বাতায়ন/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/৭ম সংখ্যা/৯ই আষাঢ়, ১৪৩৩
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
প্রেয়সীর
ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-২
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
ধারাবাহিক-২
"জেনে রাখো, আমি যখন রেগে যাবো তখন তুমি আমায় অনেক অনেক আদর করবে কিন্তু? যত আদর করবে তত রাগ কমে যাবে, আমিও তোমায় ভালবাসব…"
-আচ্ছা আচ্ছা, থাক থাক, অত ব্যাখ্যার দরকার নেই। আমিও যাচাই করেই তবে...
-বিয়ের আগে তো অনেক যাচাই করেছিলে। ভুলে গেলে?
-তাতে রাজি তো হয়েছিলে।
-হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম ঠিক করে নেব।
-কী ঠিক করবে?
-কী মোটা করে দিতে চাও?
-কীভাবে?
-আমি কিন্তু রেগে যাই খুব।
-তাতে আমার কী?
-উরিঃ বাবারে ছাড়ো, ছাড়ো, তুমি কি রাক্ষসী?
আমি মানে মানে কেটে পড়ি। দরজার কাছে চলেও গেছি। পিছন থেকে প্রেয়সী কোমরে প্যান্টের মধ্যে আঙুল ঢূকিয়ে এক টান মারল আমায়, দরজায় ছিটকিনি তুলে দিল অন্য হাতের আঙুল দিয়ে।
-কোথায় চললে আমাকে রাগিয়ে দিয়ে? জল শুকিয়ে গেল?
প্রেয়সী উত্তেজিত। বিবসনা। আমাকে আঁকড়ে ধরেছে। চোখ মুদিত। আমার সদ্য বিয়ে করা বউ ও। ওর রাগ আমার প্রাপ্তি! আমি ওকে জড়িয়ে চুমু খেতেই থাকলাম ও কিছুটা গুনে ক্ষান্ত হলো কারণ সেই মুহূর্তে আর তা সম্ভব ছিল না। প্রেয়সী নিজেকে উজার করে আমার হল, আমিও।
ঘন্টাখানেক কাটার পর ও আমাকে সার্টিফিকেট দিল,
আমি ওকে আদর করে নালিশ জানালাম,
বলেই আমার থেকেও আরো আরো বেশি বেশি করে, ভাল করে, আমার ঠোঁটে গালে ও চুমু খাওয়া শুরু করে দিল। গুনিনি কারণ আমি চোখ বুজেই ছিলাম। তবে আরও একঘণ্টা লেগেছিল তা শেষ হতে, এটা আমি ভালই অনুমান করেছিলাম।
ক্রমশ

No comments:
Post a Comment