প্রাপ্তমনস্কদের পত্রিকা ~ ~ ~ নাম নয় মানই বিবেচ্য

নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | রাজদণ্ড

বাতায়ন/ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা / সম্পাদকীয় /৪র্থ বর্ষ/ ৬ষ্ঠ সংখ্যা/ ২রা আষাঢ় , ১৪৩৩ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | সম্পাদকীয়   রাজদণ্ড "অগণিত ছাপো...

Showing posts with label রম্যরচনা. Show all posts
Showing posts with label রম্যরচনা. Show all posts

Wednesday, June 17, 2026

প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে ধারাবাহিক-১ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন সংখ্যা/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-১

"আমি ইতস্তত করে ঘরে ঢুকেই দরজায় খিল দিয়ে ঘরে আমার প্ল্যান করে মজুত রাখা এক বালতি জল খাটের তলায় দিলাম ঢেলে, আর যাবে কোথায় কোঁ কোঁ করে আওয়াজ তুলে ধুতি গুটিয়ে পোঁ পোঁ করে দরজার খিল তুলে পালাল আমার জামাইবাবু।"

 
আরে না না যা ভাবছেন তা নয় প্রেয়সী আমার লাইন মারা প্রেমিকা নয়, একেবারে ঘটক দিয়ে লাখ কথা খরচ করে আমার বাবা-জ্যাঠা আর ওর বাপ-কাকা মিলেমিশে শর্তানুযায়ী দেনাপাওনা মিটিয়ে

প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে ধারাবাহিক-২ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/৭ম সংখ্যা/৯ই আষাঢ়, ১৪৩৩
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-

"জেনে রাখো, আমি যখন রেগে যাবো তখন তুমি আমায় অনেক অনেক আদর করবে কিন্তু? যত আদর করবে তত রাগ কমে যাবে, আমিও তোমায় ভালবাসব…"

 
ভেবেছিলেম এক হয়ে গেল আর এক। পুচকে আর রোগা এই মেয়েটাকে সহজে বশে আনা যায় এই ভেবে খুশি ছিলাম, বাস্তবে হয়ে গেল তার উলটো। ওই হল কর্তা আর আমি হয়ে গেলাম ভিজে বিড়াল। ওই আমাকে বশে

প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে ধারাবাহিক-৩ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/৮ম সংখ্যা/১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-

"এক দৌড়ে বিছানায় উঠে প্রেয়সীকে পিছন থেকে তুলে ধরে অনেক আদর করলাম তারপর গোটা দশেক চুমু খেয়েও নিলাম! পিঠে, গালে সপাং সপাং শব্দের আদর চড়িয়ে দিলাম।"

 
-না সম্ভব নয়, এরকম একগুঁয়ে বউকে নিয়ে ঘর করা যায় না।
-কী বললে? আমি একগুঁয়ে? বেশ তো কে বলেছিল আমার গলায় মালা দিয়ে ঘরে আনার? আমার কুমারীত্ব ফিরিয়ে দাও আমি তোমায় ত্যাগ করে চলে যাবো? আর যদি আগে আমি যেমন ছিলাম তেমন না করে দিতে পারো তাহলে

প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে ধারাবাহিক-৪ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/৯ম সংখ্যা/২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
প্রেয়সীর ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-

"লাল নাইটিটা দিয়ে ওর রোগাটে অথচ পুরো ভরাট শরীর ফুটে উঠেছে সেই অবস্থায় ও হেসে হেসে দুলছে আর বাজে বাজে কথা বলছে পাশের বাড়ির ছোটছেলে তপাইয়ের সাথে।"

 
প্রেয়সী এক ঝটকায় বেরিয়ে গেল ঘর থেকে। আমার আবার কী রকম যেন সন্দেহ হল। কথাবার্তা কেমন যেন। বেশ সন্দেহভাজন। ওকি তাহলে আমার কাছে সুখী নয়? ওই যে কীসব বলে গেল আমি নাকি নিস্তেজ

Sunday, April 26, 2026

আতঙ্ক যখন নিত্যসঙ্গী— একবিংশ শতাব্দীর ভয়-দর্পণ | জয় মণ্ডল

বাতায়ন/আতঙ্ক/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | রম্যরচনা
জয় মণ্ডল
 
আতঙ্ক যখন নিত্যসঙ্গী একবিংশ শতাব্দীর ভয়-দর্পণ

"ভুল করে অফিসের বসের ছবিতে ‘লাভ’ রিঅ্যাক্ট পড়ে গেল—ব্যাস! সেই রাতে আর ঘুম নেই। মনে হয়কাল গেলেই বস নির্ঘাত বলবেন, “বাবুখুব যে ভালবাসা উথলে পড়ছেতা প্রজেক্টের কাজটা কতদূর?”

 
আগেকার দিনে মানুষের আতঙ্ক ছিল বাঘ-ভালুক বা তেনাদের (যাঁদের নাম নিলে রাতে পপ

Wednesday, April 8, 2026

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ ধারাবাহিক রম্যঃ নয় | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/চৈতি হাওয়া—নববর্ষ/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
ধারাবাহিক রম্যঃ নয়

"তোমার বৌমা এখন পরকীয়া নিয়ে ব্যস্ত। বিয়ের অল্প পরিসরে যার লাইফ পার্টনার চেঞ্জ হয়ে যায়। বৌদি এখন বড় ডিমান্ড। সুবিধা অনেক ঝুঁকি কম।"

 
বাড়ি ফিরে মন খারাপ করে শুয়ে আছি। মাকে মিথ্যা বলেছি যে অফিসের মালিক মারা গেছে তাই অফিস ছুটি হয়ে গেছে। মা তাও জিজ্ঞাসা করেছে,
-সে না হোক হল। তা তোর মুখে-চোখে এমন অবস্থা কেন

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ ধারাবাহিক রম্যঃ দশ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১১ই বৈশাখ, ১৪৩
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
 
ধারাবাহিক রম্যঃ দশ

"আমি আর কালবিলম্ব না করে পড়িমরি করে ছুটে গিয়ে মিষ্টিকে ধরে ফেললাম। ও কাঁদছে। আমিও লাজলজ্জার মাথা খেয়ে ওকে আমার বুকে জাপটে ধরে নিলাম। ও দুহাত মুঠো করে আমার বুকে কিল মারল।"

 
সূর্য রোজ ওঠে। এক একদিন মনে হয় তার আলো বেশি উজ্জ্বল। আসলে এটাই আমাদের মনের ব্যাপার, যেমনটি আজ আমাদের হল। ঘুম ভেঙে দেখি মিষ্টি বিছানায় নেই।

Sunday, March 8, 2026

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ ধারাবাহিক রম্যঃ পাঁচ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/ক্ষণিকের অতিথি/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২
ক্ষণিকের অতিথি | রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
ধারাবাহিক রম্যঃ পাঁচ

"না অনেক হয়েছে। এবার উঠতে হবে। বাড়ি যাই। মিষ্টির জন্য মন ছটফট করছে যে। ওকে খুব আদর করতে ইচ্ছে হচ্ছে এখন। উঠে পড়লাম।"

 
অফিস থেকে বিকাল চারটের সময় বেরিয়ে পড়েছি। এবার বাড়ির আশেপাশের রাস্তায় ঘুরপাক খাব। দেখি না কীসব ঘটনা ঘটে। রতনের চায়ের দোকানের ভিতরে গিয়ে বসে, চা বললাম যাতে আমি পুরো রাস্তাটা

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ ধারাবাহিক রম্যঃ ছয় | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/২৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
ধারাবাহিক রম্যঃ ছয়

"আমিও পরের বৌকে লাইন মারব। নিজে বিয়ে না করেও চুটিয়ে ফুর্তি করব অথচ কোন রিস্ক নেই। বাচ্চা এলে বউদি স্বামীর নামে চালিয়ে দেবে। তুই পারবি না কিন্তু।"

 
চপ-মুড়ি খেতে খেতেই গল্প করছিলাম। বেশ মজায় ছিলাম। হঠাৎই মিষ্টির মোবাইল বেজে উঠল। মিষ্টি মোবাইল তুলে,
-হ্যাঁ মা বল,
বলতে বলতে বারান্দার দিকে এগিয়ে গেল। মনটা খারাপ হয়ে গেল। ছিলাম গল্পে মশগুল

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ ধারাবাহিক রম্যঃ সাত | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/৬ই চৈত্র, ১৪৩২
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
ধারাবাহিক রম্যঃ সাত

"আমায় ও কতবার বলেছে আমায় ছাড়া ও থাকতে পারে না। আমার জন্য ও প্রাণও দিয়ে দিতে পারবে। একবার মিষ্টির সাথে কথা বলতে মন চাইছে। আমার সোনামোবাইল টিপে দিলামমোবাইল বেজে গেল। ও বোধহয় টয়লেটে গ্যাছে।"

 
মিষ্টিকে আদর করে অফিস বের হলাম। রাস্তায় বাদশার সাথে দেখা। উহ্‌ বাপ্ কী ফাটাফাটি ড্রেস মেরেছে। ঝিকঝাক করছে। আমি একেবারে অবাক চোখে ওকে দেখছি। বাদশা দাঁত কেলিয়ে দিল,
-কী রে কী দেখছিস?

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ ধারাবাহিক রম্যঃ আট | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/১৩ই চৈত্র, ১৪৩২
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
ধারাবাহিক রম্যঃ আট

"মুখে চোখে ওড়না ঢেকে একটা মেয়ে মাঠে প্রবেশ করেই সোজা বাদশার হাত ধরে নিয়ে অনেক কথা বলতে বলতে মাঠের জঙ্গল পেরিয়ে আরও গহনে হারিয়ে গেল।"

 
অফিসে যাওয়ার নামে বেরোতে যাওয়ার সময় মিষ্টি এসে গায়ের মধ্যে ঢলে ওর সোহাগ-আদর আমাকে উপহার দিল। আমিও ওকে ধরে আদর খেয়ে নিলাম। প্রেম নিবেদন চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে গেল

Friday, February 6, 2026

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ | ধারাবাহিক রম্যঃ এক | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/তূয়া নূর সংখ্যা/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৪০তম সংখ্যা/২৪শে মাঘ, ১৪৩২
তূয়া নূর সংখ্যা | রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
 
ধারাবাহিক রম্যঃ এক

"ইমা! তোমার প্যান্টের চেন খোলা কেনতার মানে তুমি এখন একটা কচি মেয়ে নিয়ে পার্কে বসতে যাচ্ছতাই এত তাড়াতাড়ি? কী অসভ্য গো তুমি?"

 
নাম যে আমার দুষ্টু। 
যেন একেবারেই বোকা
একটু নাদুসনুদুস

শীতের সকাল ও লেপ-পুরাণ | জয় মণ্ডল

বাতায়ন/তূয়া নূর সংখ্যা/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৪০তম সংখ্যা/২৪শে মাঘ, ১৪৩২
তূয়া নূর সংখ্যা | রম্যরচনা
জয় মণ্ডল
 
শীতের সকাল ও লেপ-পুরাণ

"বাঙালির সবচেয়ে বড় শত্রু হলো ঘড়ির অ্যালার্ম। যখন সাতটার সময় ঘড়িটা চিৎকার শুরু করেতখন লেপের ভেতর থেকে যে হাতটা বেরিয়ে ওটাকে বন্ধ করেতার মধ্যে যে শৌর্য থাকে তা নেপোলিয়নেরও ছিল না।"

 
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ থাকলেও, আসল উৎসব কিন্তু শুরু হয় আলমারির ওপর থেকে সেই ধুলোমাখা লেপটা নামানোর দিন থেকে। বাঙালির কাছে শীতকাল মানে

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ | ধারাবাহিক রম্যঃ দুই | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা সিরিজ/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/১লা ফাল্গুন, ১৪৩২
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
 
ধারাবাহিক রম্যঃ দুই

"এই দুপুরে মাঠে ও কী করছেদু-দুটো আইশক্রিম নিয়ে যাচ্ছে কেনওখানে আর কে আছেএই দুপুরেমাঠেওরা সব কী বলছিল যেনও কি তাহলে সত্যি পরকীয়ার ফাঁদে?"

 
মিষ্টির হাত থেকে রেহাই পেয়ে এক আকাশ আনন্দ নিয়ে ছুটে এলাম আমাদের পুরানো আড্ডায়। এখানে রোজ আড্ডা বসলেও রবিবার হল স্পেশাল ডে। যারা কাজ করে তারাও আসে আর অন্যরা তো আসেই এদিন। এসেই

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ | ধারাবাহিক রম্যঃ তিন | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা সিরিজ/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
 
ধারাবাহিক রম্যঃ তিন

"খাওয়াদাওয়া সেরে ও দরজায় ছিটকিনি লাগিয়ে তবে আমাকে নিয়ে বিছানায় উঠেছে। কী বুদ্ধিএকেই বলে ভদ্রতা আর বুদ্ধিমতীর কাজ। মাকে বাঁচিয়ে ও আমার সঙ্গে লেপ্টে আছে।"

 
দৌড়ে চলে এলাম বাড়ি। মন যে মিষ্টির জন্য ছটফট করছে। অনেকক্ষণ ওকে ফাঁকি মেরে নিজে ফুর্তি করেছি। বেচারি একা একা কী করছে কে জানে? সোজা গেটে ঢুকেই কলিংবেল টিপে দিলাম। লকলক করছি মিষ্টিকে এবার পাব

দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ | ধারাবাহিক রম্যঃ চার | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/রম্যরচনা সিরিজ/৩য় বর্ষ/৪তম সংখ্যা/১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
দুষ্টু বরের মিষ্টি বউ
ধারাবাহিক রম্যঃ চার

"হঠাৎ এরকম কেন করছে। বিয়ের পর কাঙ্ক্ষিত আসল কাজটি সেরে নেওয়াই যেখানে আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সেখানে এরকম কেন হালচাল ওরবেশ শুরু করেছিলাম।"


অফিস অফিস করে সদ্য বিবাহিত বউয়ের দিকে ধ্যান দেওয়া এক দুস্কর ব্যাপার হয়ে পড়েছে আমার পক্ষে। অথচ আমার একটি মাত্র ছোট্ট মিষ্টি বউ আমার অপেক্ষায় থেকে থেকে দুর্বল হয়ে পড়ছে। শুধু রাত্রিটুকুর আদরে

Thursday, January 1, 2026

রসের জুটি ধারাবাহিক রম্য— নয় | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/নবান্ন/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৩৬তম সংখ্যা/১৬ই পৌষ, ১৪৩২
নবান্ন | রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
রসের জুটি
ধারাবাহিক রম্য— নয়

"আমি একটা মারাত্মক ভুল করে ফেলেছিতোর বউমার তিনমাস বলে ফেলেছি। আমি বলতে চেয়েছিলাম তোর বউমার মা তিনমাসের গর্ভবতী"

 
আদর দেবরকে নিয়ে ছোটে মাসির বাড়ি। মাসিকে গিয়ে আদর অভিযোগ জানায়,
-এই দেখো মাসি তোমার উল্টোপাল্টা কথার জন্যে কী অবস্থা দাঁড়িয়েছে। আমার শ্বশুরবাড়ির সবাই

রসের জুটি ধারাবাহিক রম্য— দশ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/নবান্ন/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৩৬তম সংখ্যা/১৬ই পৌষ, ১৪৩২
নবান্ন | রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
রসের জুটি
ধারাবাহিক রম্য— দশ

"আমার ভুল হচ্ছিল। আদর ভুল ধরিয়ে দিল। আমি ব্যবসা বাড়িয়ে তুলব এবার। শাশুড়ি বউমাকে জড়িয়ে ধরল আনন্দে। হঠাৎই হ্যাবলা আদরকে টান মেরে ভিতরের ঘরে দৌড় দিল"

 
চাকদার হ্যাবলার শ্বশুরবাড়ি আত্মীয় সমাগমে ভরে গেছে। আদরের শাশুড়ি মা আর ছেলে হ্যাবলা এসেছে। তার আগেই এসে গেছে মাসি তার বোনপো ক্যাবলাকে নিয়েই। আদরের জন্যে অপেক্ষা করছে সবাই।

Tuesday, November 25, 2025

রসের জুটি | ধারাবাহিক— পাঁচ | প্রদীপ কুমার দে

বাতায়ন/তৈমুর খান সংখ্যা/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৩২তম সংখ্যা/১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২
তৈমুর খান সংখ্যা | রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
 
রসের জুটি
ধারাবাহিক পাঁচ

"বিস্তর ভাবনাচিন্তা চলে। শেষ নেই। কারণ মাত্র পাঁচদিন বিয়ে হলে তিন মাসের গর্ভ কী করে হয়এ কী করে মীমাংসা হবে?"

 
চাকদা থেকে মাসি ফোন লাগায় মাকে। দুইবোনের পিরিত চটকে যাওয়ার সামিল। দিদির কথায় তিনি চাকদায় তার সম্পর্কের এক কন্যার সঙ্গে তারই ভাইপোর বিয়ে

নন্ স্টপ শিবুদা | সঙ্ঘমিত্রা দাস

বাতায়ন/তৈমুর খান সংখ্যা/রম্যরচনা/৩য় বর্ষ/৩তম সংখ্যা/১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২
তৈমুর খান সংখ্যা | রম্যরচনা
সঙ্ঘমিত্রা দাস
 
নন্ স্টপ শিবুদা

"চারদিকে জল থইথই। নিম্নচাপের জের। লোকশূন্য পথ। মন্ডপে ঢাকি চেয়ারে পা তুলে নিদ্রামগ্ন। পুজো সেরে ঠাকুরমশাই বিশ্রাম নিচ্ছেন। মাইকে শিবুদা অবিচল।"

 
আমাদের পাড়ার শিবুদা। মাইক হাতে বড়ই অমাইক। মিষ্টি স্বরে একনাগাড়ে কথা চালিয়ে যেতে পারে। পাড়ার পুজোয়

খাবারের সন্ধানে ~~~


Popular Top 10 (Last 7 days)