প্রাপ্তমনস্কদের পত্রিকা ~ ~ ~ নাম নয় মানই বিবেচ্য

নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | রাজদণ্ড

বাতায়ন/ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা / সম্পাদকীয় /৪র্থ বর্ষ/ ৬ষ্ঠ সংখ্যা/ ২রা আষাঢ় , ১৪৩৩ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | সম্পাদকীয়   রাজদণ্ড "অগণিত ছাপো...

Showing posts with label হলদে খাম. Show all posts
Showing posts with label হলদে খাম. Show all posts

Wednesday, June 17, 2026

ঋতুরাজকে সুজিত | সুজিত চক্রবর্তী

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/হলদে খাম/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | হলদে খাম
সুজিত চক্রবর্তী
 
ঋতুরাজকে সুজিত

"আজকালকার দিনে বই বিক্রি হয় না আগের মতন এ তথ্য সবার জানা। শোনা যায় তার মধ্যে পাঠকরা কিছুটা পছন্দ করেন থ্রিলার বা সাসপেন্স স্টোরি পড়তে।"

 
প্রিয় ঋতুরাজ,
 
আমার মতন তোরও ছোট থেকেই লেখার অভ্যেস ছিল। হয়তো এই কারণেই স্কুলে পড়ার সময়ে আমাদের বন্ধুত্বটা তুলনায় একটু বেশি গাঢ় ছিল। তারপরে কেটে গেছে অনেক বছর। সবাইকে যে যার মতো

প্রিয় কবিকে অজানা বসন্ত | মানালী হোড়

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/হলদে খাম/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | হলদে খাম
মানালী হোড়
 
প্রিয় কবিকে অজানা বসন্ত

"জানো কবি এখন আর কোন প্রেমিক তার প্রেমিকাকে "অনন্ত প্রেম'' পাঠ করে শোনায় না। কিন্তু আমার শৈশব যে তোমাকে ঘিরেই ছিল।"

 
প্রিয় কবি,
জানি না কেমন আছ, হয়তো ভালই আছ। তুমি সমাজকে ভাল রাখার জন্য বহু কাজ করেছ। কিন্তু সবই আজ কেমন ফিকে হয়ে গেছে। হয়তো কেউ ভাল নেই। জানি না কেন, তবে অনেক প্রশ্ন আছে আমার মনে। তুমি হয়তো

Tuesday, May 5, 2026

আবিরকে তটিনী | পাপড়ি চ্যাটার্জি

বাতায়ন/আতঙ্ক/হলদে খাম/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | হলদে খাম
পাপড়ি চ্যাটার্জি
 
আবিরকে তটিনী

"আমি তার নাগাল পাইনি কোনোকালেই। তাই আগের চিঠিগুলিতে করা আপনার যাবতীয় সহৃদয় দাবিগুলো অনেক ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পূর্ণ করতে পারিনি এযাবৎ। এর জন্য লজ্জাবোধ যে একবারেই নেই তা অবশ্য ভাববেন না যেন।"

 
আবির,
 
মধ্যযাম অতিক্রান্ত হয়নি এখনো। বোধকরি, রাতের অনেকখানিই বাকি। লিখতে বসলাম আপনাকে। চারদিকের এই রাত্রিকালীন নৈঃশব্দ্য আমায় আমার অন্তরের কাছে অবশেষে মনোযোগী হতে সাহায্য করে

Sunday, March 8, 2026

বাতায়নকে মীনা | মীনা রায় বন্দ্যোপাধ্যায়

বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/হলদে খাম/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | হলদে খাম
মীনা রায় বন্দ্যোপাধ্যায়
 
বাতায়নকে মীনা

"এই দ্যাখ্ পাটিসাপটা বানিয়েছি খাবি তো! বুঝলামহৃদয়ের অনুভূতি- প্রেম-প্রীতি-ভালবাসা-ঘৃণাভুল-বোঝাবুঝি এগুলো ক্ষণিকের অতিথি না হলে বাঁচাটাই সঙ্কট।"

 
প্রিয় বাতায়ন বন্ধু,
 
ক্ষণস্থায়ী জীবন। পদ্ম-পাতায় নীর বিন্দুর মতোই আপন জীবনচক্রে সবাই ক্ষণিকের অতিথি। অতিথি দেব ভব’- জানি। ক্ষুরধার যাপন পথে প্রতি পদক্ষেপেই সাবধানতা। মানুষের জীবনের

মিতাকে প্রভাত | পারমিতা চ্যাটার্জি

বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/হলদে খাম/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | হলদে খাম
পারমিতা চ্যাটার্জি
 
মিতাকে প্রভাত

"জানি তোমার কোন দোষ নেই শুধু একরাশ অভিমানী মুখ নিয়ে বসে থাক। কিন্তু আমি কী করব বলআমাকে তো সবদিক বজায় রেখে চলতে হয়। তুমি বলবে এখুনি আমার কথা তোমার না ভাবলেও চলবে!"

 
প্রিয় মিতা,
 
তোমার কাছে যাব ভাবছি অনেকদিন ধরে কিন্তু এত বৃষ্টি যে কিছুতেই যাওয়া হচ্ছে না। রাগ কোর-না প্লিজ।
ভালবাসা সবসময় বুকেই থাকে তবু

Friday, February 6, 2026

সোনালিকে অদিতি | অদিতি চ্যাটার্জি

বাতায়ন/তূয়া নূর সংখ্যা/হলদে খাম/৩য় বর্ষ/৪০তম সংখ্যা/২৪শে মাঘ, ১৪৩২
তূয়া নূর সংখ্যা | হলদে খাম
অদিতি চ্যাটার্জি
 
সোনালিকে অদিতি

"আর বাংলাদেশে ফিরে যাননি। একাত্তর সালের পরেও না। কিন্তু মিতা হকসানজিদা খাতুন সবার গান শুনতেনলেখা পড়তেন আমাদের বাড়িতে দাদুর মধ্যে একটা বাংলাদেশ বেঁচেছিল।"

 
প্রিয় সোনালি,
 
আমাদের পরিচয় সমাজমাধ্যমে, তোমার লেখার মধ্যে দিয়ে তোমার চিন্তার জগত, তোমার তোলা তোমার দেশের ছবি ওই লাইক, কমেন্টস, শেয়ারের বাইরে তোমার সাথে আরো একটু কথা বলতে

Thursday, January 1, 2026

অবন্তীকে অদিতি | অদিতি চ্যাটার্জি

বাতায়ন/নবান্ন/হলদে খাম/৩য় বর্ষ/৩৬তম সংখ্যা/১৬ই পৌষ, ১৪৩২
নবান্ন | হলদে খাম
অদিতি চ্যাটার্জি
 
অবন্তীকে অদিতি

"দ্যাখ চিঠি লিখতে লিখতে আকাশের রং গোলাপি হয়ে গেলবুঝলি একবার বারুইপাড়াতে যেতে হবে শীতের কুয়াশা মাখা ভোরে ফুলকপির গায়ে জমে থাকা শিশিরের ফোঁটা আর জেঠির সেই দুধপুলিটা আবারও খেতে ইচ্ছে করছে।"

 
প্রিয় অবন্তী,
 
আজ ফোন করতে ইচ্ছা করল না মনে হল কাগজ-কলমটা নিয়ে একটা চিঠি লিখি, হেমন্তের পড়ন্ত দুপুরটা বড় মায়াবী, আর তুই তো জানিস

Monday, September 15, 2025

কুমাতা কদাপি নয় | ইন্দ্রাণী তুলি

বাতায়ন/শারদ/হলদে খাম/৩য় বর্ষ/২তম সংখ্যা/১লা আশ্বিন, ১৪৩২
শারদ | হলদে খাম
ইন্দ্রাণী তুলি
 
কুমাতা কদাপি নয়

"তোমার একমাত্র মেয়ের জন্মদিনও তুমি কখন পালন করনিশুধু অনেক অনেক বই কিনে দিতেতার জন্যে অবশ্য উপলক্ষ্য দরকার হতো না। তোমার হাত ধরেই বাংলা সাহিত্যকে ভালবাসতে শিখেছিলাম।"


মা গো
[শারদ-নবমীর রাত]
 

দুহাজার কিলোমিটার দূরে বসে, রাত তিনটের সময়ে খবর পেলাম তুমি আর নেই। সেই থেকে জেগে আছি মা, চোখের সামনে বায়োস্কোপের পর্দায় কতরকমের ছবি যে দৌড়ে চলেছে। ছোটবেলাটা সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। জ্ঞানত তোমার আদরে বাহুল্য দেখিনি, কঠিন শাসনে ঘেরা ছিল আমার মেয়েবেলা। এখন বুঝতে পারি, মেয়ে মানুষ করে তোলা চাট্টিখানি কথা নয় আর আমি তো ছিলাম ভয়ংকর দুষ্টু।

Saturday, September 13, 2025

প্রবাসে পুজোর সাজে | বন্দনা সেনগুপ্ত

বাতায়ন/শারদ/হলদে খাম/৩য় বর্ষ/২তম সংখ্যা/১লা আশ্বিন, ১৪৩২
শারদ | হলদে খাম
বন্দনা সেনগুপ্ত
 
প্রবাসে পুজোর সাজে

"অনেক অনেক ভালবাসা পাঠালাম। এত্ত এত্ত চুমু পাঠালামরোজ একটু করে খরচ কোরো। চুমু দিয়ে অবশ্য কোন কাজ করা যায় না। তাই তোমার অ্যাকাউন্টে টাকাও পাঠিয়ে রেখেছি। যা দরকার তুলে খরচ কোরো।"


প্রিয়তমাসু কলি,

প্রথমেই তোমাকে অনেক অনেক ভালবাসা জানাই। মা ও বাপিকে আমার প্রণাম জানিও। আমার আদরের ফুলকলি শিউলি ভাল আছে নিশ্চয়ই। যতদিনে তুমি এই চিঠি পাবে, ততদিনে বোধহয় ওর স্কুলে পুজোর ছুটি পড়ে যাবে। আর, আমার শালাবাবু অনি কবে কলেজ-হোস্টেল থেকে ফিরবে? গত বার ও জয়ন্তী বলে একটি মেয়ের কথা বলেছিল। ব্যাপারটা কোন দিকে এগোচ্ছে জেনো এবং আমাকে জানিও। আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছি।

Thursday, August 28, 2025

মুনিয়াকে বিজিত | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী


 

বাতায়ন/মাসিক/যুগলবন্দি/৩য় বর্ষ/১৯তম সংখ্যা/১৩ই ভাদ্র, ১৪৩২
যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী
অজয় দেবনাথ
 
মুনিয়াকে বিজিত

"মনে আছে সেদিন দোতলা বাস থেকে নেমে হাঁটতে-হাঁটতে প্রিন্সেপ ঘাট… তারপর নৌকাবিহার… গঙ্গার বুকে নৌকায় ভাসতে-ভাসতে… ভাসতে-ভাসতে কোথায় যে ভেসে গেলাম…"


"এখন বলছ চলে যেতে কিন্তু তখন গুরুত্ব দাওনি যে একটা মেয়ের বাড়িতে একটা বয়স পর্যন্ত তাকে রাখা যায়। এখনকার ছেলেমেয়েদের কথা আলাদা তারা বিয়েই করতে চায় না"



মুনিয়া,
 

প্রিয় সখী আমার— এত তাড়াতাড়ি তোমার চিঠি পেয়ে খুবই যে ভাল লেগেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না, তার ওপরে চিঠির ভিতরে যেন থরে-থরে ঐশ্বর্যরাশি। আচ্ছা মুনিয়া, এত রত্ন তুমি পাও কী করে! সত্যিই আমি ভাগ্যবান।

Saturday, August 9, 2025

মুনিয়াকে বিজিত | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী


 

বাতায়ন/যুগলবন্দি/৩য় বর্ষ/১তম/মণিজিঞ্জির সান্যাল সংখ্যা/২৩শে শ্রাবণ, ১৪৩২
মণিজিঞ্জির সান্যাল সংখ্যা | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী
অজয় দেবনাথ

 
মুনিয়াকে বিজিত

"স্বপ্নের স্বর্গ থেকে বাস্তবের খটখটে মাটিতে। ওর জীবনে আর কিছুই করা হল না। মেয়েটি জাস্ট ক্ষমার অযোগ্য, বর্ণ-ক্রিমিনাল বললেও কম বলা হয়।"


"সেদিন তোমাকে নিজের হাতে খাইয়ে দিয়েছিলাম। কী যে ভালবেসেছিলাম তোমাকে তার হিসেব করা যাবে না। লোকে বলে জীবনের প্রথম প্রেম ভোলা যায় না।"




মুনিয়া,
 

হাসালে মুনিয়া, সত্যিই হাসালে তুমি। তোমার কী মনে হয়, ভালবাসা শুধুই শরীর নির্ভর! সেখানে মনের কোনও ভুমিকাই নেই! আশ্চর্য! হ্যাঁ, শরীরের ভুমিকা নিশ্চয়ই আছে তবে মন-বিনা প্রেম নয়। তবে আর বারবধূর সঙ্গে তফাৎ কোথায়!

Thursday, August 7, 2025

প্রিয় বন্ধুর প্রতি | উলন পাল রকি

বাতায়ন/হলদে খাম/৩য় বর্ষ/১তম/মণিজিঞ্জির সান্যাল সংখ্যা/২৩শে শ্রাবণ, ১৪৩২
মণিজিঞ্জির সান্যাল সংখ্যা | হলদে খাম
উলন পাল রকি
 
প্রিয় বন্ধুর প্রতি

"তুমি যেন আমারই মনের কথা লিখে ফেলেছ। আমরা যারা লিখতে ভালবাসিতাদের হৃদয়ে শব্দেরা শুধু কথা বলে নাতারা বাঁচেতারা কাঁদেতারা হাসে।"


কলম ধরলাম এক বিকেলের নরম আলোয় বসে। জানালার পাশ দিয়ে ছুটে চলেছে হালকা হাওয়া, যেন কোন পুরনো দিনের স্মৃতিকে সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছে। এই নিস্তরঙ্গ দুপুরে হঠাৎই তোমার কথা মনে পড়ল, আর ভেবে দেখলাম— তোমার সঙ্গে কিছু না বললে যেন এই বিকেলটা অসম্পূর্ণই থেকে যাবে।

 

Saturday, July 26, 2025

মুনিয়াকে চিরসখা | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী


 

বাতায়ন/ডিভোর্স/যুগলবন্দি/৩য় বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৯ই শ্রাবণ, ১৪৩২
ডিভোর্স | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী
অজয় দেবনাথ
 
মুনিয়াকে চিরসখা

"সুখে থাকার নমুনা তুমি অনেকদিন আগেই দিয়েছ, যেদিন তোমাকে আবার ছিঁড়েখুঁড়ে রক্তাক্ত করতে বলেছিলে। আদর্শ দম্পতি বটে! এই জন্যে তুমি প্রতীক্ষার সহ্যসীমা লঙ্ঘন করলে, শুধু এই জন্যে! হায় রে, সাগরেও জলের আকাল!"


"হ্যাঁ চলে যেতেই পারি তবে আমি কি সেই বিজিতকে পাবো যাকে ফেলে এসেছিলাম। তা হয়তো পাবো কিন্তু তুমি কী সেই পর্ণাকে পাবেসেই চঞ্চল টকেটিভ তন্বী পর্ণা। না পাবে না। এটা আমি হলফ করে বলতে পারি।"


মুনিয়া,
 

আচ্ছা, মুনিয়া পাখিকে কখনও পোষ মানাতে দেখেছ? বোধহয় কেউ পারেনি। দানা ছড়িয়ে রাখো, উড়ে আসবে, দানা খাবে আবার উড়ে চলে যাবে। এটাই পাখির ধর্ম। তার জন্য আছে মস্ত আকাশ— ক্ষুদ্র, তুচ্ছ দাঁড়ের পরোয়া করতে তার বয়েই গেছে। নইলে তোমার মেয়ের নাম বর্না রেখেই মহান ব্রতপালন করতে না! এ যেন কোমায় বাঁচিয়ে রাখা, অনেকটা জিন্দা লাশ।

ওগো শুনছো | বন্দনা সেনগুপ্ত

বাতায়ন/ডিভোর্স/হলদে খাম/৩য় বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৯ই শ্রাবণ, ১৪৩২
ডিভোর্স | হলদে খাম
বন্দনা সেনগুপ্ত
 
ওগো শুনছো

"এই মেল শভিনিষ্টিক সমাজে যাতে আমার অপমান হয়সেই জন্যএকটা মেয়ে যখন তার বরকে রিজেক্ট করে বাতিল করে দেয়তখন সমাজে তার কী অবস্থা হয়তার কি কোন ধারণা আছে তোমার?"



ওগো শুনছো!
 

ভাল আছ তো? তোমার মনে আছে তো আমাকে? নাকি জীবন থেকে বাদ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মন থেকেও মুছে ফেলেছ?
কত দশক হয়ে গেল “ওগো শুনছো” বলে ডাকিনি। “কোথায় গেলে গো” বলে হাঁক দিইনি! অথচ, বেঁচে আছি। কী আশ্চর্য, তাই না!

Monday, May 19, 2025

পর্ণাকে চিরসখা | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী




 
বাতায়ন/দহন/যুগলবন্দি/৩য় বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২
দহন | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী
অজয় দেবনাথ
 
পর্ণাকে চিরসখা

"ব্রতপালনের মতো শুধুই জীবনধারণ। বেশ আধুনিক জীবন বটে! যাবে না খবর, শুধু অসুস্থতা নয় মৃত্যুর খবরও যাবে না। যোগাযোগ না রাখলেই ল্যাঠা চুকে যায়।"


"কলেজ ইউনিয়নের তোমার পাশাপাশি কী যেন নাম মেয়েটার পাপিয়া না পাপড়ি সে যখন তোমার পাশাপাশি মিছিলে হাঁটত তোমাকে জলখাবার এগিয়ে দিতসবসময় বিজিতদা বিজিতদা বিজিতদা।"


পর্ণা,
 

তোমার দেরি দেখে ভেবেছিলাম এটাই বুঝি জীবন, এই-ই বুঝি মানুষের ধর্ম! বুঝি-বা এবার সত্যি-সত্যিই মুক্তি নিলে! আমার মতো ক্যাবলা ভ্যাগাবন্ডকে এ জগতে কার আর প্রয়োজন বলো? নইলে কে আর এভাবে জীবন কাটায়!

দহন | অলক চক্রবর্তী

বাতায়ন/দহন/হলদে খাম/৩য় বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২
দহন | হলদে খাম
অলক চক্রবর্তী
 
দহন


"তুমি তো জানো কবেই আমার গান বন্ধ হয়ে গেছে। সুর আসে না। জীবনটা আমার ধু-ধু মরুভূমি হয়ে গেল। শুধু তোমার সঙ্গ লাভের সোনালি সময়টুকু ছাড়া।"



প্রিয়তমা দামিনী আমার,
 

নদীর ওপার থেকে মাঝে মাঝেই চিঠি পোড়ার গন্ধ পাচ্ছি। একেক চিঠি পোড়ার গন্ধ এক-একরকম। তুমি চিঠিগুলো না পোড়ালে বুঝতেই পারতাম না; প্রতিটি চিঠি বৈশিষ্ট্যে অনন্য। প্রতিটি চিঠি স্বাদে-গন্ধে-অনুভূতিতে অতুলনীয়। স্বতন্ত্র। তাই এক-এক জ্বলন্ত চিঠি থেকে এক-একরকমের গন্ধ বাতাসে মেশে। বাতাস সযতনে আমার ঘ্রাণেন্দ্রিয়ে পৌঁছে দিয়ে অপেক্ষা করে আমার কী প্রত্যুত্তর আছে তোমাকে দেবার। বাতাস কী বেআক্কেলে বলো। আমি বাতাসকে জানাবো কেন—আমার দহন জ্বালা।

Friday, April 11, 2025

মুনিয়াকে চিরসখা | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী


 

বাতায়ন/ঝড়/যুগলবন্দি/য় বর্ষ/ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩
ঝড় | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী
অজয় দেবনাথ

মুনিয়াকে চিরসখা

"আমিও একটা গ্রুপে জয়েন করলাম। রঙ্গনার কাছে রিহার্সাল হতো। যে-কথা বলার জন্য এত কথা— গ্রুপে সুচরিতা নামে একটা মেয়ে ছিল, মেয়ে না বউ। ফর্সা, ছিপছিপে, বড়ো বড়ো চোখ, ফটোক্রোমাটিক ব্রাউনিশ চশমা, বেশ দেখতে।"


"তোমার লিড রোল ছিল। তখন খুব ভয় পেতাম তোমাকে সিনিয়র হিসেবে। আমার রোলটা এলেবেলে ছিল। দৃষ্টি আকর্ষণ করার মতো নয়। তোমার সে কী দাপুটে ভয়েস আর দক্ষ অভিনয় ক্ষমতা!"


পর্ণা,

আজ একটা অন্য প্রসঙ্গ দিয়ে শুরু করব ভাবছি। তুমি সেদিন কবিদের কথা বলছিলে, আমি কবিতার কিছু বুঝি না। কখনো-সখনো লাইনের শেষে মিল রেখে বা না রেখে কিছু লিখেছি বটে তবে সেগুলোকে কবিতা না বলাই ভালো। বরং রাজনৈতিক কিছু একটা বললেও বলতে পার। বুঝতেই পারছি তুমি এখনও যথেষ্ট চর্চার মধ্যেই আছ, তাই তোমাকেই 

কেকাকে বাবুই | অজয় দেবনাথ ও কেয়া নন্দী


 

বাতায়ন/ঝড়/যুগলবন্দি/য় বর্ষ/ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩
ঝড় | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও কেয়া নন্দী
অজয় দেবনাথ

কেকাকে বাবুই

"উজ্জয়িনী… কালিদাসের যুগ… তিরতির করে গোড়ালি-ভেজানো শিপ্রা নদী… এখানে-ওখানে পেখম মেলে ময়ূর নাচছে… তাদের কেকাধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে দিগন্ত। মন হারিয়ে যায়।"


"আলতো বোজা চোখে দূর থেকে ভেসে আসা কোনো এক অচিন পাখির শিসধ্বনিতে হৃদয় যখন মগ্ন ঠিক তখনই করাঘাত। হাতে পেলাম একটি খাম— দেখি এ যে আরেক পাখির ডাক!"


কেকা,

রক্তকরবীতে নন্দিনীর ভূমিকায় তোমার অভিনয় ভোলার নয়। তোমার গানের কথা তো বলাই বাহুল্য। যেন কোকিলকণ্ঠী আহা! অন্তরের অন্তঃস্থলে যেন গুণগুণ করে। কিন্তু তোমার যে এত ভালো লেখার হাত জানতাম না। অক্লেশে স্বীকার করি আমি রীতিমতো তোমার ফ্যান হয়ে গেছি।

জীবনানন্দের চিঠি | সুশীল বসাক

বাতায়ন/ঝড়/হলদে খাম/য় বর্ষ/ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩
ঝড় | হলদে খাম
সুশীল বসাক

জীবনানন্দের চিঠি

"প্রাণে সুরের পরশ লাগে—সে পরশ নিতান্তই ভোলার নয়। 'মুডেররচনার ভেতরে এই সুরের পরশ থাকে বলেই 'সেরেনিটিনাও থাকতে পারে। কিন্তু তাই বলে সে সৃষ্টি সুন্দর ও স্থায়ী হতে পারে না তা মনে হয় না।"


১৯২৭ সালে 'ঝরা পালক' কাব্যগ্রন্থটি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রবীন্দ্রনাথকে পড়তে পাঠিয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। বইটি পড়ে কবিকে একটি চিঠি লেখেন রবীন্দ্রনাথ। বিশ্বকবির লেখা সেই চিঠির প্রত্যুত্তরে এই নিম্নোক্ত চিঠিটি লেখেন কবি জীবনানন্দ

শ্রীচরণেষু,

আপনার স্নেহাশিস লাভ করে অন্তর পরিপূর্ণ হয়ে গিয়েছে। আজকালকার বাংলাদেশের নবীণ লেখকদের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য এই যে, তারা তাদের মাথার উপরে স্পষ্ট সূর্যালোকের মতো আধুনিক পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মনীষীকে পেয়েছে। এত বড় দানের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে হলে যতখানি গভীর নিষ্ঠার দরকার তা দেবতা পূজারীকে দিতে কখনও কুন্ঠিত হননি। কিন্তু দানকে ধারণ করতে হলে যে শক্তির প্রয়োজন তার কিঞ্চিৎ অভাব অনুভব করছি। অক্ষম হলেও শক্তির পূজা করা এবং শক্তির আশীর্বাদ ভিক্ষা করা দুই-ই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সাধনা। আর আমার জীবনের তুচ্ছ সেই আরাধ্য শক্তির সাথে কল্যাণময়ের শক্তির উৎসের যোগাযোগ রক্ষা করাই আমার জীবনের লক্ষ্য। আশা করি এর থেকে আমি বঞ্চিত হব না

তটিনীকে আবির | অজয় দেবনাথ ও পাপড়ি চ্যাটার্জি



বাতায়ন/ঝড়/যুগলবন্দি/য় বর্ষ/ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩
ঝড় | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও পাপড়ি চ্যাটার্জি
অজয় দেবনাথ
 
তটিনীকে আবির

"আমার মরণ এলে তোমার পবিত্র তটেই আমাকে আশ্রয় দিও, শেষ আশ্রয়। তটিনী… আমার তটিনী… দিও কিন্তু…"


"আমার পড়ন্ত যৌবনে। গোধূলিবেলার এই আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দিতে পারলাম না আমিও।"


"তখন সব পিঠোপিঠি ভাইবোন, বড়োজোর এক-দেড় বছরের ছোটোবড়ো। কী জানি বাবা! তুমি কি আমাকে সেই যুগে নিয়ে যেতে চাও!"

 
স্রোতস্বিনী,
 

তোমাকে চিনি আমি অনেকদিন… আলাপ হলো সেদিন, মনে হয় বুঝি জন্মান্তরের চেনা। যেমন তুমিও চিনতে আমায়। ভাগ্যিস ঠিকানাটা দেওয়া-নেওয়া হয়েছিল নইলে মনের কথাগুলো মনেই থেকে যেত।

খাবারের সন্ধানে ~~~


Popular Top 10 (Last 7 days)