নারী না পুরুষ
অন্য চোখে
মানালী হোড়
লোককথার মৃত্যু
বাতায়ন/নারী না পুরুষ / ধারাবাহিক গল্প/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ , ১৪৩৩ নারী না পুরুষ সম্পাদকীয় সাম্য "একে অন্যের পরিপূরক হয়ে ...
শারদোৎসব মানেই বাঙালির জীবনে আনন্দের এক বিশেষ অধ্যায়। আমার ছোটবেলার পুজো সেই আনন্দকে আজও রঙিন করে রাখে। পূজোর শুরু হত কাঠামো পুজো দিয়ে। রথের দিন থেকে অধীর আগ্রহে লক্ষ্য করতাম, কেমন করে মৃৎশিল্পীর নিপুণ হাতে গড়ে ওঠে মায়ের মূর্তি।
শিক্ষা-সংস্কৃতি, সভ্যতা ও মানবিক মূল্যবোধের ধারক ও বাহকের নাম মানব। যারা এই মানবতাকে লালনপালন করে না, তারা সত্যিই অমানুষ। তারা তো মানবতার, সভ্যতার কলঙ্ক। ধর্মের অনেক সংজ্ঞা থাকলেও মানুষের কল্যাণই সব ধর্মের মূল কথা। যদি তা লঙ্ঘিত হয়, তবে তা ধর্ম হওয়ার মর্যাদা রাখে না। রাজনীতিও মূলত মানুষের মঙ্গলের জন্য। যা আমাদের দুর্দশার কারণ হয়, নিপীড়নের, নির্যাতনের কারণ হয়, তা মোটেই রাজনীতি নয়। একটি প্রবাদ আছে, আমরা
না, শত-শত বছর আগের কথা নয়, এমনকি একশো বছর আগের কথাও নয়। মাত্র চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর আগের মানে গত শতকের ষাট-সত্তরের দশকের, আমাদের শৈশব-কৈশোরের ভাদ্র-আশ্বিন মাস শরৎকাল বা শারদোৎসব বা দুর্গাপূজার কথা।
তখন সারা রাত্তির মাটির
উঠোনের এক পাশে একটা বড় শিউলি গাছ থেকে টুপটাপ করে ঝরে পড়ত সাদা শিউলি ফুল।
শিশির আর কুয়াশার জাল ছিন্ন
করে একটা ‘চোখ গেল পাখি’ ‘চোখ গেল চোখ গেল’ ডাক দিয়ে উড়ে
যেত পুব দিগন্তের আকাশপানে। স্বপ্নের মহালয়ার ভোর যে কখন হবে, অনন্ত প্রতীক্ষার শেষ ছিল না সেই সময়ে অর্থাৎ ষাট-সত্তর
দশকের শিশু, কিশোরদের।