বাতায়ন/রম্যরচনা/৪র্থ বর্ষ/৯ম সংখ্যা/২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
প্রেয়সীর
ইচ্ছে অনিচ্ছে
ধারাবাহিক-৪
রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
ধারাবাহিক-৪
"লাল নাইটিটা দিয়ে ওর রোগাটে অথচ পুরো ভরাট শরীর ফুটে উঠেছে সেই অবস্থায় ও হেসে হেসে দুলছে আর বাজে বাজে কথা বলছে পাশের বাড়ির ছোটছেলে তপাইয়ের সাথে।"
হ্যাঁ, যা ভাবা তাই। লাল নাইটিটা পরে ছাদের ধারে গিয়ে কার সঙ্গে হেসে হেসে কী ইঙ্গিত করছে, মনে হচ্ছে। কায়দা করে ছাদের এক কোণে চলে গেলাম চিলেকোঠা ঘরের দেওয়ালের আড়াল থেকে উঁকি মারা সহজ তাই আমি ওদের দুজনকেই দেখতে পাচ্ছি কিন্তু ওরা কিচ্ছুটি টের পাবে না।
ছিঃ ছিঃ প্রেয়সীর এ কী স্বভাব? লাল নাইটিটা দিয়ে ওর রোগাটে অথচ পুরো ভরাট শরীর ফুটে উঠেছে সেই অবস্থায় ও হেসে হেসে দুলছে আর বাজে বাজে কথা বলছে পাশের বাড়ির ছোটছেলে তপাইয়ের সাথে। ছেলেটা দেখতেও লাল্টুস আর পড়াশোনায় খুব ভাল। তাহলে কী হবে? স্বভাবের দোষ আছে। কিন্তু প্রেয়সীর এ কী হল? ঘরের বউ হয়ে এই কী?
ছিঃ ছিঃ বড় লজ্জার কথা। এ শোনা যায় না। আস্তে করে লজ্জা নিয়ে সরে এলাম। যা বোঝার বোঝা হয়ে গেল। তার মানে প্রেয়সী তপাইয়ের সঙ্গে লটরপটর করে। আমি নাকি বুড়ো। অথচ ও নিজই এক বাতিকগ্রস্থ মহিলা। আসলে তপাই আছে বলেই আমার প্রতি ওর এত অনিচ্ছা।
মন খারাপ করে শুয়ে রইলাম। আজ আর উঠবই না। দেড় ঘন্টা বাদে প্রেয়সী ফিরে এসেই এক লাফে আমার বুকের উপর এসে চড়াও হল,
-ছিঃ তুমি না বিবাহিত? ঘরের বউ?
-চুপ করো নোংরা!
-আমি নোংরা? আর তুমি যখন বাইরের মেয়েদের ঘুরেফিরে ঝারি মারো, দেখে লোভে জিভে জল এসে যায় তখন? তখন তো বাড়ি ফিরে সেই ঘরের নোংরা বউটাকেই দিয়ে সেই আশ মেটাও।
-বাহঃ কী কথা? তুমিও তাই?
এরপর আর মাথার ঠিক থাকে? আমি এক ঝটকায় ওকে সরিয়ে দিয়ে উঠে পড়লাম।
প্রেয়সী খুব রেগে গেল,
ক্রমশ

No comments:
Post a Comment