বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/গল্পাণু/২য় বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/শারদ/১১ই আশ্বিন,
১৪৩১
শারদ | গল্পাণু
অঞ্জনা মজুমদার
শিউলি
"দাদু বললেন, বৌমা কেউ ওদের আজ কিছু বলবে না। ওদের জন্যই একটা ছোট্ট প্রাণ বাঁচল। ঠাম্মা কপালে জোড়হাত করে বললেন, সবই মা দুর্গার আশীর্বাদ।"
আজ দুর্গা অষ্টমী। রাণুবেণু শিউলি কুড়োত
ভোরবেলায়।
শিউলিতলা ফুলে ফুলে সাদা। তাড়াতাড়ি যেতে হবে। নাহলে বাচ্চু বিচ্ছু সব ফুল নিয়ে নেবে।
দেখেছ! দুভাই আগেই চলে এসেছে।
শিউলিতলা ফুলে ফুলে সাদা। তাড়াতাড়ি যেতে হবে। নাহলে বাচ্চু বিচ্ছু সব ফুল নিয়ে নেবে।
দেখেছ! দুভাই আগেই চলে এসেছে।
হঠাৎই বিচ্ছু উঃ দাদা কী কামড়াল। বলেই ফুলের ওপর ঢলে পড়ে গেল।
দুবোন চিৎকার করে ছুটে এলো। কালো একটা
কিছু সরসর করে চলে গেল।
ওদের চেঁচামেচিতে বাড়ির সবাই ছুটে এলেন।
ডাক্তারকাকু বললেন, সাপের কামড়। হসপিটালে নিতে হবে।
সবাই হসপিটালে ছুটল।
ঠিক সময়ে অ্যান্টিভেনাম দেওয়ায় বিচ্ছু চোখ মেলে চাইলে।
দাদু বললেন, বৌমা কেউ ওদের আজ কিছু বলবে না। ওদের জন্যই একটা ছোট্ট প্রাণ বাঁচল। ঠাম্মা কপালে জোড়হাত করে বললেন, সবই মা দুর্গার আশীর্বাদ।
ওদের চেঁচামেচিতে বাড়ির সবাই ছুটে এলেন।
ডাক্তারকাকু বললেন, সাপের কামড়। হসপিটালে নিতে হবে।
ঠিক সময়ে অ্যান্টিভেনাম দেওয়ায় বিচ্ছু চোখ মেলে চাইলে।
দাদু বললেন, বৌমা কেউ ওদের আজ কিছু বলবে না। ওদের জন্যই একটা ছোট্ট প্রাণ বাঁচল। ঠাম্মা কপালে জোড়হাত করে বললেন, সবই মা দুর্গার আশীর্বাদ।
***

No comments:
Post a Comment