প্রাপ্তমনস্কদের পত্রিকা ~ ~ ~ নাম নয় মানই বিবেচ্য

নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | রাজদণ্ড

বাতায়ন/ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা / সম্পাদকীয় /৪র্থ বর্ষ/ ৬ষ্ঠ সংখ্যা/ ২রা আষাঢ় , ১৪৩৩ নাসির ওয়াদেন সংখ্যা | সম্পাদকীয়   রাজদণ্ড "অগণিত ছাপো...

Showing posts with label যুগলবন্দি. Show all posts
Showing posts with label যুগলবন্দি. Show all posts

Thursday, August 28, 2025

মুনিয়াকে বিজিত | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী


 

বাতায়ন/মাসিক/যুগলবন্দি/৩য় বর্ষ/১৯তম সংখ্যা/১৩ই ভাদ্র, ১৪৩২
যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী
অজয় দেবনাথ
 
মুনিয়াকে বিজিত

"মনে আছে সেদিন দোতলা বাস থেকে নেমে হাঁটতে-হাঁটতে প্রিন্সেপ ঘাট… তারপর নৌকাবিহার… গঙ্গার বুকে নৌকায় ভাসতে-ভাসতে… ভাসতে-ভাসতে কোথায় যে ভেসে গেলাম…"


"এখন বলছ চলে যেতে কিন্তু তখন গুরুত্ব দাওনি যে একটা মেয়ের বাড়িতে একটা বয়স পর্যন্ত তাকে রাখা যায়। এখনকার ছেলেমেয়েদের কথা আলাদা তারা বিয়েই করতে চায় না"



মুনিয়া,
 

প্রিয় সখী আমার— এত তাড়াতাড়ি তোমার চিঠি পেয়ে খুবই যে ভাল লেগেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না, তার ওপরে চিঠির ভিতরে যেন থরে-থরে ঐশ্বর্যরাশি। আচ্ছা মুনিয়া, এত রত্ন তুমি পাও কী করে! সত্যিই আমি ভাগ্যবান।

Saturday, August 9, 2025

মুনিয়াকে বিজিত | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী


 

বাতায়ন/যুগলবন্দি/৩য় বর্ষ/১তম/মণিজিঞ্জির সান্যাল সংখ্যা/২৩শে শ্রাবণ, ১৪৩২
মণিজিঞ্জির সান্যাল সংখ্যা | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী
অজয় দেবনাথ

 
মুনিয়াকে বিজিত

"স্বপ্নের স্বর্গ থেকে বাস্তবের খটখটে মাটিতে। ওর জীবনে আর কিছুই করা হল না। মেয়েটি জাস্ট ক্ষমার অযোগ্য, বর্ণ-ক্রিমিনাল বললেও কম বলা হয়।"


"সেদিন তোমাকে নিজের হাতে খাইয়ে দিয়েছিলাম। কী যে ভালবেসেছিলাম তোমাকে তার হিসেব করা যাবে না। লোকে বলে জীবনের প্রথম প্রেম ভোলা যায় না।"




মুনিয়া,
 

হাসালে মুনিয়া, সত্যিই হাসালে তুমি। তোমার কী মনে হয়, ভালবাসা শুধুই শরীর নির্ভর! সেখানে মনের কোনও ভুমিকাই নেই! আশ্চর্য! হ্যাঁ, শরীরের ভুমিকা নিশ্চয়ই আছে তবে মন-বিনা প্রেম নয়। তবে আর বারবধূর সঙ্গে তফাৎ কোথায়!

Saturday, July 26, 2025

মুনিয়াকে চিরসখা | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী


 

বাতায়ন/ডিভোর্স/যুগলবন্দি/৩য় বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৯ই শ্রাবণ, ১৪৩২
ডিভোর্স | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী
অজয় দেবনাথ
 
মুনিয়াকে চিরসখা

"সুখে থাকার নমুনা তুমি অনেকদিন আগেই দিয়েছ, যেদিন তোমাকে আবার ছিঁড়েখুঁড়ে রক্তাক্ত করতে বলেছিলে। আদর্শ দম্পতি বটে! এই জন্যে তুমি প্রতীক্ষার সহ্যসীমা লঙ্ঘন করলে, শুধু এই জন্যে! হায় রে, সাগরেও জলের আকাল!"


"হ্যাঁ চলে যেতেই পারি তবে আমি কি সেই বিজিতকে পাবো যাকে ফেলে এসেছিলাম। তা হয়তো পাবো কিন্তু তুমি কী সেই পর্ণাকে পাবেসেই চঞ্চল টকেটিভ তন্বী পর্ণা। না পাবে না। এটা আমি হলফ করে বলতে পারি।"


মুনিয়া,
 

আচ্ছা, মুনিয়া পাখিকে কখনও পোষ মানাতে দেখেছ? বোধহয় কেউ পারেনি। দানা ছড়িয়ে রাখো, উড়ে আসবে, দানা খাবে আবার উড়ে চলে যাবে। এটাই পাখির ধর্ম। তার জন্য আছে মস্ত আকাশ— ক্ষুদ্র, তুচ্ছ দাঁড়ের পরোয়া করতে তার বয়েই গেছে। নইলে তোমার মেয়ের নাম বর্না রেখেই মহান ব্রতপালন করতে না! এ যেন কোমায় বাঁচিয়ে রাখা, অনেকটা জিন্দা লাশ।

Monday, May 19, 2025

পর্ণাকে চিরসখা | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী




 
বাতায়ন/দহন/যুগলবন্দি/৩য় বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২
দহন | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী
অজয় দেবনাথ
 
পর্ণাকে চিরসখা

"ব্রতপালনের মতো শুধুই জীবনধারণ। বেশ আধুনিক জীবন বটে! যাবে না খবর, শুধু অসুস্থতা নয় মৃত্যুর খবরও যাবে না। যোগাযোগ না রাখলেই ল্যাঠা চুকে যায়।"


"কলেজ ইউনিয়নের তোমার পাশাপাশি কী যেন নাম মেয়েটার পাপিয়া না পাপড়ি সে যখন তোমার পাশাপাশি মিছিলে হাঁটত তোমাকে জলখাবার এগিয়ে দিতসবসময় বিজিতদা বিজিতদা বিজিতদা।"


পর্ণা,
 

তোমার দেরি দেখে ভেবেছিলাম এটাই বুঝি জীবন, এই-ই বুঝি মানুষের ধর্ম! বুঝি-বা এবার সত্যি-সত্যিই মুক্তি নিলে! আমার মতো ক্যাবলা ভ্যাগাবন্ডকে এ জগতে কার আর প্রয়োজন বলো? নইলে কে আর এভাবে জীবন কাটায়!

Friday, April 11, 2025

মুনিয়াকে চিরসখা | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী


 

বাতায়ন/ঝড়/যুগলবন্দি/য় বর্ষ/ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩
ঝড় | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী
অজয় দেবনাথ

মুনিয়াকে চিরসখা

"আমিও একটা গ্রুপে জয়েন করলাম। রঙ্গনার কাছে রিহার্সাল হতো। যে-কথা বলার জন্য এত কথা— গ্রুপে সুচরিতা নামে একটা মেয়ে ছিল, মেয়ে না বউ। ফর্সা, ছিপছিপে, বড়ো বড়ো চোখ, ফটোক্রোমাটিক ব্রাউনিশ চশমা, বেশ দেখতে।"


"তোমার লিড রোল ছিল। তখন খুব ভয় পেতাম তোমাকে সিনিয়র হিসেবে। আমার রোলটা এলেবেলে ছিল। দৃষ্টি আকর্ষণ করার মতো নয়। তোমার সে কী দাপুটে ভয়েস আর দক্ষ অভিনয় ক্ষমতা!"


পর্ণা,

আজ একটা অন্য প্রসঙ্গ দিয়ে শুরু করব ভাবছি। তুমি সেদিন কবিদের কথা বলছিলে, আমি কবিতার কিছু বুঝি না। কখনো-সখনো লাইনের শেষে মিল রেখে বা না রেখে কিছু লিখেছি বটে তবে সেগুলোকে কবিতা না বলাই ভালো। বরং রাজনৈতিক কিছু একটা বললেও বলতে পার। বুঝতেই পারছি তুমি এখনও যথেষ্ট চর্চার মধ্যেই আছ, তাই তোমাকেই 

কেকাকে বাবুই | অজয় দেবনাথ ও কেয়া নন্দী


 

বাতায়ন/ঝড়/যুগলবন্দি/য় বর্ষ/ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩
ঝড় | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও কেয়া নন্দী
অজয় দেবনাথ

কেকাকে বাবুই

"উজ্জয়িনী… কালিদাসের যুগ… তিরতির করে গোড়ালি-ভেজানো শিপ্রা নদী… এখানে-ওখানে পেখম মেলে ময়ূর নাচছে… তাদের কেকাধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে দিগন্ত। মন হারিয়ে যায়।"


"আলতো বোজা চোখে দূর থেকে ভেসে আসা কোনো এক অচিন পাখির শিসধ্বনিতে হৃদয় যখন মগ্ন ঠিক তখনই করাঘাত। হাতে পেলাম একটি খাম— দেখি এ যে আরেক পাখির ডাক!"


কেকা,

রক্তকরবীতে নন্দিনীর ভূমিকায় তোমার অভিনয় ভোলার নয়। তোমার গানের কথা তো বলাই বাহুল্য। যেন কোকিলকণ্ঠী আহা! অন্তরের অন্তঃস্থলে যেন গুণগুণ করে। কিন্তু তোমার যে এত ভালো লেখার হাত জানতাম না। অক্লেশে স্বীকার করি আমি রীতিমতো তোমার ফ্যান হয়ে গেছি।

তটিনীকে আবির | অজয় দেবনাথ ও পাপড়ি চ্যাটার্জি



বাতায়ন/ঝড়/যুগলবন্দি/য় বর্ষ/ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩
ঝড় | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও পাপড়ি চ্যাটার্জি
অজয় দেবনাথ
 
তটিনীকে আবির

"আমার মরণ এলে তোমার পবিত্র তটেই আমাকে আশ্রয় দিও, শেষ আশ্রয়। তটিনী… আমার তটিনী… দিও কিন্তু…"


"আমার পড়ন্ত যৌবনে। গোধূলিবেলার এই আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দিতে পারলাম না আমিও।"


"তখন সব পিঠোপিঠি ভাইবোন, বড়োজোর এক-দেড় বছরের ছোটোবড়ো। কী জানি বাবা! তুমি কি আমাকে সেই যুগে নিয়ে যেতে চাও!"

 
স্রোতস্বিনী,
 

তোমাকে চিনি আমি অনেকদিন… আলাপ হলো সেদিন, মনে হয় বুঝি জন্মান্তরের চেনা। যেমন তুমিও চিনতে আমায়। ভাগ্যিস ঠিকানাটা দেওয়া-নেওয়া হয়েছিল নইলে মনের কথাগুলো মনেই থেকে যেত।

Friday, March 14, 2025

পর্ণাকে বিজীত | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী


 

বাতায়ন/রং/যুগলবন্দি/২য় বর্ষ/২তম সংখ্যা/২৯শে ফাল্গুন, ১৪৩১
রং | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী
অজয় দেবনাথ
 
পর্ণাকে বিজীত

"দোলে রং খেলো এখনও? রং খেলে ভূত সাজো? থুরি ভূত না পেত্নি। আমি আর ভূত সেজে রং খেলি না, কার সঙ্গে খেলব? আমার রাধিকা কবেই চলে গেছে আমাকে ছেড়ে। ইচ্ছা করে না আর।"

"কী সাংঘাতিক মন কেমন করা একটা ঋতু এই বসন্ত। তার ওপর তোমার চিঠি হাতে। এ তো শুধু হাতে লেখা কয়েকটা কথা নয় যেন তুমিও এসে বসেছ পাশের চেয়ারে।"
 
পর্ণা,
 
হঠাৎ আগাম চিঠি পেয়ে অবাক হলে? আমিও কম অবাক হইনি। আসলে তোমার শেষ চিঠিতে নতুন করে অবাক করলে আমায়, তাও এতদিন পরে। সত্যি মেয়েরাই বোধহয় পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য!

Saturday, February 15, 2025

অনন্ত সখা | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী



বাতায়ন/মাসিক/যুগলবন্দি/২য় বর্ষ/২তম সংখ্যা/২রা ফাল্গুন, ১৪৩১

অমরেন্দ্র চক্রবর্তী সংখ্যা | যুগলবন্দি | সুচরিতা চক্রবর্তী ও অজয় দেবনাথ
সুচরিতা চক্রবর্তী
 
অনন্ত সখা

"বিজীত আবার যদি ইউনিভার্সিটির দিনগুলো ফিরে আসে কী করবেতোমার মুনিয়া তোমার চূর্ণি তোমার পর্ণা আবার কি সব হারিয়ে ফেলবে আবার কি নিজের ইচ্ছেমতো একলা জীবন টেনেটুনে নিয়ে যাবে ছাপোষা অফিসে?"


"আর একটা পর্ণার খোঁজ নিয়ে জানিয়ো পর্ণা। চিরকৃতজ্ঞ থাকব নিশ্চয়ই। আর হ্যাঁ, ঘটকালি বাবদ পাওনা ঘটকবিদায় নিয়ে ভয় পেয়ো না। দিয়ে দেব। আমি চিটার নই, ঠকাব না।"

আমাদের কথা ছিল প্রতি নভেম্বরে একটা করে চিঠি দেবার। তবে কি পরস্পরের টান পুনরায় বৃদ্ধি পাচ্ছে বিজীত? নদী কি সমুদ্রের কাছাকাছি এসে গেছে? আমাদের ঘন ঘন চিঠি আদানপ্রদান সেই কথাই তো বলছে তাই না! জানো তো আজকাল ভীষণ কবি হতে ইচ্ছে করে। রাতে খাওয়াদাওয়ার পর ব্যালকনিতে এসে বসি। ইলেকট্রিক আলো ভাল লাগে না। মনে হয় জীবনানন্দের সেই ধূসর মাঠ পেরিয়ে সোনালি ডানার চিল আর শান্ত পেঁচার সাথে দেখা করি। কেমন ছিল ধান ভরা মাঠ, মৃত নক্ষত্রের সারি, কেমন ছিল কবির কুয়াশার পথ!

স্পর্শকাতর | অজয় দেবনাথ ও দেবশ্রী রায় দে সরকার


বাতায়ন/মাসিক/যুগলবন্দি/২য় বর্ষ/২তম সংখ্যা/২রা ফাল্গুন, ১৪৩১
অমরেন্দ্র চক্রবর্তী সংখ্যা | যুগলবন্দি | দেবশ্রী রায় দে সরকার ও অজয় দেবনাথ
দেবশ্রী রায় দে সরকার
 
স্পর্শকাতর

"তোমাকে হয়তো পাইনি বা পাব না। এটা একটা স্বতঃসিদ্ধ সত্য। তবুও কোথায় যেন একটা অধিকারবোধ জন্মে গেছে আমার... হয়তো সেটা তোমার স্পর্শ থেকে।"


"বসন্ত বাতাস তার পাগল করা আবেদনে প্রকৃতিকে রঙিন করে দিয়েছে। পুরুষ কোকিল তার আকুল করা সুরে সঙ্গিনীকে সমানে ডেকেই চলেছে। সেইসঙ্গে পাগল হচ্ছে মানুষ, সঠিক দিশা না পেয়ে দিগ্‌বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে মাতালের মতো আনচান করছে।"


আদৃত,
 

কী বলে সম্বোধন করব তোমায় জানি না, কারণ তোমার নামই জেনেছিলাম অনেকদিন পর... তখন যেন সম্বোধন আর নাম দুটোই পরিপূরক হয়ে উঠেছিল, তাই প্রিয় আদৃত না বলে... শুধু আদৃত নামটাই মনে মনের আনাচেকানাচে ঘোরাফেরা করছিল।

Wednesday, January 22, 2025

অভিমান | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী


 

বাতায়ন/প্রেমের Rush-লীলা/যুগলবন্দি/২য় বর্ষ/২তম সংখ্যা/০৬ই মাঘ, ১৪৩১

প্রেমের Rush-লীলা | যুগলবন্দি | সুচরিতা চক্রবর্তী ও অজয় দেবনাথ

সুচরিতা চক্রবর্তী

অভিমান


"স্বার্থপরের মতো আমি আমার বাড়ির সবাইকে ভাল রেখেছি। কারো কোনো অভিযোগ নেই। আমি জানি তুমি আমাকে ঘেন্না করো। আমার কথা মনে এলে তোমার ভ্রূ কুঞ্চিত হয়। আর আমার কেবল কান্না দলা পাকায়। কেবল কান্না।"


"কী আর করা যাবে বলো, কে আর আমার মান ভাঙাতে আসছে! চাঁদের বদলে তোমাকেই তো দেখতে চেয়েছিলাম পর্ণা, কিন্তু সে সুযোগ তুমি দিলে কই! আমার চৌদ্‌ভি কা চাঁদ।"


বীজিতকে পর্ণা
 
প্রিয় সখা
 
কেমন আছো তুমি? কেমন আছে তোমার নিঃসঙ্গ অভিমান? তোমাকে সঙ্গ দেবে বলে সকল একাকীত্ব ভিড় করেছে তোমার আশেপাশে। তুমি নিয়ম করে বুকের ভেতর নিঃসঙ্গতা পুষে রাখতে ভালবাসো তাই তো? হ্যাঁ তাই-ই। শেষে ভালবাসলে কি না নিঃসঙ্গতা! অন্ধকার হলে নাকি আকাশ ঘুমিয়ে পড়ে চাঁদ পাহারা দেয় এই বিশ্বসংসার। জেগে থাকে জোনাকি জেগে থাকি আমি। তোমার যত অভিমান চাঁদের সাথে জোনাকির সাথে আমার সাথে।

Friday, December 13, 2024

মিলনাকাঙ্ক্ষা | অজয় দেবনাথ ও সুচরিতা চক্রবর্তী




বাতায়ন/মাসিক/যুগলবন্দি/২য় বর্ষ/২২তম সংখ্যা/২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১

মোহন রায়হান সংখ্যা | যুগলবন্দি | সুচরিতা চক্রবর্তী ও অজয় দেবনাথ

সুচরিতা চক্রবর্তী

মিলনাকাঙ্ক্ষা


"বীজিত আর একটিবার তোমার কাছে যেতে চাই আছড়ে পড়তে চাই তোমার বুকের ওপর বাঁধভাঙা নদীর মতো যে টগর ফুলের মালাটা গেঁথেছিলাম বাইশ বছর আগে তা পরিয়ে দিতে চাই তোমার গলায়। থাক-না আমার স্বামী-সংসার। থাক-না ওরা ওদের মতো তুমি পারো না আমাকে আর একবার ছিঁড়েখুঁড়ে রক্তাক্ত করতে?"


"তোমার পতিদেবতা জানেনআরতোমার মেয়েআচ্ছাহঠাৎ কখনও তোমাদের সঙ্গে দেখা হলে কী বলে পরিচয় দেবেপরিচয় দেবে তোনাকি এড়িয়ে যাবেঅস্বীকার করবেসুন্দরী রূপসি মেয়েরা সবকিছু না পারলেও অনেক কিছুই পারে।"


বীজিতকে পর্ণা

চির সখা,
 
এই ডিজিটাল যুগেও প্রতি নভেম্বর মাসে তোমাকে আমার এই চিঠি আমার সারাবছরের অন্তক্ষরা জীবনী সুধা। আমার ছোট একচিলতে বারান্দায় এই মুহূর্তে সোনালি রোদ এসেছে, রোদ আসুক বা বৃষ্টির ছিটে, সময় আমাকে একেবারে নিয়ে গিয়ে ফেলে ইউনিভার্সিটির বীজিত রায়চৌধুরীর কাছেএকান্ত গোপনে যাকে রেখেছি বুকের ভেতরে। ইউনিয়নের লিডার বীজিত রায়চৌধুরী আমার প্রথম আর একমাত্র ভালবাসা।

Saturday, November 9, 2024

পাশে আছি | অজয় দেবনাথ ও সঙ্ঘমিত্রা দাস


 

বাতায়ন/মাসিক/যুগলবন্দি/২য় বর্ষ/১৮তম সংখ্যা/২৩শে কার্ত্তিক, ১৪৩১

চৈতালী চট্টোপাধ্যায় সংখ্যা | যুগলবন্দি | সঙ্ঘমিত্রা দাস ও অজয় দেবনাথ

সঙ্ঘমিত্রা দাস

পাশে আছি


"সযত্নে ভাঁজ আলগা করো। বিনিদ্র বিছানায় বসে একটিবার চিঠির পাতায় ঠোঁট ছুঁইয়ে দেখো। দেখো আছি আমি তোমারই পাশে।"


"আমারও মন যে চায়… আমার ফেলে আসা সমস্ত সাংগীতিক যন্ত্রপাতি আবার নিজের করে পেতে, তানপুরা সুর ধরবে… বেজে উঠবে জলতরঙ্গ… বাজবে শঙ্খধ্বনি… আবার আমরা ফিরে যাব আমাদের একান্ত নিজস্ব স্বর্গে।"


সুজন,
 
এখন রাত গভীর। এই গভীরতার সাথে মনকে জুড়ে নিয়ে, ভোরের আলোর ভয় জড়িয়ে লিখতে বসেছি তোমাকে এই চিঠি। ওই দূরে অনন্তদের বাড়ির পাশে ত্রিকোণ লাল বাক্সটা একাকী দাঁড়িয়ে আছে। আবছা অবয়বটা আমার জানলার বাইরে তাকিয়ে স্পষ্ট অনুভব করতে পারছি। এই মোবাইলের যুগে ও বড়ই নিঃসঙ্গ, কোথায় যেন মিলে যায় আমার সাথে।

Saturday, September 28, 2024

শারদ | অজয় দেবনাথ ও সঙ্ঘমিত্রা দাস


বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/কবিতা/২য় বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/শারদ/১১ই আশ্বিন, ১৪৩১

শারদ | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও সঙ্ঘমিত্রা দাস

সঙ্ঘমিত্রা দাস

প্রহর গুনছে মন


কতদিন দেখিনি তোমায় বলো
কতদিন তোমার চোখে চোখ রেখে
মিষ্টি সন্ধ্যা হয়নি যাপন।

Sunday, September 1, 2024

বরষা | অজয় দেবনাথ ও সঙ্ঘমিত্রা দাস


 

বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক সংখ্যা/বরষা/কবিতা/২য় বর্ষ/১৪তম/১৪ই ভাদ্র, ১৪৩১

বরষা | যুগলবন্দি | অজয় দেবনাথ ও সঙ্ঘমিত্রা দাস

সঙ্ঘমিত্রা দাস

বৃষ্টি থামার শেষে


আকাশ কালো করে বৃষ্টি,
অবাধ্য কথার ঢেউ উশৃঙ্খল
মন খারাপের এক মস্ত জাহাজে
বন্দীদশায় অভিমানী মন।

বরষা | চন্দ্রাবলী বন্দ্যোপাধ্যায় ও অজয় দেবনাথ


 

বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক সংখ্যা/বরষা/হলদে খাম/২য় বর্ষ/১৪তম/১৪ই ভাদ্র, ১৪৩১

বরষা | হলদে খাম | যুগলবন্দি | চন্দ্রাবলী বন্দ্যোপাধ্যায় ও অজয় দেবনাথ

চন্দ্রাবলী বন্দ্যোপাধ্যায়

মধুকরকে অলি


"সব খারাপের কোনো ঘরবাড়ি থাকে না জানো তো মধুকর! আমারও মন খারাপের কোনো ঠিকানা নেই। সন্ধ্যা হয়ে এল। তার সঙ্গে মিশেছে বৃষ্টির রং। মনের রং কেমন হয় গো! জানো তুমি?"


"কী হয়েছে অলি? কী গো? আমাকে বলবে না! কেন এমন মনখারাপ করে আছ! কী জানো, সব মানুষ যদি তার স্বরূপ প্রকাশ করত, তবে এই দ্বন্দ্ব থাকত না।"


মধুকর,
 
জানো মধুকর আমার এখানে এখন বর্ষার মরশুম। সারাদিন ধরে ছিল শুধু দাপুটে বৃষ্টি। বেলা পড়ে এসেছে, বৃষ্টির দাপট অনেকটাই কমে এলেও রেশ এখনও আছে। ঝিরঝিরে বৃষ্টির সাথে, কিছু খোলা ছাতের জমা জল, আর গাছের পাতার টুপটাপ জল এখনও ঝরছে। সমস্ত চরাচর গায়ে মেঘের চাদর জড়িয়েছে যেন! শাঁশাঁ শব্দ, যেন কোনো অরণ্যে আছি যেখানে শুধুই গাছপালা।

Saturday, August 3, 2024

দোলাচল | অজয় দেবনাথ ও জয়িতা বসাক



 
বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/যুগলবন্দি/হলদে খাম/২য় বর্ষ/৯/অমিতাভ গুপ্ত সংখ্যা/১৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১

অমিতাভ গুপ্ত সংখ্যা | দোলাচল | যুগলবন্দি | জয়িতা বসাক ও অজয় দেবনাথ

জয়িতা বসাক

দোলাচল


"বাস্তবতার সীমারেখা অতিক্রম করে তুমি এক অনাকাঙ্ক্ষিত সময়কে ধরতে চাইছ। তাই তোমার অন্দরমহলের নিভৃত একান্ত কক্ষে, ঘড়ির পেন্ডুলামের মতো অনবরত দুলে চলেছে একটা দোলাচল। তবু, আমার ভীষণ জানতে ইচ্ছে করছে, কেন এই দোলাচল?"


"একেবারেই না। মন না মিললে একটা সম্পর্ক থেকে মনের মতো অন্য সম্পর্কের মাধ্যমে মন এবং মননকে সুস্থভাবে বাঁচিয়ে রাখা। সামাজিক বৈধতা না থাকলেও। সমাজের শৃঙ্খল সৃষ্টিশীল মানুষের জন্যে নয় বরং প্রকৃত সৃষ্টি সমাজকে দিশা দেখিয়ে আলোকিত করে।"

বেদনা | সঙ্ঘমিত্রা দাস ও অজয় দেবনাথ



বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/যুগলবন্দি/হলদে খাম/২য় বর্ষ/৯/অমিতাভ গুপ্ত সংখ্যা/১৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১

অমিতাভ গুপ্ত সংখ্যা | বেদনা | যুগলবন্দি | সঙ্ঘমিত্রা দাস ও অজয় দেবনাথ

সঙ্ঘমিত্রা দাস

তোমাকে হারিয়ে


ভালবাসা এসেছিল একবার,
সেই প্রথম, সেই শেষবার।
সে আমার মধ্যেই জেগেছিল সারারাত,
শিউলির গন্ধ মেখে দাঁড়িয়েছিল দরজায়।

Saturday, July 6, 2024

আশা | অজয় দেবনাথ ও সঙ্ঘমিত্রা দাস



বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/যুগলবন্দি/২য় বর্ষ/৬ষ্ঠ/যশোধরা রায়চৌধুরী সংখ্যা/২১শে আষাঢ়, ১৪৩১

যশোধরা রায়চৌধুরী সংখ্যা | আশা | যুগলবন্দি | সঙ্ঘমিত্রা দাস ও অজয় দেবনাথ

সঙ্ঘমিত্রা দাস

আশা

"তুমি চাইলে একটা অন্য বিকেল হতো। বাদামের আড্ডায় ভালোবাসা জমা হয়ে কয়েকটা বৃষ্টির গল্প হতো। বেঁচে থাক আমার স্মৃতির আকাশ। অক্লান্ত এ চোখে জ্বোলো না ফানুস হয়ে, জ্বোলো তুমি চাঁদ হয়ে।"

সুজন
 
মনের আশায় একলা বিকেলে তুমি কেন বারবার উঁকি দিয়ে যাও। একটা অগোছালো সন্ধ্যা, বাইরে টিপটিপ বৃষ্টি, একনাগাড়ে, ছিঁচকাঁদুনে মনটা বাতায়ন পাশে একাকী বসে। টেবিলের ওপরে একদিস্তা কাগজ পেপারওয়েটে চাপা। তবুও হাওয়ায় ফড়ফড় করে শব্দ তুলে উড়ছে। টেনে নিলাম কাগজ পেন, তোমায় চিঠি লিখব বলে।

প্রেম | চন্দ্রাবলী বন্দ্যোপাধ্যায় ও অজয় দেবনাথ


বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/যুগলবন্দি/২য় বর্ষ/৬ষ্ঠ/যশোধরা রায়চৌধুরী সংখ্যা/২১শে আষাঢ়, ১৪৩১

যশোধরা রায়চৌধুরী সংখ্যা | যুগলবন্দি | কবিতা | প্রেম

চন্দ্রাবলী বন্দ্যোপাধ্যায়

তপ্ত দুপুর


পাখি হব বলে একটা আস্ত মহাদেশ পাড়ি দিয়ে এলাম।
নদী হব বলে একটা গোটা পাহাড়কে স্নান করিয়ে নেমে এলাম।
 
অনন্য এক রূপকথা হব বলে ব্যাঙ্গমা কিনে আনলাম।
মেঘ হব বলে মহাসাগরের বুকে দিলাম সমস্ত দিনের দহন।
একতারার বসন্ত হব বলে একটা বিরহকে পুড়িয়ে আঙরা করে দিলাম।
 

খাবারের সন্ধানে ~~~


Popular Top 10 (Last 7 days)