প্রাপ্তমনস্কদের পত্রিকা ~ ~ ~ নাম নয় মানই বিবেচ্য

আতঙ্ক | সাগর না কুয়ো

বাতায়ন/ আতঙ্ক / সম্পাদকীয় /৪র্থ বর্ষ/ ২য় সংখ্যা/১ ৭ই বৈশাখ ,   ১৪৩৩ আতঙ্ক | সম্পাদকীয়   সাগর না কুয়ো "যদিও এখানে পিংপং-সাহিত্য বা চটি...

Sunday, April 26, 2026

টিক টিক টিক | সমাদৃত দাস

বাতায়ন/আতঙ্ক/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | গল্পাণু
সমাদৃত দাস
 
টিক টিক টিক

"বাপরে বাপ! কী স্বপ্ন। এটা স্বপ্ন না সত্যিতবে হঠাৎই বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠল, এই ভেবে যে এই ঘটনা আবার তার সাথে বাস্তবে ঘটবে না তো?"

 
নির্জন রাত। কালো মেঘে ঢাকা আকাশ। এছাড়া আজ অমাবস্যা। রাস্তার স্ট্রিট লাইটগুলো ভৌতিক দৃষ্টিতে চেয়ে রয়েছে। কিন্তু এই আধো-অন্ধকারে সোনালী একাকী গুটিগুটি পায়ে ইষ্টনাম জপ করতে করতে এগিয়ে চলেছে। চারপাশের সমস্ত গাছগাছালি সন্দিহান চিত্তে তার দিকে যেন চেয়ে রয়েছে। সোনালীর বুকটা ধুকপুক করতে শুরু করল কোনো এক অজানা আতঙ্কে। তবে ভয়টা ভূত-প্রেতকে নিয়ে নয়, ভয় বর্তমানে বিভীষিকাময় মানুষজনকে। আজকাল চারিধারে এত খুন-ধর্ষণ-এর সংবাদ শোনা যাচ্ছে, তাতে কখন যে কার প্রাণান্ত পরিচ্ছেদ ঘটে তা বোঝা বড়ই দায়। এ সমাজকে চেনা বড় কঠিন। আসলে সোনালী ভীষণ রকমের ভীতু মেয়ে। আজকে খুব দরকারি কাজে এত রাতে তাকে বাইরে একা একা বেরোতে হয়েছে। এদিকে ওর হাতঘড়িটা টিকটিক করতে লাগল। আর নিজের হৃপিণ্ডটাও তাই। ভয়েই ওর অর্ধ-মৃত অবস্থা হওয়ার জোগাড়। হঠাৎই আচমকা পিছন থেকে কেউ যেন তার হাতটা শক্ত করে টেনে ধরল। সোনালী আস্তে করে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে শিউরে ওঠে। দেখে যে, এক অচেনা যুবক হাতে মদের বোতল। সে যেন সোনালীর দিকে বিস্ফারিত দৃষ্টিতে চেয়ে রয়েছে, যেন সে তার সারা শরীরটাকে ভক্ষণ করতে চায়। সোনালী তৎক্ষণাৎ চিৎকার করে ওঠেবাঁচাও! বাঁচাও! প্লিজ হেল্প মি! আচমকা ঘুমটা ভেঙে গেল সোনালীর। খাটে উঠে বসল। ওহ! তাহলে এতক্ষণ ধরে স্বপ্ন দেখছিলাম। বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে গেল সোনালী। উফ! বাপরে বাপ! কী স্বপ্ন। এটা স্বপ্ন না সত্যি? তবে হঠাৎই বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠল, এই ভেবে যে এই ঘটনা আবার তার সাথে বাস্তবে ঘটবে না তো? কে জানে কী হবে? তবে সোনালী যে আর এখন কিছুদিন ঘরের বাইরে বেরোবে না সেটা বলাই বাহুল্য!
 
~~000~~

 

No comments:

Post a Comment

খাবারের সন্ধানে ~~~


Popular Top 10 (Last 7 days)