বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/গল্পাণু/২য় বর্ষ/৯ম/অমিতাভ গুপ্ত সংখ্যা/১৮ই
শ্রাবণ, ১৪৩১
অমিতাভ গুপ্ত সংখ্যা | গল্পাণু
মাখনলাল প্রধান
ইরা
"কোহিনুর তার অঙ্কটা বুঝে নিচ্ছিল। দেবদাস, বেণুগোপাল বেশ এগিয়ে এসেছে। আমি হেঁটেই চলেছি। আমাকে এগিয়ে যেতেই হবে। ইরার সঙ্গে দেখা।
বলল - দেখে পথ চলিস।"
ইরা যেদিন বলল - তোর জন্য হিংসে হয়।
আমি সেদিন প্রথম ভাবতে বসলাম। কচু পাতায় যেন প্রথম বৃষ্টির ফোঁটা বাতাসের ছেলেখেলায় খিলখিলিয়ে হাসছে।
আমি সেদিন প্রথম ভাবতে বসলাম। কচু পাতায় যেন প্রথম বৃষ্টির ফোঁটা বাতাসের ছেলেখেলায় খিলখিলিয়ে হাসছে।
- অঙ্কের খাতাটা দিবি। বলে চেয়ে নিল কোহিনুর।
রাস্তায় মাঝে কথার ঝাঁঝে ধাক্কা দিল দেবদাস।
রাস্তায় মাঝে কথার ঝাঁঝে ধাক্কা দিল দেবদাস।
অঙ্কের খাতাটা যেতে-আসতে থাকল। ইরা বলেছিল - তুই বায়োলজি
একদম বুঝিস না।
কোহিনুর তার অঙ্কটা বুঝে নিচ্ছিল। দেবদাস, বেণুগোপাল
বেশ এগিয়ে এসেছে। আমি হেঁটেই চলেছি। আমাকে এগিয়ে যেতেই হবে। ইরার সঙ্গে দেখা।
বলল - দেখে পথ চলিস। আবার বলল - তোর জন্য দুঃখ হয় রে!
বলল - দেখে পথ চলিস। আবার বলল - তোর জন্য দুঃখ হয় রে!
আমি ফিরে দেখলাম। ইরাকে আমার পাকিস্তান বলে মনে হল।
***

No comments:
Post a Comment