বাতায়ন/নারী না পুরুষ/কবিতাণু/৪র্থ
বর্ষ/১০ম সংখ্যা/৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩
নারী না পুরুষ
কবিতাণু
সলিল মুখোপাধ্যায়
সিংহ আর বেড়াল
১
লাল চোখ, লম্ফঝম্প,
বুক
কাঁপানো গর্জন।
সেই দোর্দণ্ডপ্রতাপ সিংহ—
সাজঘরে সাজ খুলে বেড়াল।
বেশ আর মঞ্চ পেলে নিখুঁত অভিনয়ে
বেড়ালও সিংহ হয়।
২
সারাদিন সে গর্জন করত,
মানুষ
ভাবত, অরণ্যরাজ এসেছে।
কিন্তু খেলা দেখানোর আগে
এবং শেষে খাঁচায়
সে থাকত বেড়ালের মতো,
নির্দেশের
অপেক্ষায়, কারণ—
সার্কাসে সিংহও স্বাধীন নয়।
৩
কাজের জায়গায় যে ঈশ্বর, বা সিংহ—
ফিরে এসে সব তরঙ্গ থেমে গেলে সে যখন
একাকী মনের গহিনে দৃষ্টির আলো ফেলে—
ভেতরের ক্ষুদ্র প্রাণীটির মুখোমুখি হয়,
তখন
প্রতিপত্তি, তর্জন-গর্জন—
এসব কোথাও কিচ্ছু নেই।
৪
তুমি যাকে এত ভয় পাও,
দেখো, সে হয়তো ভীষণ একা।
তার যত গর্জন, তা
নিজেকে আড়াল করার কৌশল।
কেউ কেউ মাঝে মাঝে
গুরুত্ব না পেয়ে সিংহ সাজে।
কারণ,
বেড়ালকে
কেউ পাত্তা দেয় না।
নারী না পুরুষ
কবিতাণু
সলিল মুখোপাধ্যায়
সিংহ আর বেড়াল
লাল চোখ, লম্ফঝম্প,
সেই দোর্দণ্ডপ্রতাপ সিংহ—
সাজঘরে সাজ খুলে বেড়াল।
বেশ আর মঞ্চ পেলে নিখুঁত অভিনয়ে
বেড়ালও সিংহ হয়।
সারাদিন সে গর্জন করত,
কিন্তু খেলা দেখানোর আগে
এবং শেষে খাঁচায়
সে থাকত বেড়ালের মতো,
সার্কাসে সিংহও স্বাধীন নয়।
কাজের জায়গায় যে ঈশ্বর, বা সিংহ—
ফিরে এসে সব তরঙ্গ থেমে গেলে সে যখন
একাকী মনের গহিনে দৃষ্টির আলো ফেলে—
ভেতরের ক্ষুদ্র প্রাণীটির মুখোমুখি হয়,
এসব কোথাও কিচ্ছু নেই।
তুমি যাকে এত ভয় পাও,
তার যত গর্জন, তা
নিজেকে আড়াল করার কৌশল।
কেউ কেউ মাঝে মাঝে
গুরুত্ব না পেয়ে সিংহ সাজে।
কারণ,

No comments:
Post a Comment