অমিতাভ গুপ্ত সংখ্যা | কবিতা
কালাপানি
প্রতিটি বাড়িতে
বাড়িতে সার্ভে করার পর বিশিষ্ট সাংবাদিক জয়দীপ সান্যাল বললেন— আজ স্বামী-স্ত্রীর
সঙ্গে সম্পর্ক সাপে নেউলে, স্বাধীনতা যেদিন
স্বেচ্ছাচারিতায় রূপান্তরিত হল সেদিন থেকেই
এর শুরু, আজ এই সব সামাজিক অবক্ষয় চূড়ান্ত
ভীতিপ্রদ এবং পরিণামে প্রহেলিকাময়...
যত রাত বাড়ে প্রতীকি ডেসিবেলে বাড়ে শব্দের ঝংকার... উভয়ের চক্ষু নীল, এ ওকে
অপবিত্র বলে
দৈব রোষে ভীষণ অনর্থের শিকার তখন নির্বাক শিশুরা... সুবেশা নারী বলে পুরুষের
মরীচিকা
থেকে যত দূরে থাকা যায় ততই মঙ্গল...
মনের মালিন্য থেকে দূরে এক সময়ের বেটার হাফ
পুরুষটি ভাবে উচ্চাকাঙ্ক্ষী নারীর তৃপ্তিহীন ঠোঁট থেকে অর্ধমৃত ইঁদুরের মতো খসে
পড়ার কোনো মানে হয় না
এই বিষয়েই টিভির স্ক্রিনে ফুটে উঠেছে মনোবিজ্ঞানীদের
কিছু নেই।
বাবা-মায়ের ভালবাসা থেকে বঞ্চিত অসম্ভব মেধাবী
ছেলেময়েরা সফল ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার ব্যারিস্টার
রাজনীতিবিদ হচ্ছে, অথচ তাদের মনের মধ্যে যে গভীর গোপন বেদনা ক্ষত সৃষ্টি করল তার হিসেব কেউ কি দিতে পারবে... তাহলে সভ্যতাও কী নিয়তি
নিয়ন্ত্রিত? জনশূন্য দ্বীপে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পরিত্যক্ত এবং নির্বাসিত বিশেষ প্রাণী ছাড়া কিছু নয়...
চতুর্দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যার ঘোর কালাপানির লহর

No comments:
Post a Comment