বাতায়ন/হাপিত্যেশ/কবিতা/২য়
বর্ষ/৫ম সংখ্যা/৩২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১
হাপিত্যেশ | কবিতা
দেবারতি গুহ সামন্ত
ক্ষুধার্ত চাঁদ
রাতে খেতে বসেছিলাম,
থালায় তখন একফালি চাঁদ,
লুকিয়েছিল ভাতের ভেতর,
আঙুল দিয়ে ভাত ভাঙলাম।
জ্যোৎস্না মাখা
ভাতগুলো বড্ড নরম,
মুখে দিতেই গলে যাচ্ছিল,
যত থালার ভাত শেষ হচ্ছিল,
অন্ধকার গ্রাস করছিল চাঁদকে।
চাঁদকে অনুরোধ করলাম,
‘যা ফিরে যা তোর ঘরে,’
চাঁদ হেসে বলল, ‘এই তো আমার বাসস্থান,
তোমার প্রতিটা মুখের গ্রাসে।’
সম্পূর্ণ ভাত যখন শেষ
হলো,
খালি থালায় আর দেখা গেল না,
ওই একফালি চাঁদ, কোথায় গেল?
তবে কি হারিয়ে ফেললাম চাঁদকে?
আজও হাপিত্যেশ করে বসে
আছি,
কবে আবার দেখা পাব চাঁদের,
সেদিনের পর আজও অভুক্ত,
মুখে তুলিনি একগ্রাস ভাত।
সরল সত্যিটা বুঝিনি
সেদিন,
কী যেন বলেছিল ওই একফালি চাঁদ?
আমার প্রতিটা মুখের গ্রাস ওর বাসস্থান!
তবে কেন চাঁদ হারিয়ে গেল খিদের অন্ধকার গ্রাসে?
থালায় তখন একফালি চাঁদ,
লুকিয়েছিল ভাতের ভেতর,
আঙুল দিয়ে ভাত ভাঙলাম।
মুখে দিতেই গলে যাচ্ছিল,
যত থালার ভাত শেষ হচ্ছিল,
অন্ধকার গ্রাস করছিল চাঁদকে।
‘যা ফিরে যা তোর ঘরে,’
চাঁদ হেসে বলল, ‘এই তো আমার বাসস্থান,
তোমার প্রতিটা মুখের গ্রাসে।’
খালি থালায় আর দেখা গেল না,
ওই একফালি চাঁদ, কোথায় গেল?
তবে কি হারিয়ে ফেললাম চাঁদকে?
কবে আবার দেখা পাব চাঁদের,
সেদিনের পর আজও অভুক্ত,
মুখে তুলিনি একগ্রাস ভাত।
কী যেন বলেছিল ওই একফালি চাঁদ?
আমার প্রতিটা মুখের গ্রাস ওর বাসস্থান!
তবে কেন চাঁদ হারিয়ে গেল খিদের অন্ধকার গ্রাসে?

ভালো লিখেছেন, একটু নতুনরকম।
ReplyDelete