ড। জল ছুঁতেই ভেসে গেলো দূরে। অনেকদিন পর মন ভালর মন্ত্রটাই ভেসে উঠল মস্তিষ্কের কোষে। মৃত পিতার নাভিকুন্ড নিয়ে তো আর ব্যাঙবাজি খেলা চলে না। বরং যতটুকু মন খারাপ ছিল, একটু গাঢ় হয়ে দীর্ঘশ্বাস হয়ে বেরোল। আসলে বাবা তো জানত না আমার আর মনখারাপই হয় না। ভুলে যাওয়া শৈশবের পর অনেক সেয়ানা হয়ে উঠেছি। বসে আছি সব মনখারাপেরই ঊর্ধ্বে। সত্যি বলতে কী, এই মুহূর্তেও আমার মন অন্য কোথাও আছে।

Friday, September 27, 2024

শারদ | এ শরতের বিষণ্ণ আগমনী এবং “উই ওয়ান্ট জাস্টিস” | দীপক বেরা

বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/গদ্য/২য় বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/শারদ/১১ই আশ্বিন, ১৪৩১

শারদ | গদ্য

দীপক বেরা

এ শরতের বিষণ্ণ আগমনী এবং “উই ওয়ান্ট জাস্টিস”


"২০১৩ সালে তৈরি হওয়া সেই আইন কোথায়? — "দি সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট অব উইমেন অ্যাট ওয়ার্কপ্লেস (প্রিভেনশন, প্রোহিবিশন অ্যান্ড রিড্রেসাল) অ্যাক্ট? আসলে যা ঘটেছে তা কেবল উৎপাত বা হয়রানি নয়, তার চেয়ে অনেক বড় কিছু। অনেক বেশি ভয়ংকর, নারকীয়, দুর্বিষহ।"


দেয়ালে ঝোলানো ক্যালেন্ডার জানান দিচ্ছে শারদোৎসব আসন্ন। আর কদিন পরেই তো বাঙালির প্রাণের উৎসব দুর্গোৎসব। ভোরবেলা উঠোনের শিউলি গাছটা থেকে শিউলি ঝরে পড়ছে একটি-দুটি। কিন্তু গ্রামের মাঠে-ঘাটে, পথের পাশে, প্রান্তরে কাশফুল পূর্ণোদ্যমে তার সাদা চামর ঝুলিয়ে হাজির। এখন শরতের নীল আকাশে সাদা পেঁজা তুলোর মতো মেঘ থাকার কথা, কিন্তু আকাশে বর্ষার কালো ভারী মেঘের ভ্রূকুটি যেন কমছেই না।

Sunday, September 1, 2024

বরষা | ভরসা | অজয় দেবনাথ

বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক সংখ্যা/বরষা/গদ্য/২য় বর্ষ/১৪তম/১৪ই ভাদ্র, ১৪৩১

বরষা | গদ্য

অজয় দেবনাথ

ভরসা


 

"বৃষ্টিতে কয়েকদিন বাইরে কাপড় শুকোতে দেওয়ার সুযোগ না থাকায় মা ঘরের মধ্যেই কাপড়চোপড় মেলতে বাধ্য হত। ঘন বর্ষার ক্ষীণ আলোয় সেই মেলে দেওয়া কাপড়ের ফাঁক দিয়ে এ ঘর-ও ঘর খেলা, সঙ্গে মায়ের গায়ের গন্ধ।"


দেখতে দেখতে বেলা পড়ে এলো, জীবনের বেলা। মনে পড়ে ছোটবেলার কথা, অবিশ্রান্ত ধারাপাত, বৃষ্টির জলে রাস্তাঘাট, পুকুর নালা ভাসিয়ে বাড়ির চারপাশেও কৃত্রিম পুকুর। নিচু জমি এবং নিকাশি ব্যবস্থা সঠিক না থাকায় এবং ক্রমাগত রাস্তা উঁচু হওয়ায় বাড়ির পুকুরের জল জমে থাকত কয়েকমাস। সত্যি পুকুরের মাছ ভেসে এসে থাকত সেখানে। আশপাশের 

Friday, August 2, 2024

এ শহরে | মণিপদ্ম দত্ত

বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/গদ্য/২য় বর্ষ/৯/অমিতাভ গুপ্ত সংখ্যা/১৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১

অমিতাভ গুপ্ত সংখ্যা | গদ্য

মণিপদ্ম দত্ত

এ শহরে


"এদের জোগান হ্রাসের আশু সম্ভাবনাও নেই। কে না জানে বিকশিত ভারতের নব্বুই শতাংশ জেল কয়েদিই একদম প্রতিবিম্বহীন বনেদি গরিব! সুতরাং আদমশুমারির তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য এ ব্যাপারে সন্দেহ থাকছেই।"


এ শহরে মানুষের থেকে বেশি প্রতিবিম্ব বাস করে। কথাটা কিছুই তেমন জটিল নয় মোটেই। ভয় পাওয়ারও কিছু নেই। কারণ কায়া প্রতি ছায়া একটি নয় এবং এক সাইজেরও নয়। আলোর স্তরভাগে এক একটা রূপ। তার পরও কথা থাকে। 

খাবারের সন্ধানে ~~~


Popular Top 10 (Last 7 days)