প্রাপ্তমনস্কদের পত্রিকা ~ ~ ~ নাম নয় মানই বিবেচ্য

নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | রাজদণ্ড

বাতায়ন/ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা / সম্পাদকীয় /৪র্থ বর্ষ/ ৬ষ্ঠ সংখ্যা/ ২রা আষাঢ় , ১৪৩৩ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | সম্পাদকীয়   রাজদণ্ড "অগণিত ছাপো...

Showing posts with label ধারাবাহিক গল্প. Show all posts
Showing posts with label ধারাবাহিক গল্প. Show all posts

Thursday, June 18, 2026

ক্ষণিকের অতিথি [১ম পর্ব] | নবনীতা রায়

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ধারাবাহিক গল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ধারাবাহিক গল্প
নবনীতা রায়
 
ক্ষণিকের অতিথি
[১ম পর্ব]

"নন্দিনী বুঝতে পারে ওর এতদিনের তৈরি করা দেওয়াল ভেঙে দেওয়ার জন্য আজ উঠেপড়ে লেগেছে শতদ্রু, তাই ভাঙন আটকাতে নন্দিনী বলে"

 
তিনটে তিরিশ মিনিটের রাজধানী এক্সপ্রেস দিল্লি ছাড়বে আর কিছুক্ষণের মধ্যে, নন্দিনী জানলার পাশের একটা সিটে বসে আছে হাতে ধরা একটা ফেলুদা সমগ্র। নন্দিনী পড়াশোনার বিষয় ভূগোল এবং বর্তমানে ভূগোল নিয়ে গবেষণা এবং একটি কলেজে পড়ান সত্ত্বেও বরাবরই সাহিত্যতে ওর দারু আনুরাগ

Wednesday, June 17, 2026

ক্ষণিকের অতিথি [২য় পর্ব] | নবনীতা রায়

বাতায়ন/ধারাবাহিক গল্প/৪র্থ বর্ষ/৭ম সংখ্যা/৯ই আষাঢ়, ১৪৩৩
ধারাবাহিক গল্প
নবনীতা রায়
 
ক্ষণিকের অতিথি
[২য় পর্ব]

"আমি মেনে নিয়েছিলাম যে তুই আর কোনদিন ফিরবি না, তোকে আমি হারিয়ে ফেলেছি কিন্তু কোন অপরাধে আমার এই দণ্ডপ্রাপ্তি হল তা আমাকে জানানো হল না।"

 
পূর্বানুবৃত্তি নন্দিনী বুঝতে পারে ওর এতদিনের তৈরি করা দেওয়াল ভেঙে দেওয়ার জন্য আজ উঠেপড়ে লেগেছে শতদ্রু, তাই ভাঙন আটকাতে নন্দিনী বলে, আমি কারোর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করিনি সবার সাথে যোগাযোগ আছে আমার, শুধু কথা বলার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছিতারপর…
 
শতদ্রু উত্তর দেয়, তোর মনে পরে শেষ তিন বছরে আমার জন্মদিন ছাড়া আর কবে তুই আমাকে মেসেজ করেছিস বা দেখা করেছিস

Tuesday, May 5, 2026

অন্দরের ভূত ভয়ঙ্কর [১ম পর্ব] | রানা জামান

বাতায়ন/আতঙ্ক/ধারাবাহিক গল্প/৪র্থ বর্ষ/৩য় সংখ্যা/২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | ধারাবাহিক গল্প
রানা জামান
 
অন্দরের ভূত ভয়ঙ্কর
[১ম পর্ব]

"বাসায় ঢুকতেই জগবন্ধুর মনে হলো ওর দেহের ভেতর থেকে কিছু একটা মৃদু ঝাঁকি দিয়ে বেরিয়ে গেল এবং সাথে সাথে পাখার এটা ঝাপ্টা ওকে আঘাত করার সাথে সাথে দরজা বন্ধ হবার আগেই ও উড়ে গেল উপরে। ঘর জুড়ে বিরাট একটা বাদুড়!"

 
ভূত প্রথমে কেন স্বপ্নে দেখা দেয় ভেবে পায় না জগবন্ধু নাথ। ও ভূতে বিশ্বাস করতে চায় না; কিন্তু নিজ গালে তাকিয়ে তা অবিশ্বাস করে কীভাবে! গালে চার আঙুলের দাগ স্পষ্ট

অন্দরের ভূত ভয়ঙ্কর [২য় পর্ব] | রানা জামান

বাতায়ন/আতঙ্ক/ধারাবাহিক গল্প/৪র্থ বর্ষ/৪র্থ সংখ্যা/৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | ধারাবাহিক গল্প
রানা জামান
 
অন্দরের ভূত ভয়ঙ্কর
[২য় পর্ব]

"কবরের ভেতর থেকে কতগুলো হাড় বের হয়ে এলো একের পর এক। হাড়গুলো একের সাথে আরেকটা জোড়া লেগে হয়ে গেল একটা কঙ্কাল। কঙ্কালটা ওর সামনে এসে হাত-পা নেড়ে কিছু বলতে চেষ্টা করল।"

 
পূর্বানুবৃত্তি ভূতে প্রায় অবিশ্বাসী জগবন্ধু ভূতের চড় খেয়ে আশ্চর্য হয়ে যায়। মুখে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তার দেখাতে গেলে ব্যথা গায়েব হয়ে যায়। তারপর…
 
জগবন্ধুর কল পেয়ে ওদিক থেকে সিদ্ধান্ত বলল,
-কী খবর ইয়ার? হঠাৎ ফোন কেন? কোনো খুশি

অন্দরের ভূত ভয়ঙ্কর [৩য় পর্ব] | রানা জামান

বাতায়ন/আতঙ্ক/ধারাবাহিক গল্প/৪র্থ বর্ষ/৫ম সংখ্যা/৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | ধারাবাহিক গল্প
রানা জামান
 
অন্দরের ভূত ভয়ঙ্কর
[৩য় পর্ব]

"নাবিলার ছায়ামূর্তি রয়ে গেল জগবন্ধুর সামনে। জগবন্ধু তাকাল নাবিলার পায়ের দিকেউল্টো হয়ে আছে পা। তার মানে এটা নাবিলার ভূত! এখন উপায়?"

 
পূর্বানুবৃত্তি জগবন্ধু বন্ধু সিদ্ধান্তের কাছে একজন তান্ত্রিকের সন্ধান চায়। তান্ত্রিক ত্রিদেব জটাধারী বাবাকে। দুটো গজারি গাছকে একত্রিত করে উপরে মাচা বানিয়ে বসে আছেন তান্ত্রিক বাবা। তার সাথে কথা বলতে হলে ওকে দড়ি বেয়েই উপরে উঠতে হবে! তারপর…
 
এরপর কঙ্কালের গায়ে মাংশ লাগতে লাগতে হয়ে গেল শাড়ি-আবৃত এক যুবতী। ওকে চেনে জগবন্ধু নাথ। ওর কারণেই ওকে ছাড়তে হয়েছে গাঁজা।

Wednesday, April 8, 2026

ঘড়ির ঘটনা [১ম পর্ব] | সুশান্ত গঙ্গোপাধ্যায়

বাতায়ন/চৈতি হাওয়া—নববর্ষ/ধারাবাহিক গল্প/৪র্থ বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | ধারাবাহিক গল্প
সুশান্ত গঙ্গোপাধ্যায়
 
ঘড়ির ঘটনা
[১ম পর্ব]

"আমরা তিন পুরুষ ধরে ওখানে আছি। বড় রাস্তার ওপর গিরিশ ঘোষের একটা স্ট্যাচু আছে। ঠিক তার বাঁদিকের তিন তলা বাড়িটা আমাদের। মানে বাবার অবর্তমানেআমিই মালিক।"

 
শিনা সব শুনে বলে,
-পুলিশে খবর দেননি?
-দিয়েছি। কিন্তু ওদের কাজের ধরণ তো জানেন। আঠেরো মাসে বছর। একটা সাধারণ ডায়েরি

শিবের গাজন [১ম পর্ব] | অর্পিতা রায় মোদক

বাতায়ন/চৈতি হাওয়া—নববর্ষ/ধারাবাহিক গল্প/৪র্থ বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | ধারাবাহিক গল্প
 
অর্পিতা রায় মোদক
 
শিবের গাজন
[১ম পর্ব]

"গর্তে মার্বেল ছুঁড়তে ছুঁড়তে কাঁচা খিস্তি দেয়। তবে মেয়েদের সাথে ফালু কখনোই খেলে না। মেয়েদের সাথে কথা বলতেও যেন তার মানে লাগে! যারা মেয়েদের সঙ্গে খেলে ফালু তাদের বলে— তরা কিমন মদ্দ! মেয়ানোকের লগে ঢুলাঢুলি করস!’"

 
জুতোটা পর্যন্ত পায়ে গলানোর সময় হল না। রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছে ভাদু। সাবান জলে ভেজা পা, ভাগ্যিস হোঁচট খেয়ে পড়েনি। ভেজা কাপড়েই আরেকটু এগিয়ে গেল চুলের উপর একটুকরো মেঘের মতো

নোনা জল [১ম পর্ব] | জয়নাল আবেদিন

বাতায়ন/চৈতি হাওয়া—নববর্ষ/ধারাবাহিক গল্প/৪র্থ বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | ধারাবাহিক গল্প
জয়নাল আবেদিন
 
নোনা জল
[১ম পর্ব]

"দিন দুই হয়ে গেল বিমলের ছোট মেয়েটার জ্বর কমছে না। বেশ উদ্বেগের মধ্যে কাটছে বিমলের স্ত্রী ঝুমার দিনকাল। ঘরে টাকাপয়সা নেই। স্বামী বাড়ি নেই। আশাকর্মী দিদিটা সকালে কটা ট্যাবলেট দিয়ে গেছে।"

 
নৈনান খেয়াঘাটে তখন নৌকোটা বাঁধা আছে। যাত্রীরা অপেক্ষায় পাড়ে বসে। একটু পাশেই মাছ ধরা ট্রলারখানায় জাল গোছানো থেকে অন্যান্য জিনিসপত্র গোছগাছ চলছে। এখন নদীতে জোয়ার

শিবের গাজন [২য় পর্ব] | অর্পিতা রায় মোদক

বাতায়ন/ধারাবাহিক গল্প/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩
ধারাবাহিক গল্প
 
অর্পিতা রায় মোদক
 
শিবের গাজন
[২য় পর্ব]

"সকাল হতেই মেঘ গুরগুর করছে। সন্ধ্যায় আরো ভারী হয়ে এল আকাশ। ভাদুরা একে অপরের হাত চেপে ধরে চড়ক খেলা দেখছে। ভয়ে বুক কাঁপেতবু চোখ ফেরানো যায় না!"

 
পূর্বানুবৃত্তি ভাদু শিঙা আর ডুগডুগির শব্দ শুনে তড়াক করে উঠে দাঁড়িয়েছে যুক্তিতর্কের অবকাশ ছাড়াই। ভাদুর মধ্যে বিপ্লব ঘটে গেছে! ভাদু মিশে যাচ্ছে চৈত্রের ঠাঠা রোদে, এ বাড়ি থেকে ও বাড়ির উঠোনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তারপর…
 
সেই ফালু কিনা সেবারে গাজনের দলে পার্বতী সেজে বসল! নিত্য সাজল শিব। এক উঠোন থেকে আরেক উঠোনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে শিঙায় ফুঁ পড়ে। ফালু আর নিত্য হাত ধরাধরি করে পা তুলে

নোনা জল [২য় পর্ব] | জয়নাল আবেদিন

বাতায়ন/ধারাবাহিক গল্প/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩
ধারাবাহিক গল্প
জয়নাল আবেদিন
 
নোনা জল
[২য় পর্ব]

"পরপর কটা দিন জালে মাছ উঠছে। বেশ খুশির ব্যস্ততা মা-মনসা ট্রলারে। আঠাশটা হাত সদা ব্যস্ত থাকলেও কোন ক্লান্তি নেই কারো শরীর-মনে। রশি টেনে জাল তোলা।"

 
পূর্বানুবৃত্তি চোদ্দো জনের দল নিয়ে জহর রওনা হচ্ছে সমুদ্রে মাছ ধরতেপাড়ে বসে মেয়ে-বউ-বাচ্চা এমন কয়েকজন মানুষ। ভয়কে জয় করে বেঁচে থাকে তারা। তারপর…
 
তিন
 
দেখতে দেখতে দুটো মাস কেটে গেল। একবার ডেলিভারি হয়েছে ডায়মন্ডে। প্রথম প্রথম বদ্ধ ঝুঁকিপূর্ণ বলে অন্যেরা এড়িয়ে চলে গেছে। দিন সাতেক বলতে গেলে ছিপ ফেলে বসে থাকার মতোইআস্তে আস্তে ট্রলার এগোয় গহীনে। নিজেদের জীবন বিপন্ন হলেও, বাকি জীবনগুলোর জন্য এগোতেই হবে। এই দূরূহ সীমানায়

ঘড়ির ঘটনা [২য় পর্ব] | সুশান্ত গঙ্গোপাধ্যায়

বাতায়ন/ধারাবাহিক গল্প/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩
ধারাবাহিক গল্প
সুশান্ত গঙ্গোপাধ্যায়
 
ঘড়ির ঘটনা
[২য় পর্ব]

"ঘড়ি দেখতে গেছি তার মানে কি আমি সেই ঘড়ি পকেটে করে লিয়ে আসবমানে চুরিগতকাল আমার দোকানে পুলিশ এসেছিল। আমাকে অনেকক্ষণ ধরে জেরা করেছে।"


পূর্বানুবৃত্তি জিনেভা থেকে আনা বহুমূল্য একটা ঘড়ি বাবার মৃত্যুর পর মিস্টার বর্ধন উত্তরাধিকারসূত্রে পান। তিনি অফিসে এসে ঘড়িটা ড্রয়ারে রেখে দিতেন। হঠাৎ একদিন ঘড়িটা পাওয়া যায় না। তদন্ত করতে আসেন টিনা। তারপর…
 
অফিসে তল্লাশি করে কোনো লাভ হয়নি। অধিকাংশ কর্মচারী বলে, ঘড়িটা স্যারের হাতে দেখেছি। স্যারের খুব শখের ঘড়ি ছিল। স্যার গত হবার পরে কোম্পানির এবং ঘড়ির মালিক হয় দেবাংশু বর্ধন। তবে, কোম্পানি ইদানিং খুব ভাল চলছে না। বাজারে প্রচুর ধারদেনা হয়ে গেছে। আগের থেকে স্টাফও অনেক কমে গেছে। যারা এখন আছে, তারা সব দেবাংশুর বাবার আমলের। প্রত্যেকে খুবই বিশ্বস্ত।

Sunday, March 8, 2026

দুটি নিস্ফল ভালবাসা [১ম পর্ব] | পারমিতা চ্যাটার্জি

বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/ধারাবাহিক গল্প/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | ধারাবাহিক গল্প
পারমিতা চ্যাটার্জি
 
দুটি নিস্ফল ভালবাসা
[১ম পর্ব]

"আসলে এত দামী সব দিলে আমাদের বাড়ির লোকেরা লজ্জায় পড়ে যায় যে আমরা তো মধ্যবিত্ত এত কিছু দিতে পারিনি তাই বলছিলাম।"

 
সকাল থেকে মিনতি খুব ব্যস্ত আজ প্রথম জামাইষষ্ঠী তার ওপর বিয়ের পনেরো দিন পরেই জামাইষষ্ঠী পড়েছে। তাই বিরাট

রমিজা বেওয়া [১ম পর্ব] | মমিনুল পথিক

বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/ধারাবাহিক গল্প/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | ধারাবাহিক গল্প
মমিনুল পথিক
 
রমিজা বেওয়া
[১ম পর্ব]

"অতিরিক্ত বিড়ি খাওয়াতে এবং সময়মতো খাবার না খাওয়ায় পেটে আলসার হয়েছে। জরুরিভিত্তিতে অপারেশন না করালে রোগীকে বাঁচানো যাবে না। স্বামীকে বাঁচানোর জন্যে জোসনা বানু পাগল প্রায়।"

 
(১)
-তোরা মরবার পাস না। তোরা মরলি মুই বাচোং। খালি খাওয়া খাওয়া করিস। কডে থাকি তোমাক মুই এতগুলা খাবার দিম। তোমার বাপটা তো মরি যায়া বাঁচি গেল্, এ্যালা মোর হইচে যত জ্বালা। আল্লাহ তুই

প্রায়শ্চিত্ত [১ম পর্ব] | মমিনুল পথিক

বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/ধারাবাহিক গল্প/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | ধারাবাহিক গল্প
মমিনুল পথিক
 
প্রায়শ্চিত্ত
[১ম পর্ব]

"অবুঝ নিষ্পাপ শিশুটি মায়ের মুখপানে চেয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে। মা-বাবা বলতে নাহার একাই। বাবাকে হয়তো চেনেই না শিশুটি। মা-ই সব।"

 
আদালতের রায়টি হাতে পাওয়ার পর আজ খুশিতে ভরপুর নাহারের ক্ষতবিক্ষত হৃদয়। মেয়েটিকে জড়িয়ে ধরে দুচোখ আনন্দাশ্রুতে ভাসিয়েছেন তিনি। মা-বাবার দিকে তাকিয়ে একরকম ক্ষোভের সাথেই বললেন, দেখলে তোমরা

ক্ষণিকের অতিথি [১ম পর্ব] | বীথিকা ঘোষ

বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/ধারাবাহিক গল্প/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | ধারাবাহিক গল্প
বীথিকা ঘোষ
 
ক্ষণিকের অতিথি
[১ম পর্ব]

"কোথা থেকে মুরগির ডাক কানে এলনাহ্‌ আর শুয়ে থাকলে চলবে না গাত্রত্থান করি সকালের কাজগুলো সেরে ফেলিবাচ্চাগুলোকে খেতে দিতে হবে!"

 
অরুণা তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে শুয়ে ছিল, সঙ্গে কোল ঘেঁষে তার ছোট ছেলে ঘুমিয়ে আছে। জীবনের অজস্র ঘটনার ছবি চোখের পর্দার ওপর প্রতিফলিত হয়েই সরে সরে যাচ্ছে, তার জীবনটা এমন কেন হল? এ দেশে এসে ওনার শরীরটা

পেয়ারাবাগানের অতিথি [১ম পর্ব] | মনোজ চ‍্যাটার্জী

বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/ধারাবাহিক গল্প/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | ধারাবাহিক গল্প
মনোজ চ‍্যাটার্জী
 
পেয়ারাবাগানের অতিথি
[১ম পর্ব]

"এত তাড়াতাড়ি বাড়ি গেলে বাড়িতেও খ‍্যাচখ‍্যাচানি শুনতে হবে। হঠাৎ বিষ্টুর মনে হলদুর শালা! সব ছেড়েছুড়ে পালাই। পায়ের ব‍্যথাটা কোথায় যেন উবে গেল।"

 
গলি থেকে বেরোলেই রিকশাস্ট‍্যান্ড। সরু রাস্তার পাশে এখানে একটু ফাঁকা জায়গা আছে। গোটা-চারেক রিকশা পরপর পিছনে দাঁড়াতে পারে‌। প্রায়ই শান্তনীল গলি

দুটি নিস্ফল ভালবাসা [২য় পর্ব] | পারমিতা চ্যাটার্জি

বাতায়ন/ধারাবাহিক গল্প/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ধারাবাহিক গল্প
পারমিতা চ্যাটার্জি
 
দুটি নিস্ফল ভালবাসা
[২য় পর্ব]

"তুমি চাকরি ছাড়বে নাআমি মনে করি চাকরি যার করার মতন যোগ্যতা আছে সে কেন চাকরি করবে নাতাছাড়া তোমার বাবা-মায়ের দায়িত্ব আছে না?"

 
পূর্বানুবৃত্তি বিয়ের পনেরো দিন পরে জামাইষষ্ঠী। একান্নবর্তী পরিবারে সকলেই ব্যস্ত। নব্বই বছর বয়স্কা ঠাকুমা নিজে পায়েস রাঁধতে বসেছেন। নীলেশ দামী দামী কাপড় কেনায় বিদিশা লজ্জায় পড়ে যায়। তারপর…

 
বাড়ি গিয়ে নীলেশ বলল,
-বাবা! এত কেউ খেতে পারে?
নীলেশের বাবা-মায়ের জন্যেও অনেক খাবার পাঠিয়ে দিয়েছিলেন

রমিজা বেওয়া [২য় পর্ব] | মমিনুল পথিক

বাতায়ন/ধারাবাহিক গল্প/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ধারাবাহিক গল্প
মমিনুল পথিক
 
রমিজা বেওয়া
[২য় পর্ব]

"গোলামের ব্যাটা গোলামসারাদিন তোক মুই খুঁজি মরোতুই কোন সাগাইয়ের বাড়িত মরবার গেছিলু। এ্যালাই আইসে কস মোক ভাত দেও। এ্যালাই ভাত হবার নয়। তোর বাপ আসুক আইতত হইবে এ্যালা।"

 
পূর্বানুবৃত্তি খবিরের ছোটবেলায় মা মারা যায়। বাবা সগির আলী আবার বিয়ে করে। সৎমা জরিমন আগের পক্ষের ছেলের বিরুদ্ধে স্বামীর কান ভারী করতে থাকে। তারপর…

বুড়িকে গোয়াল ঘরে রেখে ঘাড় হতে গামছা আর লুঙ্গিটি উঠোনের দড়িতে ছড়িয়ে দেয় খবির আলী। ডোবা থেকে গোসলটিও সেরে এসেছে সে। বড্ড খিদে পেয়েছে তার, একেবারে পেট চোঁ-চোঁ করছে। কিন্তু কী করে

পেয়ারাবাগানের অতিথি [২য় পর্ব] | মনোজ চ‍্যাটার্জী

বাতায়ন/ধারাবাহিক গল্প/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ধারাবাহিক গল্প
মনোজ চ‍্যাটার্জী
 
পেয়ারাবাগানের অতিথি
[২য় পর্ব]

"বিষ্টুর ঝোপে আলো পড়ে। বুঝতে পারে তাকে দেখে ফেলেছে। মুখ কাঁচুমাচু করে সে বেরিয়ে আসে। লোকটা তার জোরালো টর্চের আলোয় তার আপাদমস্তক দেখতে থাকে। তার পায়ে জড়ানো মস্ত ক্রেপ ব‍্যান্ডেজটা ভাল করে দেখতে থাকে।"

 
পূর্বানুবৃত্তি বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় গুরুতর আহত বিষ্টুপদর একটা পা দুর্বল হয়ে যাওয়ায় সে আর আগের মতো রিকশা চালাতে পারে না। প্যাসেঞ্জার তার রিকশা এড়িয়ে চলে। এভাবেই চলতে চলতে এক সময় অধৈর্য হয়ে পড়ে। তারপর…

বাহ্‌! কী সুন্দর বড় বড় ডাঁশা পেয়ারা ধরে আছে। সে একটু ভেতরে ঢুকে সবচেয়ে কাছের একটা পেয়ারা পাড়ার
জন্য গাছের ডাল ধরে নড়াচড়া করতেই,
-কে রে, কে ওখানে পেয়ারা চুরি করছে?

ক্ষণিকের অতিথি [২য় পর্ব] | বীথিকা ঘোষ

বাতায়ন/ধারাবাহিক গল্প/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ধারাবাহিক গল্প
বীথিকা ঘোষ
 
ক্ষণিকের অতিথি
[২য় পর্ব]

"এভাবেই বাসি ছাই মাখাতে হবেতারপর রৌদ্রে শুয়িয়ে রাখবিদু মাসের মধ্যে হাঁটতে পারবে। তোর স্বামীও ভাল হয়ে গেছেআরও কিছু দিন পর গিয়ে নিয়ে আসবি। তোর মন এত ভাল এত পবিত্রমানুষের এত উপকার করিস তোর ক্ষতি কেউ করতে পারবে না"

 
পূর্বানুবৃত্তি বাগানের ম্যানেজারের ভাইপো কানু চাকরির সন্ধানে এসেছে। কানুর পরামর্শে ডাক্তারের কথায় কোম্পানির থেকে সব ব্যবস্থা হল একেবারে প্লেনের টিকিট পর্যন্ত। তারপর…
 
প্রায় দেড় মাস হয়ে গেল এখনো কোন ইম্প্রুভ হয়নি, বড়দি অভিমান করে চিঠি লিখেছে আমরা থাকতেও এমন কাজ কী করে করলি? শরীর একদম ছেড়ে দিয়েছে তারপর আমাদের কথা মনে পড়লে, এখন সম্পূর্ণ ভাল হতে

খাবারের সন্ধানে ~~~


Popular Top 10 (Last 7 days)