বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/কবিতা/২য় বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/শারদ/১১ই আশ্বিন,
১৪৩১
শারদ | কবিতা
শঙ্খ ভট্টাচার্য
ক্ষুধা
ক্ষুধার্ত শিশুর দল তাকিয়ে থাকে কেতাদুরস্ত রেস্তোরাঁর জানলায়
তীক্ষ্ণ নজর রাখে বাহারি প্লেটের দিকে লোভনীয় খাবারে
নজর ঘোরায় রাস্তার ফেলে দেওয়া সোলার বাটিতে, কাগজের থালার উচ্ছিষ্টে
আক্রোশে তাকায় লেজনাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী নেড়ি কুত্তার দিকে।
অভুক্ত শিশুর দল, হাত পেতে দাঁড়ায় নানান কায়দায়
ছুটে বেড়ায় এ-মাথা থেকে ও-মাথা নাছোড়বান্দা, বেপরোয়া...
আঁচড় কাটে দামি গাড়ির গায়ে বদ্ধ-গাড়ির কাঁচ যদি নামে...
থমকে থাকা রাস্তার লাল সিগনালে!
অগণিত শিশু তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে, গিলে খাচ্ছে ওদের জ্বলন্ত ক্ষুধার ক্ষোভে
উচ্চবিত্তের উদবৃত্ত খাবার আজ-কাল-পরশু ফ্রিজে ধীরে ধীরে পচবে
দুদিন বাদে খাবার অযোগ্য হয়ে স্থান নেবে পাড়ার দুর্গন্ধযুক্ত উপচেপড়া আবর্জনায়
অথবা সরকারি ভ্যাটে মুখবন্ধ প্লাস্টিক প্যাকেটে।
জ্বলন্ত ক্ষুধার বিশ্বে অভুক্ত শিশুর চোখের সামনে, ক্ষুধিতের অভিশাপে
পূর্ণিমার রাতের চাঁদের হাসিটা আজও নীরস গদ্যময়... ঝলসানো আধপোড়া রুটি!
তীক্ষ্ণ নজর রাখে বাহারি প্লেটের দিকে লোভনীয় খাবারে
নজর ঘোরায় রাস্তার ফেলে দেওয়া সোলার বাটিতে, কাগজের থালার উচ্ছিষ্টে
আক্রোশে তাকায় লেজনাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী নেড়ি কুত্তার দিকে।
ছুটে বেড়ায় এ-মাথা থেকে ও-মাথা নাছোড়বান্দা, বেপরোয়া...
উচ্চবিত্তের উদবৃত্ত খাবার আজ-কাল-পরশু ফ্রিজে ধীরে ধীরে পচবে
দুদিন বাদে খাবার অযোগ্য হয়ে স্থান নেবে পাড়ার দুর্গন্ধযুক্ত উপচেপড়া আবর্জনায়
অথবা সরকারি ভ্যাটে মুখবন্ধ প্লাস্টিক প্যাকেটে।
পূর্ণিমার রাতের চাঁদের হাসিটা আজও নীরস গদ্যময়... ঝলসানো আধপোড়া রুটি!

Excellent!
ReplyDeleteক্ষুধিত পাষাণের অব্যক্ত যন্ত্রণা তোমার রচিত এ কবিতাটিতে তাঁর বাঙ্ময়তা খুঁজে পেয়েছে,বন্ধুবর।
ReplyDeleteSuperbly strung canvassing the reality to a T. Well composed.
ReplyDeleteSuperbly stringed to canvas the real scenario . Well composed
ReplyDeleteVery touching!
ReplyDeleteYou have been able to emote the pathos through your words.
Excellent
ReplyDeleteচোখের সামনে ছোটবেলায় দেখা কিছু দৃশ্য ভেসে উঠলো, আমার ফেলে দেওয়া আইসক্রিমের কাপ তুলে চেটে খাচ্ছে
ReplyDelete