বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন
সংখ্যা/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | কবিতা
সীমান্ত পথিক
ধূসর
উপন্যাসের শেষ পাতা
ধূসর কোনো উপন্যাসের শেষ
পাতায়
তোমার মুখ ছিল—
শীতের কুয়াশায় ঢাকা কোনো নদীর মতো;
জোনাকির আলো আসে, আবার হারিয়ে যায়—
শেষ লাইনে আমি আটকে আছি সেই কাল থেকে।
আজও সন্ধ্যা নামলে দূরের মাঠে
আমার পাখিটা ডানা ভিজিয়ে ফিরে আসে;
আমি শুধু তোমাকে খুঁজি, পোড়া ঘাসের গন্ধে,
অথবা মৃত নক্ষত্রের নিচে পড়ে
থাকা
একটি ভুলে যাওয়া পথের ভিতর।
তোমার দেওয়া অপবাদগুলো
এখনো বাতাসে ভাসে—
গ্রামের পুরোনো বটগাছ যেমন
ঝড় এলে নিঃসঙ্গ শব্দ তোলে,
আমি নিজেকে খুঁজে পাই তাতে।
গোলাপেরা আর ফোটে না আজকাল;
তারা কেমন দাস হয়ে গেছে লোভী
সময়ের কাছে।
একটি ক্লান্ত জোনাকি বা দূরের কোনো ট্রেন চেপে
অন্ধকার কেটে চলে যায়—
যেন এক বিষণ্ণ হরিণ, অরণ্যের ভিতর দাগ কেটে যায়।
তবু কোনো এক ভোরে মহুরীর মতো
শান্ত নদীর ধারে
হয়তো আবার তোমার দেখা পাবো—
শিশিরভেজা ঘাসের ভিতর,
অথবা কুয়াশার গভীরে হারিয়ে
যাওয়া
একটি নামহীন পাখির ডাকে।
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | কবিতা
সীমান্ত পথিক
তোমার মুখ ছিল—
শীতের কুয়াশায় ঢাকা কোনো নদীর মতো;
শেষ লাইনে আমি আটকে আছি সেই কাল থেকে।
আমার পাখিটা ডানা ভিজিয়ে ফিরে আসে;
একটি ভুলে যাওয়া পথের ভিতর।
এখনো বাতাসে ভাসে—
গ্রামের পুরোনো বটগাছ যেমন
ঝড় এলে নিঃসঙ্গ শব্দ তোলে,
একটি ক্লান্ত জোনাকি বা দূরের কোনো ট্রেন চেপে
অন্ধকার কেটে চলে যায়—
যেন এক বিষণ্ণ হরিণ, অরণ্যের ভিতর দাগ কেটে যায়।
হয়তো আবার তোমার দেখা পাবো—
শিশিরভেজা ঘাসের ভিতর,
একটি নামহীন পাখির ডাকে।

No comments:
Post a Comment