প্রাপ্তমনস্কদের পত্রিকা ~ ~ ~ নাম নয় মানই বিবেচ্য

নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | রাজদণ্ড

বাতায়ন/ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা / সম্পাদকীয় /৪র্থ বর্ষ/ ৬ষ্ঠ সংখ্যা/ ২রা আষাঢ় , ১৪৩৩ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | সম্পাদকীয়   রাজদণ্ড "অগণিত ছাপো...

Showing posts with label ছোটগল্প. Show all posts
Showing posts with label ছোটগল্প. Show all posts

Wednesday, July 8, 2026

ভোটের দাগ | মাখনলাল প্রধান

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩

নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ছোটগল্প
মাখনলাল প্রধান
 
ভোটের দাগ

"ব্যাপারটা সবার ক্ষেত্রে কিন্তু হচ্ছে না। তাই কেউই তেমন মাথা ঘামাচ্ছে না।‌ কিছুদিন পর দেখা গেল, দাগটা গভীর হয়ে ধীরে ধীরে চামড়ার ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। এক মাস পরে সেই আঙুল দিয়ে কেউ বই ধরতে পারছে না। কেমন ব্যথা ব্যথা করছে।"

 
ভোটের দিন বুথে নাম-টাম মিলিয়ে নেওয়ার পর আঙুল টেনে কালির দাগ দিয়ে দিল। আমাদের পাড়ার বয়স্ক মানুষ চিনা বিশ্বাস চেঁচিয়ে উঠল

Wednesday, June 17, 2026

জল শহিদ | অভীক মুখার্জী

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ছোটগল্প
অভীক মুখার্জী
 
জল শহিদ

"অনেক রাতে রতনের  ঘুমটা ভেঙে গেল তার ঘরের অ্যাসবেস্টসের চালে বৃষ্টির আওয়াজে। ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নেমেছে। যা বৃষ্টি হবার বাবা এই রাতেই হয়ে যা! দিনের বেলা না হলেই হল।"

 
একটু বেশি রাতে ফিরে অঘোরে ঘুমিয়ে পড়েছিল রতন। গত কয়েকদিন একটু বেশিই রাত হচ্ছে তার ফিরতে। স্বাভাবিক। মহালয়া থেকেই আজকাল লোকজন বেরিয়ে পড়ছে ঠাকুর দেখতে। লোক যত বেরোয় তত ভাল। রতনের ছোট্ট পান-সিগারেটের দোকানের ঠিক পেছনের পার্কে শহরের অন্যতম নামকরা বারোয়ারী

নতুন সূর্যোদয় | শিউলী ব্যানার্জী (মুখার্জী)

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ছোটগল্প
শিউলী ব্যানার্জী (মুখার্জী)
 
নতুন সূর্যোদয়

"যতই হোক বিয়ে যখন হয়েছে স্বামী তো, মেনে নিতে হবে... এই ভেবে সেও ছাদে যায়। দেখে ভোর হব হব বেশ শীতল হাওয়া... ধীরে ধীরে সে তার স্বামীর পাশে গিয়ে দাঁড়াল।"

 
-ও... বউ কইতাসি অনেক রাত হোল গিয়া এবার ঘোমটাটা তুলুম। চাঁদপানা মুখখান দেখার লগে পরানডা কেমন করতাসে।
ঘোমটার ভেতর থেকে নতুন বউ তার স্বামীর কথা শুনে

ভেটকু | অদিতি চ্যাটার্জি

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ছোটগল্প
অদিতি চ্যাটার্জি
 
ভেটকু

"শিখা-মাসির গজগজানিতে কান না দিয়ে একটা কার্টুন জোগা করে 'সাদা-হলুদ' বলটাকে রাখার ব্যবস্থা করতে ব্যস্ত টুলটুল খেয়ালই করেনি পেছন পেছন ছুটে আসা শিখা-মাসিকে, "আরে বিড়ালটা তো পোয়াতি! বিদায় করো এটাকে।"

 
বাটা মাছের ঝালটা দিয়ে ভাত মাখিয়ে মুখে তোলার আগে টপ্ করে একটু জল ভাতের মণ্ডের মধ্যে মিশে গেল। মা শিখিয়েছেন খাওয়ার সময় চিৎকার, চোখের জল ফেলা, রাগ- এইগুলো অমঙ্গলের বার্তা

পলাশের রঙে এক বিকেলের গল্প | অন্বেষা সরকার

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ছোটগল্প
অন্বেষা সরকার
 
পলাশের রঙে এক বিকেলের গল্প

"গঙ্গার ঘাটে! আর কী সুন্দর জায়গা বল তো! নদীর জল ধীরে ধীরে বইছে, হালকা বাতাস, চারপাশে এত শান্তি… মনে হচ্ছিল যেন একটা ছবি আঁকা দৃশ্য।"

 
নৈহাটি থেকে বাড়ি ফিরে চন্দ্রিমা তখনও যেন একটু ক্লান্ত, আবার মনটা অদ্ভুতভাবে খুশিতেও ভরা। সারাটা পথ পিসিকে বাড়ি দিয়ে আসার পরও তার চোখের সামনে ঘুরছিল গঙ্গার ঘাটের সেই

বিক্রেতা | তড়িৎ চক্রবর্তী

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ছোটগল্প
তড়িৎ চক্রবর্তী
 
বিক্রেতা

"মার শরীরটা কোনোদিনই ভাল ছিল না, ইদানীং আরো হাড় জিরজিরে হয়ে গিয়েছে। তার উপর ছ’মাসের ভাইটা ইদানীং যেন আরো টেনে দুধ খায়, মা’র ভারী দুধগুলো কেমন যেন শুখিয়ে গিয়েছে, ভাইও পুরো দুধ না পেয়ে কামড়ে খিমছে দেয়।"

 
তখন বয়েস চোদ্দো পেরিয়ে পনেরোতে পড়েছে। গতবছর এ’রকম সময়ে ভর পেট চোলাই আর হাবিজাবি চাট খেয়ে সারারাত হেগে বাপটা ভোরে মরল। চোলাইয়ের ঠেকের লোকজন নিয়ে গিয়ে

বসন্ত চলে গেছে | পারমিতা চ্যাটার্জি

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ছোটগল্প
পারমিতা চ্যাটার্জি
 
বসন্ত চলে গেছে

"জান না আমার হাই ব্লাড প্রেশার উনুনের তাতে যেতে ডাক্তার বারণ করেছেন। আমার মেয়েটা এসেছে তাই একটু বেশি রান্না হয়েছে। তাতেই একেবারে শ্বশুরের দরদ উলে যাচ্ছে কই আমার বেলা তোমার এত দরদ কোথায় ছিল?"

 
চিত্রাদেবী লিখতে বসেছেন জীবনের ফেলে আসা কিছু কথা, যা হয়তো অনেকবার বলতে চেয়েও বলতে পারেননি তার স্বামীর মুখের দিকে চেয়ে। মানুষটা বড় ভাল ছিলেন, আর  ভাল ছিলেন তার শ্বশুরমশাই। প্রতিদিন জলখাবারের টেবিলে ছোটখাটো খণ্ডযুদ্ধ বাধাবেই আর এই যুদ্ধটা বাধাতেন তার শাশুড়ি

অদিতি | পারমিতা চ্যাটার্জি

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ছোটগল্প
পারমিতা চ্যাটার্জি
 
অদিতি

"শুভম কেনদিন ভাবেনি তার অদিতিকে ময়দানে নেমে এভাবে লড়াই করতে হবে, ভাগ্যিস সেদিন ওর স্কুলের চাকরিটা ছিল, নইলে আজ যে কী হত, ছোট্ট মেঘনাকে নিয়ে কোথায় দাঁড়াতে হত কে জানে?"

 
সকাল থেকে রাত অবধি যেন তাণ্ডব চলে, রাতে যখন শুতে আসে অদিতি মনে হয় শরীরের সব রক্ত জল হয়ে গেছে, শুভমেরও মনে হয় জীবনযুদ্ধে ছুটতে ছুটতে প্রেম ভালবাসা

বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যা | পারমিতা চ্যাটার্জি

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ছোটগল্প
পারমিতা চ্যাটার্জি
 
বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যা

"হাঁপিয়ে হাঁপিয়ে এইটুকু কোনমতে বলে অনুমিতা ঝরঝর করে কেঁদে ফেলল। প্রত্যুষ অনুর থুতনিটা তুলে ধরে বলল,"

 
আকাশে স্তূপ স্তূপ মেঘ জমেছে। ছাদের আলসে ধরে অভিমানী মুখ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে অনুমিতা। বৃষ্টি ঝিরঝির করে পড়তে আরম্ভ করেছে। অনুমিতা গুণগুণ করে গান আরম্ভ করল, 'কবে নব ঘন বরিষণে

ভোটের দাগ | মাখনলাল প্রধান

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ছোটগল্প
মাখনলাল প্রধান
 
ভোটের দাগ

"ব্যাপারটা সবার ক্ষেত্রে কিন্তু হচ্ছে না। তাই কেউই তেমন মাথা ঘামাচ্ছে না।‌ কিছুদিন পর দেখা গেল, দাগটা গভীর হয়ে ধীরে ধীরে চামড়ার ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। এক মাস পরে সেই আঙুল দিয়ে কেউ বই ধরতে পারছে না। কেমন ব্যথা ব্যথা করছে।"

 
ভোটের দিন বুথে নাম-টাম মিলিয়ে নেওয়ার পর আঙুল টেনে কালির দাগ দিয়ে দিল। আমাদের পাড়ার বয়স্ক মানুষ চিনা বিশ্বাস চেঁচিয়ে

আমারে ভুলিয়া যেও | সঙ্ঘমিত্রা দাস

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ছোটগল্প
সঙ্ঘমিত্রা দাস
 
আমারে ভুলিয়া যেও

"ভাইটার পড়াশোনার খরচ, মায়ের ওষুধ, সব দায়িত্ব ওর। বাংলায় এমএবিএড্। চাকরির চেষ্টা করছে প্রচুর কিন্তু পাচ্ছে না। টিউশনি করে চলছে সংসার। খুব খাটুনে মেয়ে।"

 
অনেকদিন পরে কৃষ্ণাকে দেখলাম। কৃষ্ণা আমার ছেলেকে ছোটবেলায় পড়াত। তখন আমি দমদম মতিঝিল এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থাকতাম। ওই পাড়ায়ই কৃষ্ণার বাড়ি ছিল। আমি যখন কেষ্টপুরে ফ্ল্যাট কিনে চলে আসি তার অনেক

Tuesday, May 5, 2026

রাতের হাতছানি | সঙ্ঘমিত্রা দাস

বাতায়ন/আতঙ্ক/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৩য় সংখ্যা/২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | ছোটগল্প
সঙ্ঘমিত্রা দাস
 
রাতের হাতছানি

"এত বছর পরে আবীরের মেসেজ! নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। কত কথা হলো সেই রাতে। প্রায় ভোর হয়ে গেল। ঘুম এসেছে কখন টেরও পায়নি। এইভাবে প্রতি রাতে ঘন্টার পর ঘন্টা কেটে যেতে থাকল। বসুন্ধরাকে বলবে ভেবেও ব্যস্ততার ফাঁকে আর বলা হয়ে ওঠেনি।"

 
তটিনী হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রল করছিল শুয়ে শুয়ে। অফিসে বসে থাকলে যত ঘুম জড়িয়ে আসে আর রাত বাড়লেই

ক্ষণিকা | সাহানা নন্দন

বাতায়ন/আতঙ্ক/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৩য় সংখ্যা/২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | ছোটগল্প
সাহানা নন্দন
 
ক্ষণিকা

"বলেছিলামআসব। এসেছি। কথা রেখেছি। কিন্তু তুমি রাখোনি। ফেলে গিয়েছিলে জীর্ণ পোশাকের মতো! চলন্ত মেট্রো থেকে ঝাঁপ দিলে শরীরে কিছুই থাকে নাএকথা তোমার জানা উচিত! আমার ইচ্ছে আজও অপূর্ণমাতৃত্ব অধরা!"

 
ইচ্ছেডানা মেলে উড়ানের পথে;
কাব্যরসী লাল ফানুসের ঝাঁক—
বিস্তৃত দিগন্ত জুড়ে খেলা করে, শব্দহীন ছায়া-কায়া

অচেনা পথ | সুদীপ্তা চট্টোপাধ্যায়

বাতায়ন/আতঙ্ক/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৩য় সংখ্যা/২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | ছোটগল্প
সুদীপ্তা চট্টোপাধ্যায়
 
অচেনা পথ

"পুলিশ তো ওর ফোনটা থেকে অনেক কিছু পেয়েছে শুনলাম। একটা মেয়ে নাকি তাকে ব্ল্যাকমেল করত। কীসব উলঙ্গ শরীর নাকি দেখাত। আরও কীসব হয়েছে হোটেলে।"

 
সিগারেটে দুবার টান দিয়ে সিগারেটটা ফেলে দেয় অনির্বাণ। মনটা তার ভাল নেই। ফেসবুক খুললেই অপহরণের ভিডিও। বেশ কিছু নিউজ চ‍্যানেলেও দেখানো হচ্ছে। ছেলে ধরা সন্দেহে বেশ কিছু নির্দোষ লোক

নিভৃত হাহাকার | ঈষিকা সূত্রধর

বাতায়ন/আতঙ্ক/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৩য় সংখ্যা/২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | ছোটগল্প
ঈষিকা সূত্রধর
 
নিভৃত হাহাকার

"শিউলি কোথায় নিরুদ্দেশ হলো কে জানে! শুধু কক্ষকোণে সেই তৈলচিত্রটা পড়ে রইলআর তার ধুলোমাখা ফ্রেমে আটকে রইল এক অপার্থিব ত্রাস। শিউলির সেই আর্তনাদ কোনোদিন লোকচক্ষুর সামনে এল নারয়ে গেল কেবল এক মহাসমুদ্রের মতো অতল আর অসমাপ্ত দীর্ঘশ্বাস।"

 
রাত এখন গভীর। জানালার বাইরে অরণ্য-প্রকৃতি এক নিবিড় অন্ধকারে যেন ধ্যানমগ্ন। হঠাৎ সেই নিঝুম নিস্তব্ধতা চিরে একটা অস্ফুট কান্নার সুর ভেসে এলো। সেটা কি কোনো রাতজাগা

আয়নার ওপারে | নবনীতা রায়

বাতায়ন/আতঙ্ক/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৩য় সংখ্যা/২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | ছোটগল্প
নবনীতা রায়
 
আয়নার ওপারে

"ঠিক তখনই লোডশেডিং। ঘর অন্ধকার। মোবাইলের আলোয় অ্যালবামের দিকে তাকিয়ে অর্ণব দেখল আট নম্বর বাচ্চাটা এখন আর হাসছে না। ছবির ভেতর তার ঠোঁট নড়ছে। অন্ধকার ঘরে মোবাইলের আলো কাঁপছে।"

 
রাত সাড়ে এগারোটা। লালবাজারের কন্ট্রোল রুমে এসি চলছে, তবু ঘামছিল সাবইন্সপেক্টর অর্ণব সেনের কপাল। টেবিলের উপর ছড়ানো ছটা ফটো। ছটা লাশ। ছটা আলাদা পাড়া, আলাদা বয়স

আতঙ্ক | মীনা রায় বন্দ্যোপাধ্যায়

বাতায়ন/আতঙ্ক/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৩য় সংখ্যা/২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | ছোটগল্প
মীনা রায় বন্দ্যোপাধ্যায়
 
আতঙ্ক

"লেখাপড়া শিখিনি। গ্যারেজ পরিস্কার করি। ফ্লাটের সিঁড়ি মুছি। আমার কিছু অভাব নাই। সবাই ভালবাসে। শাড়ি দেয়। তোমার অহংকার নাইসূচিবাই নাইসাজগোজ করো না। কত শ্রী তোমার!"

 
বৌদি আতঙ্কে ভুগছে। গায়ে পড়ে সেবা করতে আসছে অনিমা। অনিমা পরিচারিকা। তাকে কাজে নিয়ে সংসারে অশান্তি হয়েছিল। করোনা-কালে তাকে ঘরে ঢুকতে

গরম ভাত ও একটি তালিকা | অদিতি চ্যাটার্জি

বাতায়ন/আতঙ্ক/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৩য় সংখ্যা/২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | ছোটগল্প
অদিতি চ্যাটার্জি
 
গরম ভাত ও একটি তালিকা

"জমির দলিল পাব কোথায় বউদিজমি থাকলে তো! ভাতই জুটত না বলে দেশ থেকে কাকার কাছে এলাম শহরে। তোমার চোখের সামনেই তো বলোপড়াশোনাও তো জানি না মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট বা আসবে কোথা থেকে?"

 
-কাকি আসছি গো।
-সরবতি লেবুগুলো কামাচিটার জন্য নিয়ে যাস, খাবার টেবিলে রেখেছি।
দরজাটা বন্ধ করে সোফায় এসে বসলেন মধুমিতা, সকাল থেকে খবরের

নতুন অধ্যায়ের গল্প | উজ্জ্বল পায়রা

বাতায়ন/আতঙ্ক/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৩য় সংখ্যা/২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | ছোটগল্প
উজ্জ্বল পায়রা
 
নতুন অধ্যায়ের গল্প

"সেঁজুতি জোর করে ঠোঁটে বাঁকা হাসি এনে বলল— বাড়িটা আমার। শ্বশুরের বাড়িও নয়স্বামীর বাড়িও নয়বাপের বাড়িও নয়ছেলের বাড়ি তো নয়ই। এটা আমার বাড়ি। এই বাড়িতে কাকে ঢুকতে দেব আর কাকে দেব না সেটা সম্পূর্ণ আমার ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।"

 
সকাল সাতটা। পূর্ব দিকের জানালা বেয়ে নরম রোদ এসে পড়েছে সেঁজুতির ডাইনিং টেবিলে। এসময় রোজ চা আর একবাটি মুড়ি নিয়ে জানালা দিয়ে বাইরের রোদ আর প্রকৃতির সাথে কথা বলতে

বিশ্বাস | জনা বন্দ্যোপাধ্যায়

বাতায়ন/আতঙ্ক/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৩য় সংখ্যা/২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | ছোটগল্প
জনা বন্দ্যোপাধ্যায়
 
বিশ্বাস

"কষ্টের ধারাপাত বহু বছর ধরে শুধু জীবনকে জর্জরিত করেনি, বিষময় করেছে। দাম্পত্যের বন্ধন ছেদ করতে তাই আর কোনো কষ্ট অনুভূত হয়নি। তবে মৃত সোমনাথ রায়কে দেখে নিজের বাঁধ ভাঙা কান্না সামলাতে পারেননি শোভনাদেবী।"

 
শোভনাদেবীর বড় মেয়ে বারো বছর বয়সে দীঘার সমুদ্রে খেলতে খেলতে জলে তলিয়ে গেছিল, সেই থেকে শোভনাদেবী সমুদ্রের ধারে বেড়াতে যান না। সোমনাথ রায়কে শোভনাদেবী ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন, কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে

খাবারের সন্ধানে ~~~


Popular Top 10 (Last 7 days)