বাতায়ন/হাপিত্যেশ/প্রবন্ধ/২য় বর্ষ/৫ম সংখ্যা/৩২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১
হাপিত্যেশ | প্রবন্ধ
জয়িতা ভট্টাচার্য
সাহিত্য— নির্মাণ ও নেপথ্য কথা— ১
"বিয়ে করেছিলেন ডরোথি সেকসপিয়রকে। যদিও পাউণ্ডকে নিয়ে সর্বসময় গসিপ ছিল তুঙ্গে। নারী সঙ্গ করেছেন ঢের। কিন্তু স্ত্রী ডরোথি সারাজীবন এই বিষয় নীরব থেকে একটানা পঞ্চাশ বছর বিবাহিত জীবন অতিবাহিত করেছেন পাউণ্ডের সঙ্গেই।"
[প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ অভিজ্ঞতালব্ধ লেখিকার নিজস্ব মতামত।]
কবিতা পড়তে গেলে কি
কবির ইতিহাস জানা জরুরি? এমন একটা বিতর্ক সৃষ্টি হয় মাঝেমধ্যে। অবশ্যই কথাটির মধ্যে
থাকে নেতিবাচক শ্লেষ। তবু, দেখা যায় পাঠ্যবইয়ের বাইরের রবীন্দ্র কবিতা ছাড়া
যাঁরা তেমন কোনও পংক্তি মনে রাখেননি তাদেরও কিন্তু জানা আছে রবির সঙ্গে তাঁর বৌদির
সখ্যতা সম্পর্কে, বৌদিদির আত্মহত্যার কথা জানা, জীবনানন্দের কবিতা পড়ার সঙ্গে
সঙ্গে তাঁর অসুখী দাম্পত্য তথা প্রেমিকাদের কথা সবার জানা, শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের
কবিতার চেয়ে জানা তাঁর অবাধ জীবনযাপনের কথা জিভের ডগায়। এভাবে লিস্ট বেড়ে চলে। এর
অপর পক্ষের মানুষও কম নেই। তাঁরা অবশ্যই বাঙালি কালচারের নিম্নগামিতা সম্পর্কে
নিশ্চিত। আসলে কিন্তু এটা নেহাত সাধারণ এবং স্বাভাবিক ব্যাপার। বিশ্বের কোনও কবি
কোনোদিন সমাজ সংসার রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন কোনও প্রাণী নয়। তাঁদের লেখার সঙ্গে
অবিচ্ছেদ্য তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন, কেচ্ছা-কেলেংকারি এবং পর্দার আড়ালের কথাগুলি।
কবি কোন পরিস্থিতির
শিকার, কী তাঁর লেখার রাষ্ট্রিক বা সামাজিক পটভূমি, তাঁর আদর্শ বা আদর্শহীনতা,
তাঁর প্রণয়জীবন ও যৌনজীবন সবটাই তাঁর লেখাকে প্রভাবিত করে, এবং সেই লেখক সম্পর্কে
অবশ্যই বিষয়গুলো প্রাসঙ্গিক ওঠে। এতে পাঠকের ও সমালোচকের কোনও দায় নেই। বস্তুত
এই প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকাটা প্রয়োজন।
যেমন, আধুনিক কবিতার আন্দোলনের পুরোধা টি এস এলিয়ট ও এজরা পাউণ্ডের কথাই ধরা যাক। নোবেল প্রাইজ পাওয়া কবি টমাস স্টার্নস এলিয়ট ও এজরা পাউণ্ডের প্রগাঢ় বন্ধুত্বের কথা কে না জানে। এলিয়টকে আধুনিক কবিতা আন্দোলনের প্রধানতম ভাবা হয়। এসব আমরা জানি। তবু উল্লেখযোগ্য যে তাঁর কবিতার নানা বৈশিষ্ট্যর মধ্যে “কোটেশন” একটি নতুন স্টাইল। তাঁর পড়া বিভিন্ন কবিতার পছন্দের লাইন তিনি ব্যবহার করেছেন তাঁর কবিতায়। অবশ্য তখন ফেসবুক ও কবিতা পণ্ডিতের সংখ্যা ছিল না বলতে গেলে তাই প্লেজিয়ারিজম বলে চেল্লাচিল্লি না হয়ে এটি একটি নতুন ধারা হিসেবেই মানুষ গ্রহণ করেছে।
এলিয়ট প্রভাবিত ছিলেন দার্শনিক কান্ট ও জেমস জয়েস দ্বারা। ইংরেজি সাহিত্যের মধ্যযুগে জেফ্রি চসার লিখেছিলেন ক্যান্টারবেরি টেলস। চসারের সময়ে ছিল সুখশান্তির কাল, এপ্রিল তাঁর পদাবলীতে ভারী মনোরম সময়। তারপর দিন বদলেছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও পরবর্তী অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট বদলে দিয়েছে হ্যাপি ডে। তাই এলিয়ট সাহেব চসারের কবিতার সরাসরি কন্ট্রডিক্ট করে শুরু করলেন তাঁর নষ্ট জলাভূমির কথায় প্রথম লাইন বিখ্যাত “এপ্রিল নির্মমতম মাস”।
শোনা যায় এজরা পাউণ্ড অতিকথন দোষে দুষ্ট এই কারণে পাতার পর পাতা বাদ দিয়ে দিয়েছিলেন বিখ্যাত কবিতা “দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড”-এর, এমনকি অতি ছন্দময়তার কারণে বহু লাইন বাদ করেছেন নির্মম রূপে। মূল লেখাটির অর্ধেক প্রায় বাদ! এজরা পাউণ্ড কিন্তু এলিয়ট মশাইয়ের চেয়ে কাফি সিনিয়র। ভাবুন আজ বাংলা সাহিত্যের কোনও কবির কবিতা যদি অনুজ ও বন্ধু কবি ছেঁটে ফেলেন পাতার পর পাতা কী হাল হবে তার!
“পোয়েট্রি” ম্যাগাজিন যা ইয়োরোপের প্রাচীনতম বলা হয় তাতে পাউণ্ড লিখেছিলেন তিনি নাকি এলিয়ট ছাড়া আর কোনও ভাল কবির কথা জানতেনই না! এক্সাজারশন ছাড়া আর কী বা বলা যায়। এই এজরা পাউণ্ড জন্মেছেন ইডাহো, ফিলাদেলফিয়া। নানা ঘাতপ্রতিঘাতের পর, মানসিক সুস্থতা হারিয়েছেন, সমাধিস্থ হয়েছেন ইতালি থেকে দূরে একটি নির্জন দ্বীপে।
একের পর এক দুর্ধর্ষ কবিতার লেখক পাউণ্ড পেয়েছেন বলিঞ্জেন পুরস্কার। পাশ্চাত্য সাহিত্যে ইমেজিস্ট মুভমেন্টের প্রাণপুরুষ এজরা পাউণ্ড। অথচ ভাবুন, এই লোকটা হয়ে গেল মুসোলিনির চামচা! প্রবল ফ্যাসিস্ট সমর্থক।
সেই এজরা পাউণ্ডকেই তাই একদিন সারা ইয়োরোপের লোক ধিক্কার দিয়েছে এখনও অনেকেই ভোলেন না
ফ্যাসিজিমের প্রতি তাঁর মুক্ত কণ্ঠ সমর্থন ও মুসোলিনির চাটুকারিতার জন্য। কেন? তাঁর মতো একজন বিদগ্ধ কবি, অর্থ, প্রতিপত্তি, মেধা কোনোকিছুর অভাব ছিল না তিনি একজন বুদ্ধিজীবী হয়ে ফ্যাসিস্ট মানসিকতার হতে পারেন! শেষ জীবনে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি, এজরা পাউণ্ড মারা গেলেন ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে, ইতালির ভেনিসে। বিয়ে করেছিলেন ডরোথি সেকসপিয়রকে। যদিও পাউণ্ডকে নিয়ে সর্বসময় গসিপ ছিল তুঙ্গে। নারী সঙ্গ করেছেন ঢের। কিন্তু স্ত্রী ডরোথি সারাজীবন এই বিষয় নীরব থেকে একটানা পঞ্চাশ বছর বিবাহিত জীবন অতিবাহিত করেছেন পাউণ্ডের সঙ্গেই।
আধুনিক সাহিত্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী কবি বলা হয় এজরা পাউণ্ডকে। তাঁর সমসাময়িক কালে আমেরিকা-সহ বহু দেশের তরুণ কবি ছিল তাঁর দ্বারা প্রভাবিত। প্রসঙ্গত, টি এস এলিয়টের প্রথম স্ত্রী মানসিক রোগী ছিলেন। পৃথক বসবাস করতেন দুজনে। তাঁর মৃত্যুর দশ বছর পর যখন ভালেরি ফ্লেচারকে বিয়ে করলেন এলিয়ট তখন আটষট্টি ও ফ্লেচার ছিলেন তাঁর চেয়ে তিরিশ বছরের ছোট। বলছি ১৯৫৭ সালের কথা।
যাইহোক, চলে যাই একেবারে সপ্তম খ্রিষ্টাব্দে anglo-saxon সাহিত্য যা আদতে অ্যাংলো ফ্রিশনদের লোকগাথা থেকে শুনেটুনে লেখা। সেটাই প্রাচীনতম ইংরেজি সাহিত্য বলে এখনও জানা যায়। যে ইংরেজি ভাষা নিয়ে অনেক কথা, সে ভাষাও তো হাজার বার পালিশের পর বহু ভাষার মিশ্রণের পর আজ মোটামুটি জায়গায় এসেছে। পরে অবশ্য অ্যাংলো স্যাক্সনদের লিপি এলো, মিশ খেল গ্রিক, লাতিন ও নানা আঞ্চলিক কথ্য ভাষা। ৬০০ শতাব্দীর সেই প্রথম গল্প পাণ্ডুলিপি থেকে মুদ্রিত হলো হালো সন ১৮১৫ নাগাদ।
ফিরে আসি প্রাচীনতম এই কাব্যের কথায়। রাক্ষস রাক্ষসী ও সুন্দর রাজপুত্রের গল্পের, যার নাম বিওলফ। যেন দক্ষিণারঞ্জন রাজপুত্র ডালিমকুমার। রাক্ষস আর রাক্ষসীর গল্প। দুটি পর্বে রচিত এই বিওলফ। পরে অনেক সম্পাদনা হয়েছে অবশ্য। হয়েছে সিনেমা। ঠাকুরমার ঝুলির মতোই যেন মনে হয় গল্পটি তবু ভিন্ন কারণে পৃথক।
এক দেশে এক রাজা ছিল। লোকেরা সুখেশান্তিতে বাস করত। এমন সময় ইয়া বড় এক রাক্ষসের আগমন হলো। সে থাকত কাছের বাদা অঞ্চলে।
যেমন, আধুনিক কবিতার আন্দোলনের পুরোধা টি এস এলিয়ট ও এজরা পাউণ্ডের কথাই ধরা যাক। নোবেল প্রাইজ পাওয়া কবি টমাস স্টার্নস এলিয়ট ও এজরা পাউণ্ডের প্রগাঢ় বন্ধুত্বের কথা কে না জানে। এলিয়টকে আধুনিক কবিতা আন্দোলনের প্রধানতম ভাবা হয়। এসব আমরা জানি। তবু উল্লেখযোগ্য যে তাঁর কবিতার নানা বৈশিষ্ট্যর মধ্যে “কোটেশন” একটি নতুন স্টাইল। তাঁর পড়া বিভিন্ন কবিতার পছন্দের লাইন তিনি ব্যবহার করেছেন তাঁর কবিতায়। অবশ্য তখন ফেসবুক ও কবিতা পণ্ডিতের সংখ্যা ছিল না বলতে গেলে তাই প্লেজিয়ারিজম বলে চেল্লাচিল্লি না হয়ে এটি একটি নতুন ধারা হিসেবেই মানুষ গ্রহণ করেছে।
এলিয়ট প্রভাবিত ছিলেন দার্শনিক কান্ট ও জেমস জয়েস দ্বারা। ইংরেজি সাহিত্যের মধ্যযুগে জেফ্রি চসার লিখেছিলেন ক্যান্টারবেরি টেলস। চসারের সময়ে ছিল সুখশান্তির কাল, এপ্রিল তাঁর পদাবলীতে ভারী মনোরম সময়। তারপর দিন বদলেছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও পরবর্তী অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট বদলে দিয়েছে হ্যাপি ডে। তাই এলিয়ট সাহেব চসারের কবিতার সরাসরি কন্ট্রডিক্ট করে শুরু করলেন তাঁর নষ্ট জলাভূমির কথায় প্রথম লাইন বিখ্যাত “এপ্রিল নির্মমতম মাস”।
শোনা যায় এজরা পাউণ্ড অতিকথন দোষে দুষ্ট এই কারণে পাতার পর পাতা বাদ দিয়ে দিয়েছিলেন বিখ্যাত কবিতা “দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড”-এর, এমনকি অতি ছন্দময়তার কারণে বহু লাইন বাদ করেছেন নির্মম রূপে। মূল লেখাটির অর্ধেক প্রায় বাদ! এজরা পাউণ্ড কিন্তু এলিয়ট মশাইয়ের চেয়ে কাফি সিনিয়র। ভাবুন আজ বাংলা সাহিত্যের কোনও কবির কবিতা যদি অনুজ ও বন্ধু কবি ছেঁটে ফেলেন পাতার পর পাতা কী হাল হবে তার!
“পোয়েট্রি” ম্যাগাজিন যা ইয়োরোপের প্রাচীনতম বলা হয় তাতে পাউণ্ড লিখেছিলেন তিনি নাকি এলিয়ট ছাড়া আর কোনও ভাল কবির কথা জানতেনই না! এক্সাজারশন ছাড়া আর কী বা বলা যায়। এই এজরা পাউণ্ড জন্মেছেন ইডাহো, ফিলাদেলফিয়া। নানা ঘাতপ্রতিঘাতের পর, মানসিক সুস্থতা হারিয়েছেন, সমাধিস্থ হয়েছেন ইতালি থেকে দূরে একটি নির্জন দ্বীপে।
একের পর এক দুর্ধর্ষ কবিতার লেখক পাউণ্ড পেয়েছেন বলিঞ্জেন পুরস্কার। পাশ্চাত্য সাহিত্যে ইমেজিস্ট মুভমেন্টের প্রাণপুরুষ এজরা পাউণ্ড। অথচ ভাবুন, এই লোকটা হয়ে গেল মুসোলিনির চামচা! প্রবল ফ্যাসিস্ট সমর্থক।
সেই এজরা পাউণ্ডকেই তাই একদিন সারা ইয়োরোপের লোক ধিক্কার দিয়েছে এখনও অনেকেই ভোলেন না
ফ্যাসিজিমের প্রতি তাঁর মুক্ত কণ্ঠ সমর্থন ও মুসোলিনির চাটুকারিতার জন্য। কেন? তাঁর মতো একজন বিদগ্ধ কবি, অর্থ, প্রতিপত্তি, মেধা কোনোকিছুর অভাব ছিল না তিনি একজন বুদ্ধিজীবী হয়ে ফ্যাসিস্ট মানসিকতার হতে পারেন! শেষ জীবনে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি, এজরা পাউণ্ড মারা গেলেন ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে, ইতালির ভেনিসে। বিয়ে করেছিলেন ডরোথি সেকসপিয়রকে। যদিও পাউণ্ডকে নিয়ে সর্বসময় গসিপ ছিল তুঙ্গে। নারী সঙ্গ করেছেন ঢের। কিন্তু স্ত্রী ডরোথি সারাজীবন এই বিষয় নীরব থেকে একটানা পঞ্চাশ বছর বিবাহিত জীবন অতিবাহিত করেছেন পাউণ্ডের সঙ্গেই।
আধুনিক সাহিত্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী কবি বলা হয় এজরা পাউণ্ডকে। তাঁর সমসাময়িক কালে আমেরিকা-সহ বহু দেশের তরুণ কবি ছিল তাঁর দ্বারা প্রভাবিত। প্রসঙ্গত, টি এস এলিয়টের প্রথম স্ত্রী মানসিক রোগী ছিলেন। পৃথক বসবাস করতেন দুজনে। তাঁর মৃত্যুর দশ বছর পর যখন ভালেরি ফ্লেচারকে বিয়ে করলেন এলিয়ট তখন আটষট্টি ও ফ্লেচার ছিলেন তাঁর চেয়ে তিরিশ বছরের ছোট। বলছি ১৯৫৭ সালের কথা।
যাইহোক, চলে যাই একেবারে সপ্তম খ্রিষ্টাব্দে anglo-saxon সাহিত্য যা আদতে অ্যাংলো ফ্রিশনদের লোকগাথা থেকে শুনেটুনে লেখা। সেটাই প্রাচীনতম ইংরেজি সাহিত্য বলে এখনও জানা যায়। যে ইংরেজি ভাষা নিয়ে অনেক কথা, সে ভাষাও তো হাজার বার পালিশের পর বহু ভাষার মিশ্রণের পর আজ মোটামুটি জায়গায় এসেছে। পরে অবশ্য অ্যাংলো স্যাক্সনদের লিপি এলো, মিশ খেল গ্রিক, লাতিন ও নানা আঞ্চলিক কথ্য ভাষা। ৬০০ শতাব্দীর সেই প্রথম গল্প পাণ্ডুলিপি থেকে মুদ্রিত হলো হালো সন ১৮১৫ নাগাদ।
ফিরে আসি প্রাচীনতম এই কাব্যের কথায়। রাক্ষস রাক্ষসী ও সুন্দর রাজপুত্রের গল্পের, যার নাম বিওলফ। যেন দক্ষিণারঞ্জন রাজপুত্র ডালিমকুমার। রাক্ষস আর রাক্ষসীর গল্প। দুটি পর্বে রচিত এই বিওলফ। পরে অনেক সম্পাদনা হয়েছে অবশ্য। হয়েছে সিনেমা। ঠাকুরমার ঝুলির মতোই যেন মনে হয় গল্পটি তবু ভিন্ন কারণে পৃথক।
এক দেশে এক রাজা ছিল। লোকেরা সুখেশান্তিতে বাস করত। এমন সময় ইয়া বড় এক রাক্ষসের আগমন হলো। সে থাকত কাছের বাদা অঞ্চলে।
ক্রমশ…

No comments:
Post a Comment