বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/গল্পাণু/২য়
বর্ষ/৩য়/বীথি চট্টোপাধ্যায় সংখ্যা/১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১
গল্পাণু
কমলকুমার মণ্ডল
টুকুন সোনা
নিশা একমনে মোবাইল দেখছিল। টুকুন বারবার বিরক্ত করছিল নিশাকে।
সে চাইছিল মা তারদিকে মনোযোগ দিক। নিশা বিরক্ত হয়ে ছেলেকে ধমক দিয়ে নিজের কাজ
করতে উঠে যায়। বেজার মুখে টুকুন আপন মনে খেলতে থাকে।
মা-ছেলের রোজগার এই খুনসুটি চলতে থাকে। ধীরে ধীরে টুকুন একদিন,
দুদিন করে মোবাইল স্ক্রিনের প্রতি আসক্ত হতে থাকে। সুযোগ পেলেই সে লুকিয়ে মোবাইল
গেম খেলতে শুরু করে।
একদিন নিশার ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে। ছেলেকে মোবাইলে গেম খেলতে দেখে ভীষণ রেগে গিয়ে মারধর করে। দুচোখ দিয়ে অঝোরে অশ্রু ঝরতে থাকে টুকুনের। ফুঁপিয়ে কাঁদতে কাঁদতে মায়ের কাছে গিয়ে বলে- বড়দের দেখে ছোটদের বুঝি ইচ্ছে করে না মোবাইল দেখতে।
নিশা বুকের মধ্যে জাপটে ধরে ছেলেকে। মনেমনে বলে- আর এমনটি হবে না সোনা। তোর সামনে আজ থেকে আমি আর মোবাইল দেখব না।
একদিন নিশার ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে। ছেলেকে মোবাইলে গেম খেলতে দেখে ভীষণ রেগে গিয়ে মারধর করে। দুচোখ দিয়ে অঝোরে অশ্রু ঝরতে থাকে টুকুনের। ফুঁপিয়ে কাঁদতে কাঁদতে মায়ের কাছে গিয়ে বলে- বড়দের দেখে ছোটদের বুঝি ইচ্ছে করে না মোবাইল দেখতে।
নিশা বুকের মধ্যে জাপটে ধরে ছেলেকে। মনেমনে বলে- আর এমনটি হবে না সোনা। তোর সামনে আজ থেকে আমি আর মোবাইল দেখব না।
সমাপ্ত

বাহ
ReplyDeleteশিক্ষনীয়
ReplyDelete