প্রাপ্তমনস্কদের পত্রিকা ~ ~ ~ নাম নয় মানই বিবেচ্য

শারদীয়া | সম্পাদকীয়

বাতায়ন/শারদীয়া/ সম্পাদকীয় /৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র , ১৪৩৩ শারদীয়া সম্পাদকীয়   ফকিরের চাল বাঙালির দুর্গা সার্বজনীন , চিরকালীন । ...

Showing posts with label ছোটগল্প. Show all posts
Showing posts with label ছোটগল্প. Show all posts

Friday, September 18, 2026

শেষ প্রদীপের আলো | সূপর্ণা চন্দ

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
সূপর্ণা চন্দ
শেষ প্রদীপের আলো

ছোট্ট অশোক তখন বুঝতেন না, বাড়ি কি কখনও ঘুমোয়? আজ বুঝতে পারেন। মানুষের মতো বাড়িরও মন থাকে। কেউ থাকলে সে বাঁচে, কেউ চলে গেলে সে শুধু দাঁড়িয়ে থাকে।

 
"আবার এসেছে আশ্বিন, হিমের পরশ লাগে প্রাণে..."
 
শরৎ এলেই রায়চৌধুরী বাড়িটা যেন একটু বেশি

উমার আগমন | সঞ্জিতা চৌধুরী

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
সঞ্জিতা চৌধুরী
উমার আগমন

 আমরা আছি গো বাচ্চারে নিয়া, পুলিশের জন্যে। বাচ্চাটারে একলা ছাড়বুনি গো, আমার নাতনির বয়স হবে কচিটার। কপালের ফের দেখো, আজই এই পথে যাচ্চি শুনি বাচ্চার কান্না। ডেকে আনি গাঁজাখোরগুলোরে। ঝোঁপ থেকে তুলি কোলে দিল আমারে।

 
রেললাইন ঘেঁষে যে রাস্তাটা গেছে, ওটা ধরে ফিরলে সময় বাঁচে অনেকটা। কিন্তু ওই জায়গাটা নেশাখোরদের আড্ডা তাই অন্ধকার। দলবেঁধে ফেরে বেশিরভাগ ট্রেনযাত্রীর দ

অতল তল | তাপসকিরণ রায়

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
তাপসকিরণ রায়
অতল তল

হঠাৎই ঘরের বাতাসটা ভারী হয়ে এল। সমস্ত স্মৃতি দূরে সরে গেল। রমাকান্ত অনুভব করলেন তাঁর ডান হাতে একটি পরিচিত, উষ্ণ স্পর্শ। মাধবী কাছেই বসে আছে, তাঁর হাতটি নিজের দুই হাতের মুঠোয় চেপে ধরে।

 
জীবনপ্রদীপের শিখাটা যখন নিভে আসার উপক্রম হয়, মানুষ তখন আর বর্তমানে বাঁচে না। আজ আশি ছুঁই-ছুঁই রমাকান্তবাবুও শুয়ে আছেন, মৃত্যুর একেবারে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। তাঁর শরীরের শিরা-উপশিরায় চলাচলের গতি শ্লথ, বুকটার ওঠানামা ভারী। ঘরের বাতাসজুড়ে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা

শিউলি ফুলের মালা | অঞ্জনা মজুমদার

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
অঞ্জনা মজুমদার
শিউলি ফুলের মালা

পুবের আকাশে লাল আলোর ছোঁওয়া লেগেছে। এবার সূর্য উঠবে। ঝুড়ি ভর্তি ফুল নিয়ে শিউলির দিকে তাকাল বিতান। আর চমকে উঠল। শিউলির পেছনে ফণা তুলে দাঁড়িয়ে আছে মস্ত একটা সাপ।

 
পুজোর সময় প্রতি বছরের মতো গ্রামের বাড়িতে এসেছে বিতান। সঙ্গে আছে বোন মিমি আর রোবু। রোবু কিন্তু মানুষ নয়। বিতানের মামা বৈজ্ঞানিক সায়ন মিত্রর তৈরি করা ছোট্ট রোবট

দ্বিচারিতা | অদিতি চ্যাটার্জি

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
অদিতি চ্যাটার্জি
দ্বিচারিতা

দেবীর গলায় এত মালা, ফুল, ধূপের সুবাস কিচ্ছু ভাল লাগছে না। পারলে এই মালাগুলো টান মেরে ছিঁড়ে ফেলেন। এই যে শান্ত সৌম্য চেহারার পুরোহিত, দেবী মূর্তির সামনে কেঁদে ভাসাচ্ছে, সে নিয়মিত তার স্ত্রীকে অপমান, প্রহার করে চলে। ছি!


এক
 
অষ্টমীর সকাল, শহরতলির এক দুর্গা মণ্ডপে কুমারী পূজার আয়োজন একদম শেষ পর্বে। আজ কুমারী হয়েছে ছ'বছরের তোতা

স্মৃতি | অন্বেষা সরকার

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
অন্বেষা সরকার
স্মৃতি

নাম বলবি না? আমরা কি জানি না? মালবিকা! তুই ওর জন্য রবীন্দ্রনাথের কবিতা মুখস্থ করেছিলি। সবাই একসঙ্গে হেসে উঠল। রমেন বাবুও শেষে হেসে ফেললেন।

 
চায়ের ধোঁয়া, হুকোর টান আর চার বন্ধুর বিকেল। মফস্‌সল শহরটার নাম ছিল মধুবনপুর। শহর বললে

ক্যান্ডি ফ্লস | অর্পিতা সাহা

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
অর্পিতা সাহা
ক্যান্ডি ফ্লস

দূরে আকাশে নীল সাদা মেঘের দলের মধ্যে যেন হঠাৎ ভেসে ওঠে ওর মতন একটা ছেলে যেন বোম্বাই মিঠাই হাতে সাদা মেঘের ভেলা চেপে হারিয়ে যাচ্ছে দূর আকাশে। গুঞ্জন আনন্দে লাফিয়ে ওঠে

 
পুজো পুজো গন্ধ বাতাসে... ঝলমলে রোদ্দুর আশ্বিনের সকালে... ঘন নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা পাল তুলে পাড়ি দিচ্ছে অচিনপুরে

মাহতারি | ইন্দ্রজিৎ রায়

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
ইন্দ্রজিৎ রায়
মাহতারি

রাস্তায় নেমে, এই প্রথম চোখে পড়ে কচি পাকা, নানা রকম বাঁশ ঢুকে পড়েছে আশেপাশে। ঠেলাগাড়ি ভর্তি ভর্তি বাঁশ, এই শহরের দিক থেকে ওদিক যাচ্ছে। মা’র সঙ্গে বাঁশের এই যোগ প্রাচীন

 
আসতে চাইনি আমি, সত্যিই আসতে চাইনি। পরে মা'র মুখে শুনেছিলাম, যে মা'র নরমাল ডেলিভারি হচ্ছিল না কিছুতেই। ডাক্তারও অপেক্ষা করেই চলেছে, মা'র কষ্টের অবসান হচ্ছে না। শেষে মা রাঁচি হাসপাতালে ছাদে

শরতের একটা নতুন জামা | ঈষিকা সূত্রধর

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
ঈষিকা সূত্রধর
শরতের একটা নতুন জামা

অলোকবাবুর নিভৃত হৃদয়ে এক চিরন্তন প্রশ্ন হাহাকার করে ওঠে—এই উৎসবের আলো কি কেবল ধূলিধূসর জানালার বাইরেই স্থির হয়ে থাকবে, নাকি কোনোদিন এই জীর্ণ ভিটের ভেতরেও পূর্ণতা নিয়ে প্রবেশ করবে?

 
ভাদ্রের অপরাহ্ণ আলো যখন ধীরে ধীরে আমন ধানখেতের ওপর ক্লান্ত সোনালি আভা ছড়িয়ে নিভে আসছিল, তখন অলোকবাবুর টিনের চালের বারান্দায় এক বিষণ্ণ নীরবতা। তারের ওপর মেলে দেওয়া

কে রবে পরবাসে | অদিতি চ্যাটার্জি

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
অদিতি চ্যাটার্জি
কে রবে পরবাসে

অনুরাধা বোঝাতে পারেননি বছরকার দিনে ভিটে অন্ধকার থাকবে, ঠাকুরের আসনে ধূপ-জল পড়বে না এই ভাবনাটা অস্থির করে তুলছে।

 
বেলা বারোটা পঁয়তাল্লিশের লালগোলা প্যাসেঞ্জারে জানলার ধারের সিটে গুছিয়ে বসলেন অনুরাধা, ছেলে ছোট ট্রলি ব্যাগটা বাঙ্কে তুলে দিল আর সিটের

স্মৃতি সতত সুখের | কেয়া নন্দী

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
কেয়া নন্দী
স্মৃতি সতত সুখের

একদিন লুচি তো অন্যদিন নিমকি-নাড়ু। সাধারণ ছাপোষা ঘরে বছরের এই চারদিন স্বাদে-আহ্লাদে বড়ই লোভনীয়— সারা বছরের অপেক্ষা!

 
ন্যাপথলিনের গন্ধটা আসতেই বুঝতে পারে নন্দিতা— লতুকে সাথে নিয়ে রিনি আজ পুরোনো কাপড় রোদে

অপেক্ষমান ভগবান | প্রকাশ চন্দ্র রায়

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
প্রকাশ চন্দ্র রায়
অপেক্ষমান ভগবান

আরো পাবি দাদা, বলল ছোটভাই। তোর বাস্তুভিটার জমিটুকু লিখে দিস আমাকে, রেজিষ্ট্রির দিন আরো পঞ্চাশ হাজার দেব।

 
বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো, এখনো ওবাড়ি থেকে কেউ এলো না ডাকতে। ক্ষুধার চোটে পেটের নাড়িভুঁড়ি

পুজো স্পেশাল প্রেম | দেবদাস কুণ্ডু

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
দেবদাস কুণ্ডু
পুজো স্পেশাল প্রেম

প্রতিবার পুজোতে এইরকম এক-একটা নতুন ছেলের সঙ্গে ঘুরি। আমার বাবা তো এখানে থাকে না। আর মা ভিড় ঠেলে ঠাকুর দেখে না। তাই পুজোতে একজনের সঙ্গে প্রেম করি।

 
-ভিখিরির মতো দাঁড়িয়ে থাকতে ইচ্ছে করছে না। চল অন্য কোথাও যাই।
মনিদীপা বিরক্তির সুরে বলল। মনিদীপার বিরক্তি হওয়া স্বাভাবিক। এমনকি তার নিজের

সোনার সিংহাসনের রহস্য | ভাস্কর সিনহা

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
ভাস্কর সিনহা
সোনার সিংহাসনের রহস্য

বুদ্ধু আর চিন্ময় রাতে প্রাসাদে গেল। পূর্ণিমার রাত, চাঁদের আলোয় প্রাসাদ যেন মায়াবী। উত্তর দেওয়ালে তারা খুঁজতে লাগল পাথর। চিন্ময় বলল, "এই পাথরটার ছায়া বাম দিকে পড়ে!" তারা সেটা সরাতেই দেখা গেল এক ছোট গর্ত, তার ভেতর একটি তামার কুঞ্চি।

 
পশ্চিমবঙ্গের এক গ্রাম, বল্লভপুর। গ্রামের মোড়ে এক জীর্ণ প্রাসাদ, যার গায়ে লতাপাতা, ভেতরে শুধু ধুলো আর বাদুড়। কিন্তু গ্রামের বুড়োরা বলেন, এই প্রাসাদের নিচে লুকিয়ে আছে এক সোনার সিংহাসন

ত্রিকোণ প্রেম | পারমিতা চ্যাটার্জি

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
পারমিতা চ্যাটার্জি
ত্রিকোণ প্রেম

"আমাদের বাড়ি থেকে তোর সাথে বিয়ে দিত না। মাসিমার সংগ্রামকে আমি খুব শ্রদ্ধা করি আর আমার তো চিরকাল সুখের গদিতে কাটিয়েছি"

 
মধুযা— অর্পণ তুই এখানে  চোরের মতন দাঁড়িয়ে কী করছিস?
অর্পণ— প্রায় দু বছর পর এলি, তোর সাথে একবার দেখা করার লোভ

বাপের ঘরে উমা | সঙ্ঘমিত্রা দাস

বাতায়ন/শারদীয়া/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
ছোটগল্প
সঙ্ঘমিত্রা দাস
বাপের ঘরে উমা

"ফোনটা রাখতে গিয়ে খেয়াল পড়ল একটা পাত্রে জলের মধ্যে মা বেশ কিছু শিউলি ফুল রেখেছে। চারদিকে সুন্দর একটা গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। ঘরটা পবিত্র হয়ে গেছে সেই সুবাসে।"

 
তৃণার বিয়ের পরে তিনটে পুজো কেটে গেছে। আবার পুজো আসছে। এই সময় মনটা খুব আকুল হয়। বাইরের রুপালি রোদ, সাদা মেঘের নৌকো মা রওনা দিয়েছেন ওই স্বর্গ থেকে। চারদিকে আগমনির গান, দোকানে দোকা

Saturday, August 15, 2026

লোন আতঙ্ক | অর্পিতা চক্রবর্তী

বাতায়ন/নারী না পুরুষ/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
ছোটগল্প
অর্পিতা চক্রবর্তী
লোন আতঙ্ক

"বেশ তবে তাই করো। তুমি বরং তোমার ছেলেকে বলো ওটা ফেরৎ নিয়ে নিতে। এমনিতেই আমি ওই ফোন থেকে যোজন ক্রোশ দূরে অবস্থান করি। আর তাছাড়া তোমার তো একটা অতি আধুনিক ফোন আছে এবং তুমি সেই ফোনের সব কিছুই পারো।"

 
কী ব্যাপার কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। কাল থেকে নন্দদুলাল-বাবুর ফোনটি বাজলেই উনি সাইলেন্ট করে দিচ্ছেন। কিন্তু কেন? প্রশ্নটা মাথায় আসলেও মুখ ফুটে কিছু বলতে পারছেন না অতসীদেবী। আসলে এক-দুই-দশ-বিশ নয়, পুরো পঞ্চাশ বছরের দাম্পত্য জীবনে এমন তো কোনদিন হয়নি। তবে আজ

বর্ষার দিন আর খিচুড়ির গল্প | অদিতি চ্যাটার্জি

বাতায়ন/নারী না পুরুষ/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
ছোটগল্প
অদিতি চ্যাটার্জি
বর্ষার দিন আর খিচুড়ির গল্প

"ওরে, বেশি পড়লে যে মানুষ গাধা হয়! তোর বাপ, ঠাকুরদাকে দেখলাম, এখন তোকে দেখছি। ভালো লাগলে বলে দে। মাঝেমধ্যে সময় কাটাও, একসঙ্গে পড়াশোনা করো, দেখ, হয়ে যাবে প্রেমটা। আমার পুতি হয়ে যে তুই এত বোকা, কী করে হলি?"

 
দিল্লিতে অবশেষে বৃষ্টি এল। অত্রি আজ শ্রেয়াকে নেমন্তন্ন করেছে। মারাঠি মেয়েটা বাঙালি ভোগের খিচুড়ি কোনোদিনও খায়নি। দেখা যাক, যদি ভালো লাগে! দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুজনেই সোশিওলজি নিয়ে পিএইচডি করছে। অত্রির মনে একটু ভালো লাগা আছে, একটু সাহসী, একটু খেপি মেয়েটাকে নিয়ে।

Wednesday, July 8, 2026

ভোটের দাগ | মাখনলাল প্রধান

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩

নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ছোটগল্প
মাখনলাল প্রধান
 
ভোটের দাগ

"ব্যাপারটা সবার ক্ষেত্রে কিন্তু হচ্ছে না। তাই কেউই তেমন মাথা ঘামাচ্ছে না।‌ কিছুদিন পর দেখা গেল, দাগটা গভীর হয়ে ধীরে ধীরে চামড়ার ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। এক মাস পরে সেই আঙুল দিয়ে কেউ বই ধরতে পারছে না। কেমন ব্যথা ব্যথা করছে।"

 
ভোটের দিন বুথে নাম-টাম মিলিয়ে নেওয়ার পর আঙুল টেনে কালির দাগ দিয়ে দিল। আমাদের পাড়ার বয়স্ক মানুষ চিনা বিশ্বাস চেঁচিয়ে উঠল

Wednesday, June 17, 2026

জল শহিদ | অভীক মুখার্জী

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/ছোটগল্প/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | ছোটগল্প
অভীক মুখার্জী
 
জল শহিদ

"অনেক রাতে রতনের  ঘুমটা ভেঙে গেল তার ঘরের অ্যাসবেস্টসের চালে বৃষ্টির আওয়াজে। ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নেমেছে। যা বৃষ্টি হবার বাবা এই রাতেই হয়ে যা! দিনের বেলা না হলেই হল।"

 
একটু বেশি রাতে ফিরে অঘোরে ঘুমিয়ে পড়েছিল রতন। গত কয়েকদিন একটু বেশিই রাত হচ্ছে তার ফিরতে। স্বাভাবিক। মহালয়া থেকেই আজকাল লোকজন বেরিয়ে পড়ছে ঠাকুর দেখতে। লোক যত বেরোয় তত ভাল। রতনের ছোট্ট পান-সিগারেটের দোকানের ঠিক পেছনের পার্কে শহরের অন্যতম নামকরা বারোয়ারী

নাবিকের খোঁজে ~~~


Popular Top 9 (Last 7 days)