প্রাপ্তমনস্কদের পত্রিকা ~ ~ ~ নাম নয় মানই বিবেচ্য

শারদীয়া | সম্পাদকীয়

বাতায়ন/শারদীয়া/ সম্পাদকীয় /৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র , ১৪৩৩ শারদীয়া সম্পাদকীয়   ফকিরের চাল বাঙালির দুর্গা সার্বজনীন , চিরকালীন । ...

Showing posts with label রম্যরচনা. Show all posts
Showing posts with label রম্যরচনা. Show all posts

Friday, September 18, 2026

গৃহ শিক্ষকতা এবং জলযোগের মুখরোচক গল্প | সুকান্ত ঘোষ

বাতায়ন/শারদীয়া/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
রম্যরচনা
সুকান্ত ঘোষ
গৃহ শিক্ষকতা এবং জলযোগের মুখরোচক গল্প

অন্ধকারে কি তোমার ভয় করছিল? বিল্টু বলল, "না স্যার, অন্ধকারে আপনি যদি আমার বিস্কুট খেয়ে নেন, তাই খাটের তলায় ঢুকে গিয়েছিলাম। আপনার হাত তো খাটের তলায় যেতে পারবে না!"

 
শিক্ষকতা এক প্রাচীন বৃত্তি, যুগের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে তা বৃত্তিতে পরিণত হয়েছে। শুনলে হয়তো অবাক হবেন যে শিক্ষকতার অনেক আগে এসেছে গৃহশিক্ষকতা। সভ্যতার ঊষাপর্বে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল না

বউয়ের সাবস্টিটিউট | তাপসকিরণ রায়

বাতায়ন/শারদীয়া/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
রম্যরচনা
তাপসকিরণ রায়
বউয়ের সাবস্টিটিউট

একটি অমলিন চুমুর প্রত্যাশায় সে তার ঠোঁট বাড়িয়ে দিল। না, কোন আপত্তি নেই ঝুমার। অমল এবার সাহস সঞ্চয় করে সত্যি একটা মিষ্টি চুমু কেটে বসল ঝুমার নরম ঠোঁটে।

 
রাত তখন পৌনে দশটা। ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দ যেন অমলের বুকের ভেতর কামারের হাতুড়ি পেটার মতো বাজছে। বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে সে প্রায় আধঘণ্টা ধরে চোরের মতো ছটফল করছে

প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে | ধারাবাহিক-৬ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/শারদীয়া/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-৬

খুব বাজে ছিল ছেলেটা। অসভ্য। আমার গায়ে দু-একবার হাত দিয়েও দিয়েছিল। আমি পালিয়ে এসেছিলাম। ওসব জেনে তোমার কী লাভ? খুব চালাক না? কায়দা করে মেয়েদের গোপন খবর জানা?

 
নাম যে কে রেখেছিল তা জানতে পারলে খুব ভাল হত। প্রেয়সী! আহা একেবারে প্রানের আয়েশ

প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে | ধারাবাহিক-৭ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/শারদীয়া/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/১৬তম সংখ্যা/০৮ই আশ্বিণ, ১৪৩৩
শারদীয়া
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-৭

"আমাকে আদর খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়ে প্রেয়সী সাররাত খেলেছে। তপা একজন বড় খেলোয়াড়! আমি ঢ্যামনা এটা ধরতেই পারলাম না? প্রেয়সী আমাকে একেবারে শুইয়ে দিল?"

 
বউকে বোঝানো শিবেরও অসাধ্য আমি তো কোন ছাড়! বিশ্বাস হচ্ছে না? সদ্য বিয়ে করা বউকে একবার বুঝিয়ে দেখুন। অবশ্য আপনার ইচ্ছেই হবে না। তখন যে আপনি মাতাল! আমিও তৎসম!

প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে | ধারাবাহিক-৮ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/শারদীয়া/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/১৭তম সংখ্যা/১৫ই আশ্বিণ, ১৪৩৩
শারদীয়া
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-৮

"অনেক খোঁজ করে সবচাইতে কম দামে দুটি স্যুট কিনে নিলাম। ভাবলাম উজ্জ্বল আছে, কাপড় অরিজিনাল রেমন্ড নয়, নকল স্ট্যাম্প মারা, প্রেয়সীর বাপের অসাধ্যি এর সঠিক মূল্যায়নে।"

 
প্রেয়সীর যে কত রকমের ইচ্ছে, তা জানলে মাথায় চক্কর কাটে।
-আচ্ছা আমরা যদি কিছু দানধ্যান করি কেমন হয়?

প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে | ধারাবাহিক-৯ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/শারদীয়া/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/১৮তম সংখ্যা/২২শে আশ্বিণ, ১৪৩৩
শারদীয়া
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-৯

"বাড়িতে কর্তা না থাকলে পাড়ার প্রতিবেশী বন্ধুরা উপচে তখনই পড়বে যখন কিনা ওই বাড়িতে অবলা সুন্দরী নারী থাকবে। অবলাকে সবলা করার জন্য সব্বাই উঠে পড়ে লাগবেই, না হলে কী গুণ পুরুষ জাতের?"

 
এবার ঘুরতে হবে আমায়। প্রেয়সীর ধান্ধাবাজি ধরে ফেলেছি। মুখে খাতির করে। নিজের পেয়ারের লোককে খুশি করতে স্বামীকে পথে বসানোর ধান্ধা।

Saturday, August 15, 2026

প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে ধারাবাহিক-৫ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/নারী না পুরুষ/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-৫

"আমাকে একটু ঘন্টা খানেক ধরে আদর করো না! আমার খুব ইচ্ছে হয়েছে। আচ্ছা পুরুষ তো তুমি? তোমার কি বউকে ভাল লাগে না? আমি যে তোমায় এত ভালোবাসি!"

 
সারাদিন দুজনে দুদিকে মুখ করে শুয়ে রইলাম। দুপুর দুটো বাজতেই পেটের জ্বালা শুরু হল। বউ যা রাগী, বয়সে ছোটো হলে কী হবে ওকে আমি বাগে আনতে পারিনি। জেদ করে শুয়ে রইল

Wednesday, June 17, 2026

প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে ধারাবাহিক-১ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-১

"আমি ইতস্তত করে ঘরে ঢুকেই দরজায় খিল দিয়ে ঘরে আমার প্ল্যান করে মজুত রাখা এক বালতি জল খাটের তলায় দিলাম ঢেলে, আর যাবে কোথায় কোঁ কোঁ করে আওয়াজ তুলে ধুতি গুটিয়ে পোঁ পোঁ করে দরজার খিল তুলে পালাল আমার জামাইবাবু।"

 
আরে না না যা ভাবছেন তা নয় প্রেয়সী আমার লাইন মারা প্রেমিকা নয়, একেবারে ঘটক দিয়ে লাখ কথা খরচ করে আমার বাবা-জ্যাঠা আর ওর বাপ-কাকা মিলেমিশে শর্তানুযায়ী দেনাপাওনা মিটিয়ে

প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে ধারাবাহিক-২ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/৭ম সংখ্যা/৯ই আষাঢ়, ১৪৩৩
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-২

"জেনে রাখো, আমি যখন রেগে যাবো তখন তুমি আমায় অনেক অনেক আদর করবে কিন্তু? যত আদর করবে তত রাগ কমে যাবে, আমিও তোমায় ভালবাসব…"

 
ভেবেছিলেম এক হয়ে গেল আর এক। পুচকে আর রোগা এই মেয়েটাকে সহজে বশে আনা যায় এই ভেবে খুশি ছিলাম, বাস্তবে হয়ে গেল তার উলটো। ওই হল কর্তা আর আমি হয়ে গেলাম ভিজে বিড়াল। ওই আমাকে বশে

প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে ধারাবাহিক-৩ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/৮ম সংখ্যা/১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-৩

"এক দৌড়ে বিছানায় উঠে প্রেয়সীকে পিছন থেকে তুলে ধরে অনেক আদর করলাম তারপর গোটা দশেক চুমু খেয়েও নিলাম! পিঠে, গালে সপাং সপাং শব্দের আদর চড়িয়ে দিলাম।"

 
-না সম্ভব নয়, এরকম একগুঁয়ে বউকে নিয়ে ঘর করা যায় না।
-কী বললে? আমি একগুঁয়ে? বেশ তো কে বলেছিল আমার গলায় মালা দিয়ে ঘরে আনার? আমার কুমারীত্ব ফিরিয়ে দাও আমি তোমায় ত্যাগ করে চলে যাবো? আর যদি আগে আমি যেমন ছিলাম তেমন না করে দিতে পারো তাহলে

প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে ধারাবাহিক-৪ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/৯ম সংখ্যা/২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-৪

"লাল নাইটিটা দিয়ে ওর রোগাটে অথচ পুরো ভরাট শরীর ফুটে উঠেছে সেই অবস্থায় ও হেসে হেসে দুলছে আর বাজে বাজে কথা বলছে পাশের বাড়ির ছোটছেলে তপাইয়ের সাথে।"

 
প্রেয়সী এক ঝটকায় বেরিয়ে গেল ঘর থেকে। আমার আবার কী রকম যেন সন্দেহ হল। কথাবার্তা কেমন যেন। বেশ সন্দেহভাজন। ওকি তাহলে আমার কাছে সুখী নয়? ওই যে কীসব বলে গেল আমি নাকি নিস্তেজ

Sunday, April 26, 2026

আতঙ্ক যখন নিত্যসঙ্গী— একবিংশ শতাব্দীর ভয়-দর্পণ | জয় মণ্ডল

বাতায়ন/আতঙ্ক/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | রম্যরচনা
জয় মণ্ডল
 
আতঙ্ক যখন নিত্যসঙ্গী— একবিংশ শতাব্দীর ভয়-দর্পণ

"ভুল করে অফিসের বসের ছবিতে ‘লাভ’ রিঅ্যাক্ট পড়ে গেল—ব্যাস! সেই রাতে আর ঘুম নেই। মনে হয়, কাল গেলেই বস নির্ঘাত বলবেন, “বাবু, খুব যে ভালবাসা উথলে পড়ছে, তা প্রজেক্টের কাজটা কতদূর?”

 
আগেকার দিনে মানুষের আতঙ্ক ছিল বাঘ-ভালুক বা তেনাদের (যাঁদের নাম নিলে রাতে পপ

Wednesday, April 8, 2026

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ ধারাবাহিক রম্যঃ নয় | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/চৈতি হাওয়া—নববর্ষ/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
ধারাবাহিক রম্যঃ নয়

"তোমার বৌমা এখন পরকীয়া নিয়ে ব্যস্ত। বিয়ের অল্প পরিসরে যার লাইফ পার্টনার চেঞ্জ হয়ে যায়। বৌদির এখন বড় ডিমান্ড। সুবিধা অনেক ঝুঁকি কম।"

 
বাড়ি ফিরে মন খারাপ করে শুয়ে আছি। মাকে মিথ্যা বলেছি যে অফিসের মালিক মারা গেছে তাই অফিস ছুটি হয়ে গেছে। মা তাও জিজ্ঞাসা করেছে,
-সে না হোক হল। তা তোর মুখে-চোখে এমন অবস্থা কেন

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ ধারাবাহিক রম্যঃ দশ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
 
ধারাবাহিক রম্যঃ দশ

"আমি আর কালবিলম্ব না করে পড়িমরি করে ছুটে গিয়ে মিষ্টিকে ধরে ফেললাম। ও কাঁদছে। আমিও লাজলজ্জার মাথা খেয়ে ওকে আমার বুকে জাপটে ধরে নিলাম। ও দুহাত মুঠো করে আমার বুকে কিল মারল।"

 
সূর্য রোজ ওঠে। এক একদিন মনে হয় তার আলো বেশি উজ্জ্বল। আসলে এটাই আমাদের মনের ব্যাপার, যেমনটি আজ আমাদের হল। ঘুম ভেঙে দেখি মিষ্টি বিছানায় নেই।

Sunday, March 8, 2026

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ ধারাবাহিক রম্যঃ পাঁচ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৪৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
ধারাবাহিক রম্যঃ পাঁচ

"না অনেক হয়েছে। এবার উঠতে হবে। বাড়ি যাই। মিষ্টির জন্য মন ছটফট করছে যে। ওকে খুব আদর করতে ইচ্ছে হচ্ছে এখন। উঠে পড়লাম।"

 
অফিস থেকে বিকাল চারটের সময় বেরিয়ে পড়েছি। এবার বাড়ির আশেপাশের রাস্তায় ঘুরপাক খাব। দেখি না কীসব ঘটনা ঘটে। রতনের চায়ের দোকানের ভিতরে গিয়ে বসে, চা বললাম যাতে আমি পুরো রাস্তাটা

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ ধারাবাহিক রম্যঃ ছয় | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৪৫তম সংখ্যা/২৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
ধারাবাহিক রম্যঃ ছয়

"আমিও পরের বৌকে লাইন মারব। নিজে বিয়ে না করেও চুটিয়ে ফুর্তি করব অথচ কোন রিস্ক নেই। বাচ্চা এলে বউদি স্বামীর নামে চালিয়ে দেবে। তুই পারবি না কিন্তু।"

 
চপ-মুড়ি খেতে খেতেই গল্প করছিলাম। বেশ মজায় ছিলাম। হঠাৎই মিষ্টির মোবাইল বেজে উঠল। মিষ্টি মোবাইল তুলে,
-হ্যাঁ মা বল,
বলতে বলতে বারান্দার দিকে এগিয়ে গেল। মনটা খারাপ হয়ে গেল। ছিলাম গল্পে মশগুল

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ ধারাবাহিক রম্যঃ সাত | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৪৬তম সংখ্যা/৬ই চৈত্র, ১৪৩২
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
ধারাবাহিক রম্যঃ সাত

"আমায় ও কতবার বলেছে আমায় ছাড়া ও থাকতে পারে না। আমার জন্য ও প্রাণও দিয়ে দিতে পারবে। একবার মিষ্টির সাথে কথা বলতে মন চাইছে। আমার সোনা, মোবাইল টিপে দিলাম, মোবাইল বেজে গেল। ও বোধহয় টয়লেটে গ্যাছে।"

 
মিষ্টিকে আদর করে অফিস বের হলাম। রাস্তায় বাদশার সাথে দেখা। উহ্‌ বাপ্ কী ফাটাফাটি ড্রেস মেরেছে। ঝিকঝাক করছে। আমি একেবারে অবাক চোখে ওকে দেখছি। বাদশা দাঁত কেলিয়ে দিল,
-কী রে কী দেখছিস?

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ ধারাবাহিক রম্যঃ আট | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৪৭তম সংখ্যা/১৩ই চৈত্র, ১৪৩২
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
ধারাবাহিক রম্যঃ আট

"মুখে চোখে ওড়না ঢেকে একটা মেয়ে মাঠে প্রবেশ করেই সোজা বাদশার হাত ধরে নিয়ে অনেক কথা বলতে বলতে মাঠের জঙ্গল পেরিয়ে আরও গহনে হারিয়ে গেল।"

 
অফিসে যাওয়ার নামে বেরোতে যাওয়ার সময় মিষ্টি এসে গায়ের মধ্যে ঢলে ওর সোহাগ-আদর আমাকে উপহার দিল। আমিও ওকে ধরে আদর খেয়ে নিলাম। প্রেম নিবেদন চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে গেল

Friday, February 6, 2026

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ | ধারাবাহিক রম্যঃ এক | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/তূয়া নূর সংখ্যা/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৪০তম সংখ্যা/২৪শে মাঘ, ১৪৩২
তূয়া নূর সংখ্যা | রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
 
ধারাবাহিক রম্যঃ এক

"ইমা! তোমার প্যান্টের চেন খোলা কেন? তার মানে তুমি এখন একটা কচি মেয়ে নিয়ে পার্কে বসতে যাচ্ছ? তাই এত তাড়াতাড়ি? কী অসভ্য গো তুমি?"

 
নাম যে আমার দুষ্টু। 
যেন একেবারেই বোকা
একটু নাদুসনুদুস

শীতের সকাল ও লেপ-পুরাণ | জয় মণ্ডল

বাতায়ন/তূয়া নূর সংখ্যা/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৪০তম সংখ্যা/২৪শে মাঘ, ১৪৩২
তূয়া নূর সংখ্যা | রম্যরচনা
জয় মণ্ডল
 
শীতের সকাল ও লেপ-পুরাণ

"বাঙালির সবচেয়ে বড় শত্রু হলো ঘড়ির অ্যালার্ম। যখন সাতটার সময় ঘড়িটা চিৎকার শুরু করে, তখন লেপের ভেতর থেকে যে হাতটা বেরিয়ে ওটাকে বন্ধ করে, তার মধ্যে যে শৌর্য থাকে তা নেপোলিয়নেরও ছিল না।"

 
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ থাকলেও, আসল উৎসব কিন্তু শুরু হয় আলমারির ওপর থেকে সেই ধুলোমাখা লেপটা নামানোর দিন থেকে। বাঙালির কাছে শীতকাল মানে

নাবিকের খোঁজে ~~~


Popular Top 10 (Last 7 days)