প্রাপ্তমনস্কদের পত্রিকা ~ ~ ~ নাম নয় মানই বিবেচ্য

নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | রাজদণ্ড

বাতায়ন/ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা / সম্পাদকীয় /৪র্থ বর্ষ/ ৬ষ্ঠ সংখ্যা/ ২রা আষাঢ় , ১৪৩৩ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | সম্পাদকীয়   রাজদণ্ড "অগণিত ছাপো...

Showing posts with label নাটক. Show all posts
Showing posts with label নাটক. Show all posts

Sunday, April 26, 2026

আতঙ্ক | মোহাম্মদ বিন এমদাদ

বাতায়ন/আতঙ্ক/নাটক/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | নাটিকা
মোহাম্মদ বিন এমদাদ
 
আতঙ্ক

"ঠিক সেই মুহূর্তে বিদ্যুৎ চলে এল। কলিং বেলের আওয়াজ থেমে গেছে। বাইরে একদম নিস্তব্ধ। আরিফ দরজার কাছে গিয়ে কাঁপা হাতে লক খুলল। কিন্তু করিডোরে কেউ নেই।"

 
দৃশ্য: ১
 
[রাত ১১টা। মধ্যবিত্ত ড্রয়িংরুম। আরিফ ল্যাপটপে কাজ করছে। শায়লা পাশে ব

Wednesday, April 8, 2026

পান্তা-ইলিশের বাইরে | মোহাম্মদ বিন এমদাদ

বাতায়ন/চৈতি হাওয়া—নববর্ষ/নাটক/৪র্থ বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | নাটক
মোহাম্মদ বিন এমদাদ
 
পান্তা-ইলিশের বাইরে

"ঠিক বলেছিস তপু। আজ মেলা থেকে তাড়াতাড়ি ফিরে আসব। আব্বাআজ আমরা ঘরের রান্না করা খাবারই খাব। পান্তা-ইলিশের চেয়ে এই শান্তি অনেক বেশি।"

 
চরিত্র:
১. জাকির: অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক।
২. রনি: জাকির সাহেবের ছেলে, কর্পোরেট চাকরিজীবী।
৩. তপু: জাকির সাহেবের নাতি।
 
দৃশ্য: ১

Monday, September 15, 2025

ঈশ্বরের দরবারে | উলন পাল রকি

বাতায়ন/শারদ/নাটক/৩য় বর্ষ/২২তম সংখ্যা/১লা আশ্বিন, ১৪৩২
শারদ | নাটক
উলন পাল রকি
 

ঈশ্বরের দরবারে

Friday, August 2, 2024

নাটক | ঈশ্বরের মতো দেখতে | সিদ্ধার্থ সিংহ

বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/শিল্প-সংস্কৃতি/২য় বর্ষ/৯ম/অমিতাভ গুপ্ত সংখ্যা/১৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১

অমিতাভ গুপ্ত সংখ্যা | শিল্প-সংস্কৃতি | নাটক

সিদ্ধার্থ সিংহ

ঈশ্বরের মতো দেখতে


"ব্রহ্মার আদেশে তিন জনই সঙ্গে সঙ্গে শুরু করে দিল কাজ। তপন তার রৌদ্র ছড়িয়ে দিল সবার উপরেপবন বইতে লাগল ফুরফুর করে আর বরুণ কলকল ধ্বনি তুলে ঢেকে দিল পৃথিবীর প্রায় তিন ভাগ জায়গা। প্রথম প্রথম সব কিছু ঠিকই ছিল। কিন্তু..."


চরিত্র (ভাষ্য, ব্রহ্মা, সবুজ, চার-পা, দু-পা, তপন, পবন, বরুণ)
 
মঞ্চে লাল নীল সবুজ আলোর কারিকুরি শুরু হবে। তাতে অস্পষ্ট বোঝা যাবে পাথরের মূর্তির মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এক দিকে গাছের ডালপাতার পোশাক পরা সবুজ। অন্য দিকে হামাগুড়ি দেওয়া চারপা, তার পাশেই টান টান হয়ে দাঁড়ানো দুপা। একটু দূরে তপন, পবন, বরুণ। একদম সামনের দিকে ব্রহ্মা। তারই মধ্যে শোনা যাবে

Saturday, July 6, 2024

কাব্যনাট্য | সে, তুমি আর আমি | তন্ময় কবিরাজ

বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/শিল্প-সংস্কৃতি/২য় বর্ষ/৬ষ্ঠ/যশোধরা রায়চৌধুরী সংখ্যা/২১শে আষাঢ়, ১৪৩১

যশোধরা রায়চৌধুরী সংখ্যা | শিল্প-সংস্কৃতি | কাব্যনাট্য

তন্ময় কবিরাজ

সে, তুমি আর আমি

 

"সে এসেছে তোর বাড়ি
        দ্বন্দ্ব যখন কাড়াকাড়ি।
        শান্ত মনে থাকলে পরে
        চিনবে মানুষ নিজের করে।"


                
        (১)
 
সে:     ওরা কারা যারা এলো, চলে গেল?
আমি:   খবর রাখিনি
        তারাও বলেনি।
        তারা আসবে
        কথা রাখবে।

Wednesday, June 12, 2024

হাপিত্যেশ | শিল্প-সংস্কৃতি | নাটক | রহস্যময়ী | রানা জামান

বাতায়ন/হাপিত্যেশ/শিল্প-সংস্কৃতি/২য় বর্ষ/৫ম সংখ্যা/৩২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১

হাপিত্যেশ | শিল্প-সংস্কৃতি | নাটক

রানা জামান

রহস্যময়ী


দৃশ্য- ১
 
একটি উপজেলা শহর। বিয়েবাড়ি। বাড়িটা রাস্তার পাশে এবং টিনের চৌচালা একটা ঘর। রাত। আলো ঝলমল। আলো-আঁধার অবস্থায় বাসরঘর। ফুলশয্যায় নববধূ সিমি লম্বা ঘোমটায় বসে থাকবে। সাজ্জাদ টোপর হাতে দরজা থেকে ফুলশয্যার দিকে এগিয়ে যাবে। বেডের পাশের টেবিলের ওপর টোপরটা রেখে নববধূর দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসবে। তারপর একবার ঢোক গিলে টেবিলের ওপর রাখা পুরো গ্লাস পানি পান করে ফুলশয্যায় উঠে নববধূর মুখোমুখি বসবে। নববধূর ঘোমটায় হাত দেবার সাথে সাথে আলো নিভে যাবে। নববধূর ওপর সাজ্জাদ ঝুঁকে থেকে ঘূর্ণায়মান ফ্যানটার দিকে তাকিয়ে ভ্রূ কুঁচকে অতীত মনে করবে।

Saturday, May 4, 2024

তুমি আকাশ হয়ে এসো | নাটক | চন্দ্রাবলী বন্দ্যোপাধ্যায়

বাতায়ন/শিল্প-সংস্কৃতি/২য় বর্ষ/সৈয়দ হাসমত জালাল সংখ্যা/২১শে বৈশাখ, ১৪৩১

শিল্প-সংস্কৃতি | নাটক

চন্দ্রাবলী বন্দ্যোপাধ্যায়

তুমি আকাশ হয়ে এসো


[চরিত্র - অম্বরিশ, সংযুক্তা]
 
অম্বরিশ: তোমরা অনেক জায়গায় ঘুরতে গেছ পুরো ফ্যমিলি নিয়ে। আমরা কোথাও যাইনি।
সংযুক্তা: যাওনি কেন? গেলেই পারতে!
অম্বরিশ: আমার বাড়ির লোক আমাকে সেভাবে কখনও সঙ্গই দেয়নি। অনেকবার বলেছি। কিন্তু...

Thursday, April 4, 2024

পূর্বরাগ | নাটক | ঝরা বকুলের ঘ্রাণ | অজয় দেবনাথ

বাতায়ন/পূর্বরাগ/নাটক/শিল্প-সংস্কৃতি/১ম বর্ষ/৩২তম সংখ্যা/২৩শে চৈত্র, ১৪৩০

পূর্বরাগ | নাটক | শিল্প-সংস্কৃতি

অজয় দেবনাথ

ঝরা বকুলের ঘ্রাণ

[সত্যাশ্রয়ী ঘটনার ছায়ায়, কল্পনার রঙে রচিত এই নাটকের সমস্ত চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সঙ্গে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই আকস্মিক ও অনিচ্ছাকৃত।]

[চরিত্র: বকুল, ক্যামেলিয়া, রাধা]

রাধা:            সুপ্রভাত বকুল-দা।

বকুল:           সুপ্রভাত সুপ্রভাত, বলুন রাধা, কেমন আছেন?

রাধা:            ভালো। আপনার গল্পটা পড়লাম। খুব ভালো লাগল।

বকুল:           কোন গল্পটা?

রাধা:            ওই যে ‘একটি প্রেমের গল্প’।

বকুল:           ওঃ ধন্যবাদ। ওসব অনেকদিনের কথা

রাধা:            আপনি এত ভালো গল্প লেখেন বলেননি তো আগে।

বকুল:           এতে বলবার কী আছে?

রাধা:            বা রে! এখন সবাই নিজের ঢাক নিজে পেটায়।

বকুল:           যে পেটায় পেটাক, আমার অত সময় নেই।

রাধা:            বাব্বা এত ব্যস্ত!

বকুল:           হুমম ব্যস্ততা আছে বইকি। কেন আপনি ব্যস্ত নন?

শিল্প-সংস্কৃতি | নাটক | অন্তিম | কৃপাণ মৈত্র

বাতায়ন/শিল্প-সংস্কৃতি/১ম বর্ষ/৩২তম সংখ্যা/২৩শে চৈত্র, ১৪৩০

শিল্প-সংস্কৃতি | নাটক

কৃপাণ মৈত্র

অন্তিম

[চরিত্রঃ- বিজ্ঞানী- (বয়স- ৬০), রিপোর্টার - (যুবক), রমলা -বিজ্ঞানীর স্ত্রী। (রুগ্ন শীর্ণ চোখের কোলে কালি। বয়স- ৫৫)]

[চেয়ারে উপবিষ্ট এক বিজ্ঞানী। টেবিলের উপর একটি ফানেল এবং বুনসেন বার্নার। বিজ্ঞানী ফানেলের নীল জলের দিকে তাকিয়ে আছেন এবং পরীক্ষা করছেন। তিনি একটি যৌগ ফানেলে ঢাললেন। ধোঁয়া উঠল। (পাশের একটি পাত্রে পটাশের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে ধোঁয়া তৈরি করা যেতে পারে।) বিজ্ঞানী চেয়ার ছেড়ে উঠে নাচতে নাচতে চিৎকার করেন]


বিজ্ঞানী:      এটলাস্ট এট লাস্ট, আই হ্যাভ ওয়ান। আই এম দা ডিটারমিনেটর অফ দিস ওয়ার্ল্ড।              আমি আমিই এই পৃথিবীর নিয়ন্তা। আই হ্যাভ ডান দিস। আমিই পৃথিবীর স্রষ্টা।                    আমিই বিনাশক। আমি ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর। পৃথিবী জরাগ্রস্ত, ব‍্যাধিগ্ৰস্ত। অসুস্থদের                  বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই এই পৃথিবীতে। পৃথিবীরও নেই। এই পৃথিবী                      বীরত্বের, পৌরুষের।  হিরোইজম ইজ লস্ট।  আমি ধ্বংস করব এই পৃথিবীকে।                    আমি বাতাসে বিষ ছড়িয়ে দেবো। ছটফট করতে করতে সমস্ত প্রাণীকুল মৃত্যুর                    কোলে ঢলে পড়বে। গাছের পাতা হলুদ হয়ে যাবে। জল কালো হয়ে যাবে। পানের                অনুপযুক্ত হবে। শ্বাসে মৃত্যু। পানে মৃত্যু। এমনকি পৃথিবীর অভ্যন্তরের জল শুকিয়ে               যাবে। আকাশে মেঘ থাকবে না, সব শুকিয়ে পাথর হয়ে যাবে। মানুষ মানুষের মাংস               খাবে। কেঁচো, সাপ, ইঁদুর বাঁদর পর্যন্ত বাদ যাবে না।  হা হা হা হা। আই উইল                  ডেসট্রয় দিস ওয়ার্ল্ড। আমি সব ধ্বংস করে দেবো। ও গড আই উইল ডিফিট ইউ।               আমি তোমাকে হারিয়ে দেবো। ইউ উইল লুজ গ্ৰেটনেস। মানুষ তোমাকে নয়,                      আমাকে পুজো করবে। হা হা হা আই এম দা ক্রিয়েটর অ্যান্ড ডেস্ট্রয়র।                          (কলিংবেলের শব্দ) হু? কে, কে? প্লিজ কাম। আই উইল শো ইউ মাই ভিক্টরি। মাই               নিউ ইনভেনশন অফ কিলিং দিস ওয়ার্ল্ড।

Saturday, February 10, 2024

সমন্বয় | মৌসুমী সাহা | নাটক

 

বাতায়ন/শিল্প-সংস্কৃতি/১ম বর্ষ/২৯তম সংখ্যা/২৬শে মাঘ, ১৪৩০

শিল্প-সংস্কৃতি | নাটক
মৌসুমী সাহা

সমন্বয়

[চরিত্রঃ অমিত, মুখার্জীদা, মেঘা, ঘোষক।]


[প্রেক্ষাপট: জীবনের রঙ্গমঞ্চ বড়ই বিচিত্র। বৈচিত্র্যে ভরপুর তার প্রতিটি বাঁক, প্রতিটি মোড়। চর্মচক্ষু বা তাৎক্ষণিক দৃশ্যপট যে চালচিত্রের রচনা করে, সবসময়ে তা ধ্রুবসত্য বা চরম সত্য অনুভব, নাও হতে পারে। চাই একজন সমন্বয়কের। তেমনই চিরাচরিত বিতর্কিত সমস্যার প্রেক্ষাপটে শ্রুতিনাটক সমন্বয়।]

Saturday, November 11, 2023

নাটক | নিরুদ্দেশ | অজয় দেবনাথ

বাতায়ন/শিল্প-সংস্কৃতি/১ম বর্ষ/২৪তম সংখ্যা/২৪শে কার্তিক, ১৪৩০

শিল্প-সংস্কৃতি | নাটক
অজয় দেবনাথ

প্রেমেন্দ্র মিত্রের কাহিনি ‘নিরুদ্দেশ’ অবলম্বনে নাটক

নিরুদ্দেশ

নাট্যরূপ: অজয় দেবনাথ

চরিত্রলিপি: লেখক, সোমেশ, বাবা, মা, ছেলে, ১ম জন (খবরের কাগজের অফিসে), ২য় জন (খবরের কাগজের অফিসে), শোভন, জমিদার (শোভনের বাবা), শোভনের মা, নায়েব, খাজাঞ্চি, জমিদারবাড়ির কর্মচারী।

[অভিজাত সম্পন্ন বাড়ির বৈঠকখানা। ঘরে একটি জানালা দেখা যাচ্ছে। শীতকালীন বৃষ্টির দুপুর, মাঝেমধ্যেই বৃষ্টি পড়ছে, মেঘ ডাকছে, বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। মঞ্চে লেখক অস্থিরভাবে পায়চারি করছেন।]


লেখক:           অসহ্য! আকাশের অবস্থা দেখে কে বলবে এখন শীতকাল! বৃষ্টিটাও ঠিক মতো হচ্ছে না, আবার ছেড়েও যাচ্ছে না। উষ্ণায়ণের প্রভাবমানুষ প্রকৃতির খেয়াল রাখবে না তো প্রকৃতির বয়েই গেছে মানুষের মন-মর্জির পরোয়া করতে।

Saturday, August 26, 2023

নাটক | ওগো মনোরমা | রঞ্জনা ভঞ্জ

বাতায়ন/শিল্প-সংস্কৃতি/১ম বর্ষ/১৭তম সংখ্যা/৮ই ভাদ্র, ১৪৩০

শিল্প-সংস্কৃতি
নাটক
রঞ্জনা ভঞ্জ

ওগো মনোরমা

[আবহ চলবে সকাল বেলার। বুড়ো ফোকলা, মনমরা হয়ে ঘরে ঢোকে।]

বুড়িঃ    কী হল? অত শখ করে এই সাত-সকালবেলা বাইরে গেলে ঘুরতে— এসে থেকে মুখ ভার কেন?
বুড়োঃ   চুপ করো তো!
বুড়িঃ    কেন চুপ করব? কখন থেকে এক কথা জিজ্ঞেস করছি, উওর দিতে পারছ না?
বুড়োঃ   মনটা খারাপ।
বুড়িঃ    কী হলটা কী?
বুড়োঃ   মনোরমার সঙ্গে দেখা হল— কী সুন্দর লাগছে তাকে!
বুড়িঃ    মনোরমা কে?

Saturday, July 1, 2023

নাটক | সঞ্চারণ । মৌসুমী সাহা

বাতায়ন/শিল্প-সংস্কৃতি/১ম বর্ষ/১২তম সংখ্যা/১৫ই আষাঢ়, ১৪৩০

শিল্প-সংস্কৃতি [কাব্যনাটিকা]
মৌসুমী সাহা

সঞ্চারণ


শাশুড়ি:  শূন্যতা নেমে আসা মনাকাশে হঠাৎই স্মৃতিবৃক্ষের স্মরণ।
বৈকুণ্ঠের নির্মল থানে নিজের সমাধি গড়ি বরং।
        শেষের কবিতার শেষ খণ্ডে লেখা থাকবে-
        আমার সংক্ষিপ্ত আত্মজীবনী।
        পেয়ে হারানো, হারিয়ে পাওয়ার হিসেব রাখে মনই।

Saturday, June 17, 2023

নাটক | রাজা অয়দিপাউস | মৌসুমী সাহা

বাতায়ন/শিল্প-সংস্কৃতি/কাব্যনাটিকা/১ম বর্ষ/১০ম সংখ্যা/১লা আষাঢ়, ১৪৩০

কাব্যনাটিকা (শিল্প-সংস্কৃতি)
মৌসুমী সাহা

রাজা অয়দিপাউস

প্রাচীন গ্রিসের একটি রাজ্যে ইডিপাস বা অয়দিপাউস খুবই মহানুভব রাজা ছিলেন। সবসময় তিনি প্রজাদের কল্যাণের কথা ভাবতেন এবং প্রজাদের কল্যাণের জন্য কাজ করতেন। তথাপি তাঁর রাজ্যে দুর্ভিক্ষ-খরা-বন্যা লেগেই ছিল। সব দেখেশুনে রাজা অয়দিপাউস তার রাজ্যের সব পণ্ডিতকে ডেকে সমাধানের পথ জানতে চাইলেন। পণ্ডিতেরা পাঁজিপুথি দেখে অয়দিপাউসকে জানালেন, তার একটি ভয়ানক পাপের জন্য রাজ্যে বিধাতার এত অভিশাপ। অথচ রাজা জ্ঞানত কোনো পাপ করেননি, তবে কী ছিল সেই রহস্য? তা' উদ্‌ঘাটনের জন্য সাক্ষিসাবুদ হাজির করে অবশেষে জানা গেল আসল সত্য।

Monday, May 15, 2023

নাটক | অমৃত | অমৃতা মজুমদার

বাতায়ন/নাট্য সাহিত্য/১ম বর্ষ/৫ম সংখ্যা/১৫ই মে, ২০২৩

নাটক
অমৃতা মজুমদার
 
অমৃত

 
[পাঠক এটিকে নাট্য সাহিত্যের হিসেবে বিচার না করে একটি নাট্য মুহূর্ত হিসেবেই বিচার করবেন।]
 
[চরিত্র: শ্রাবণী ও স্বপ্ননীল]
 
গড়িয়াহাটের একটি ক্যাফে থেকে বেরিয়ে দরজাটা খোলা অবস্থায় ধরেই রাখল স্বপ্ননীল। শ্রাবণী একটা তির্যক দৃষ্টিতে স্বপ্নকে দেখে হনহন করে হাঁটা লাগাল। স্বপ্নও দরজাটা সামান্য ঠেলে দিয়ে পিছু নিল, বলল—

Saturday, April 29, 2023

নাটক | স্পাই । মৈনাক সেনগুপ্ত

প্রথম বর্ষ/দ্বিতীয় সংখ্যা/১লা মে, ২০২৩


নাটক

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘পরিশেষ’ কাব্যগ্রন্থের ‘স্পাই’ কবিতাটির অনুসরণে

স্পাই

নাট্যরূপ — মৈনাক সেনগুপ্ত


চরিত্র — নবীন ও রাজেন

[একটা ঘরের মধ্যে অনেক মানুষ এক সঙ্গে কথা বললে যেমন একটা অস্পষ্ট অথচ জোরালো আওয়াজ তৈরি হয় সেই রকম একটা শব্দ]
 
নবীন না, না, রাজেনদা মোটেই কাজের কথা নয়
রাজেনতুমি খামোখা ব্যস্ত হচ্ছ নবীন, আমার তেমন কিছু হয়নি
নবীন তেমন কিছু হয়নি! টানা পাঁচ-পাঁচটা সপ্তাহ অসুখে ভুগলেনচেহারাটার কী দশা হয়েছে একটিবার আয়নায় দেখেছেন?

খাবারের সন্ধানে ~~~


Popular Top 10 (Last 7 days)