বাতায়ন/নাসির ওয়াদেন
সংখ্যা/গল্পাণু/৪র্থ বর্ষ/৬ষ্ঠ সংখ্যা/২রা আষাঢ়, ১৪৩৩
নাসির ওয়াদেন সংখ্যা
| গল্পাণু
গোবিন্দ
সাহা
গৃহশিক্ষক
"শোনা যাচ্ছে সরকার পাঁচ বছর বয়সের ছাড় দিয়েছে। মাধবের মতো মেধাবী মানুষের মস্তিষ্ক কি আর আগের মতো আছে। এ বয়সে পড়াশোনা নিতান্তই বিলাসিতা..."
মাধবের একটা চাকরি জুটল না।
টিউশন পড়িয়ে দিন যায়। বেতনও ঠিক মতো পায় না। দিনমজুর বাবা বলল- বাবা মাধব, তোমার চাকুরির খবর কতদূর। দীনু বাঁড়ুয্যের ছেলেটা মাষ্টারি পেল শুনলাম।
মাধব বলল- বাবা আমি পাশ করতে
পারিনি।
চোখ দুটি ভিজে এল। দিনু
বাঁড়ুয্যের ছেলের বিদ্যাবুদ্ধি সবার জানা। তারা খুব বড়লোক। ছেলেটা গুনধরও বটে।
তবুও তো মাষ্টারমশাই। বিয়ে হয়েছে সুন্দরী মেয়ের সাথে।
ভাঙা সাইকেলে টিউশন করে
মাধবের দিন যায়। বিয়ে তো দূর অস্ত, গরিবের সংসার
চালানো দায়। অথচ তার মেধার খ্যাতি সবার জানা। অবিবেচক সময় বড় নিষ্ঠুর। মা এখন বেশ
অসুস্থ। মাটির ঘরে খড়ের চালে বৃষ্টি পড়ে। অসহায় জীবন।
শোনা যাচ্ছে সরকার পাঁচ বছর
বয়সের ছাড় দিয়েছে। মাধবের মতো মেধাবী মানুষের মস্তিষ্ক কি আর আগের মতো আছে। এ
বয়সে পড়াশোনা নিতান্তই বিলাসিতা...
~~000~~
No comments:
Post a Comment