বাতায়ন/শারদ/কবিতা/১ম
বর্ষ/২২তম সংখ্যা/১৯শে আশ্বিন, ১৪৩০
শারদ | কবিতা
প্রদীপ কুমার মন্ডল
প্রার্থনা
চোখের জলে বর্ষারানি
শরৎকে দেয় চিঠি,
ক্ষণস্থায়ী জীবন মধুর হরেক রকম স্মৃতি।
আকাশ পাড়ে বাঁধন-ছেঁড়া মেঘের আনাগোনা,
ছুটছে তারা তুফান বেগে ঢাকবে চন্দ্রকোনা।
সকাল হলেই চোখ জুড়াবো,
দেখে শিশিরকণা,
সবুজ মাঠে হাজার ঘাসে কাশ তুলেছে ফণা।
শামলা শালুক দুলছে জলে আনন্দে মশগুল,
দিনে রাতে সুরভি ছড়ায় নানান রঙের ফুল।
ডাক এসেছে অচিনপুরের
বাতাসে বাজে সুর,
মনের সুখে ধোরো গান না হয়ে নিষ্ঠুর।
ভোর হলেই খুলবে দ্বার, আসবে দশভুজা,
অসুর নিধন কবেই হল! হবে শুধু পূজা।
চক্ষু মেলে যাহাই দেখি,
সবই অঙ্গীকার।
আচারবিচার সঠিক হলে, থাকে না ব্যাভিচার।
মাকে এবার সবাই বলো, শুভবুদ্ধি দাও,
থাকবো মোরা পরম সুখে তুমি যদি চাও।
ক্ষণস্থায়ী জীবন মধুর হরেক রকম স্মৃতি।
আকাশ পাড়ে বাঁধন-ছেঁড়া মেঘের আনাগোনা,
ছুটছে তারা তুফান বেগে ঢাকবে চন্দ্রকোনা।
সবুজ মাঠে হাজার ঘাসে কাশ তুলেছে ফণা।
শামলা শালুক দুলছে জলে আনন্দে মশগুল,
দিনে রাতে সুরভি ছড়ায় নানান রঙের ফুল।
মনের সুখে ধোরো গান না হয়ে নিষ্ঠুর।
ভোর হলেই খুলবে দ্বার, আসবে দশভুজা,
অসুর নিধন কবেই হল! হবে শুধু পূজা।
আচারবিচার সঠিক হলে, থাকে না ব্যাভিচার।
মাকে এবার সবাই বলো, শুভবুদ্ধি দাও,
থাকবো মোরা পরম সুখে তুমি যদি চাও।
No comments:
Post a Comment