বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/গল্পাণু/২য়
বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/শারদ/১১ই আশ্বিন, ১৪৩১
শারদ | গল্পাণু
সুতপা ঘোষ
বাঁচার শর্ত
"মায়ের চলে যাওয়ার খবর পেয়ে বাড়ি ফিরল তন্ময়। বরের সঙ্গে নন্দিনীকেও এবার পাড়ি জমাতে হবে বিদেশে। বেঁকে বসল নন্দিনী। 'কী করে যাই! এখানকার অসহায় মানুষগুলো আমায় বেঁধে রেখেছে যে!’"
বাবার পছন্দের উপযুক্ত
পাত্রের সঙ্গে বিয়ে হয়ে গেল নন্দিনীর। বিয়ের দুমাস বাদেই চাকরিতে বেটার অফার পেয়ে
দেশ ছাড়ল তন্ময়। নন্দিনীর মতামতের তোয়াক্কা করাটা এক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি হয়ে যেত।
অসুস্থ শাশুড়িকে দেখাশোনার
পাশাপাশি বাড়িতেই চেম্বার খুলল নন্দিনী। গ্রামের গরিব মানুষগুলোর কাছে
ডাক্তারদিদিই এখন 'মা সর্বমঙ্গলা'।
নন্দিনীর বাবা ডাক্তার। মেয়ে না চাইলেও তাকেও ডাক্তারিই পড়িয়েছেন। সেই ডাক্তারি
বিদ্যেই এখন গ্রামবাসীর ভরসা, নন্দিনীর আশ্রয়।
মায়ের চলে যাওয়ার খবর পেয়ে
বাড়ি ফিরল তন্ময়। বরের সঙ্গে নন্দিনীকেও এবার পাড়ি জমাতে হবে বিদেশে।
বেঁকে বসল নন্দিনী। 'কী করে যাই! এখানকার অসহায়
মানুষগুলো আমায় বেঁধে রেখেছে যে!’
এদের ভালবাসার টানেই নন্দিনী
চিনেছে আজ স্বাধীনতা। শিখেছে নিজের শর্তে বাঁচতে।
***

খুব সুন্দর হয়েছে 👏
ReplyDelete