বাতায়ন/আতঙ্ক/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/২য় সংখ্যা/১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩
আতঙ্ক | কবিতা
মনোজ ঘোষ
নিজের
মেঘ থেকে
প্রত্যেক হৃদয়ে এক কাপুরুষ আর
দীর্ঘসূত্রী থাকে
প্রত্যেক হৃদয়ে থাকেন
এক পুষ্পদেবতা
নিজের মেঘ থেকে বেরিয়ে এসে যিনি
ডানা মেলে ধরার অপেক্ষা করেন
টিয়া আর কাকাতুয়ারা খাঁচার
মধ্যে নিজেদের
ঘষে ঘষে দরজা খুলে দেবার মিনতি করে
অনেক বছর পরে
রাত্তিরে ঘুম থেকে জেগে
আমার মনে পড়ে
তাদের সেই মিনতি উপেক্ষা করে
চলে গিয়েছিলুম দূরে
নরম হৃদয় কুকুরের বাদামি চোখ
নিয়ে তারা আমার দিকে তাকিয়ে থাকত
তারা অসাধারণ কিছু করতে চায়নি
কেবল উড়তে উড়তে নদীর ধারে তাদের বাসায়
যেতে চাইত
এতদিনে হয়তো বিশাল অন্ধকার
তাদের
ঢেকে দিয়েছে
আমি সবচেয়ে বিবর্ণ ফুলগুলোর দেবতাও
হয়ে উঠতে পারিনি
অন্য সব ব্যঞ্জনাও বদলায়নি
গোবরগাদায় কারা যেন তাদের
সাদা হাড়গুলো ছুঁড়ে ফেলে
তাদের খাঁচার ছিটকিনির ওপর সূর্যের আলো পড়ে
শুয়ে থাকি অন্ধকারে
আমার হৃৎপিন্ড
ঢিপ ঢিপ করে
আতঙ্ক | কবিতা
মনোজ ঘোষ
প্রত্যেক হৃদয়ে থাকেন
এক পুষ্পদেবতা
নিজের মেঘ থেকে বেরিয়ে এসে যিনি
ডানা মেলে ধরার অপেক্ষা করেন
ঘষে ঘষে দরজা খুলে দেবার মিনতি করে
রাত্তিরে ঘুম থেকে জেগে
আমার মনে পড়ে
তাদের সেই মিনতি উপেক্ষা করে
চলে গিয়েছিলুম দূরে
তারা অসাধারণ কিছু করতে চায়নি
কেবল উড়তে উড়তে নদীর ধারে তাদের বাসায়
যেতে চাইত
ঢেকে দিয়েছে
আমি সবচেয়ে বিবর্ণ ফুলগুলোর দেবতাও
হয়ে উঠতে পারিনি
অন্য সব ব্যঞ্জনাও বদলায়নি
তাদের খাঁচার ছিটকিনির ওপর সূর্যের আলো পড়ে
শুয়ে থাকি অন্ধকারে
আমার হৃৎপিন্ড
ঢিপ ঢিপ করে

No comments:
Post a Comment