প্রথম বর্ষ/প্রথম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩০
কবিতা
সৈয়দ হাসমত জালাল
বসন্তমঞ্জরী
শিরশিরে বাতাসে উড়ছে স্তব্ধ ইতিহাস
কত যুগান্তের ওপার থেকে ভেসে আসছে ঘোড়ার ক্ষুরের শব্দ
ঢলে পড়েছে ফাল্গুনের তামাটে রোদ্দুর
তোমাকে ডাকছি, বসন্তমঞ্জরী
আমি তোমাকে ডাকছি
ডেকেছিল সারারাত
গান নয়, তার তীব্র বেদনা উড়িয়ে আনছে হাওয়া
ঘুমোতেও পারছি না
সেই যে একদিন উন্মাদ যুদ্ধস্বনন, অন্ধ তমসায়
ছেয়েছিল দিক-দিগন্তর
পথে পথে পড়েছিল অগণিত মৃত সৈনিক
তাদের কবরের পাশে কৃষ্ণচূড়া গাছগুলি ভরে গেছে ফুলে ফুলে
যে অমেয় সময়স্রোত, উদাসীন মহাসমুদ্রতরঙ্গ—
তার পাশে স্থির এক ভালোবাসা-নির্মিত প্রাসাদের চূড়া
আমি সেই শীর্ষদেশ থেকে তোমাকে ডাকছি, এসো
তোমার পায়ের শব্দে জেগে উঠবে ব’লে,
এই সমাহিত ভোর, এই আকাশপ্রবাহ তোমার পায়ের রঙে
তোমার আরক্ত আঁচলের রঙে রঙিন হয়ে উঠবে ব'লে
তোমাকে ডাকছি, এসো
তোমাকে ডাকছি, বসন্তমঞ্জরী...

সুন্দর
ReplyDeleteখুব সুন্দর লেখা। কবিকে অভিনন্দন জানাই।
ReplyDeleteনমস্কার।আমি শম্পা সামন্ত।বিশ্বভারতীর বাংলাবিভাগের সুমিতাদির ছাত্রী। কবি, একটি ইউ জি সি কেয়ার লিস্টেড আন্তর্জাতিক পীয়ার রিভিউডপত্রিকার সম্পাদনা করছি।অন্তর্মুখ দ্বিভাষিক গবেশ্যহণা পত্রিকা।স্পনার কথা শুনেছি বন্ধুদের মুখে।যদি যোগাযোগ থাকে,নিজেকে সমৃদ্ধ বলে মনে করব।
ReplyDeleteজালালদা আমার খুব কাছের মানুষ। বহুদিন থেকেই ওঁর অসাধারণ কবিতার সাথে পরিচিত আমি। কি সুন্দর যে লিখেছেন কবিতাটি। অশেষ শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাই কবি কে।
ReplyDelete