বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/গল্পাণু/২য়
বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/শারদ/১১ই আশ্বিন, ১৪৩১
শারদ | গল্পাণু
কমলকুমার মণ্ডল
খোঁজ
"সবুজ গালিচার ঘূর্ণাবর্তে কে যেন ফিশফিশিয়ে বলল- তোমাদের দার্জিলিং চা স্বাদ ও গন্ধে জগৎবিখ্যাত। আর মুন্নার তার রূপ ঐশ্বর্যে।"
চায়ের প্রতি আসক্তি কোন
কালেই তেমন ছিল না রিতমের। তবে পাহাড়ের ভাঁজে বিস্তৃত সবুজ গালিচা ভীষণ টানে
তাকে। শুধু পাহাড় কেন,
ডুয়ার্স-সমতল-ছায়ানিবিড় সবুজ!
কেরলের শৈলশহর মুন্নারের
চড়াই উতরাই পথে
সবুজের বুক চিরে গাড়ি যতই পাড়ি দিচ্ছে ভাললাগার আবেশ ততই গভীর থেকে গভীরতর
হচ্ছে। যেন চিত্রশিল্পীর ক্যানভাস। সবুজ আর সবুজ। নয়নলোভা রূপে মোহিত রিতম।
একটা জিনিস খুব মেলানোর
চেষ্টা করছিল রিতম। উত্তরবঙ্গের চা বাগানের সাথে অমিলগুলো নাড়া দিচ্ছিল মনের
গভীরে। ছোটবেলায় বইয়ের পাতায় বা উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরির ফলে
দেখা- বাগানজুড়ে লম্বালম্বা গাছের সারি। রোদ-ছায়ার লুকোচুরি। চা গাছের পক্ষে
ভীষণ উপযোগী। আর তাই মুন্নারের নয়নলোভা সবুজ অলিগলি ঘুরতে ঘুরতে তেমন কিছু একটা
খুঁজছিল অবচেতনে।
সবুজ গালিচার ঘূর্ণাবর্তে
কে যেন ফিশফিশিয়ে বলল- তোমাদের দার্জিলিং চা স্বাদ ও গন্ধে জগৎবিখ্যাত। আর মুন্নার তার
রূপ ঐশ্বর্যে।
***

No comments:
Post a Comment