মোহন
রায়হান সংখ্যা | ছোটগল্প
নিধি রাম
মাজী
ভাগ্যের ফাঁদে
"তন্ময়কে কিছু না বলে একটু অফ মুডে ছিল, ভেবেছিল কাজ মিটে গেলে এই বিষয়ে তন্ময়ের সাথে কথা বলবে। কিন্তু আগুনে ঘৃতাহুতি হলো যখন, পাপড়ি সারপ্রাইজ দেবে বলে কিছু না বলে একটা দামী গিফট নিয়ে সোজা তন্ময়ের বাড়ি এসে হাজির।"
-হ্যালো,
বাবা আমি তন্ময় বলছি।
-বলো
-বলছি, বাবা শুভশ্রীকে একটু ফোনটা দিন-না, মেয়েটার গলা খুব শুনতে ইচ্ছে করছে।
-কে, ফোন করেছে বাবা?
-তন্ময় শুভর সাথে কথা বলতে চাইছে।
-বলো
-বলছি, বাবা শুভশ্রীকে একটু ফোনটা দিন-না, মেয়েটার গলা খুব শুনতে ইচ্ছে করছে।
-কে, ফোন করেছে বাবা?
-ওকে বলে দাও বলা যাবে না, প্রেম করার আগে আগে চিন্তা করলে ভাল
হতো।
-পাপানের ফোন দাও-না দাদান কথা বলি কতদিন পাপানকে দেখিনি, কথা বলিনি, খুব কথা বলতে ইচ্ছা করছে।
-না শুভ চলো বেইমানের সাথে আমাদের কথা নেই।
-মা, তোমাদের ঝগড়া মিটিয়ে নাও-না মা। তাহলে আমি পাপান-তোমার দুজনেরই আদর পাই। আমার খুব ইচ্ছা করছে এই বারের কালীপুজো পাপানের কোলে চড়ে তোমার হাত ধরে দেখব।
শুভশ্রীর এখন সাড়ে ছয়। ঘটনার সুত্রপাত শুভশ্রীর পাঁচ বছরের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে। তন্ময়ের কিশোরবেলার বান্ধবী পাপড়ি, হঠাৎ তন্ময়কে ভিডিও কলিং করে, ফোনটা বৃষ্টি রিসিভ করে।
কে বলছেন, কাকে চাইছেন?
আমি পাপড়ি
তুমি আমাকে চিনবে না। তুমি কি তন্ময়ের বৌ? হ্যাঁ, বলুন কী বলছেন?
বা! তুমি
তো খুব সুন্দরী।
-আমাকে বলা যাবে না তন্ময়কে দেবো? ও একটু ব্যস্ত।
-শোনই-না তোমার সাথেই দুটো কথা বলি।
-বলুন একটু তাড়াতাড়ি, আমিও ব্যস্ত।
-আচ্ছা তোমাদের কিছু আছে? আজকে ব্যস্ত এত
-হ্যাঁ আমার একমাত্র মেয়ে, শুভশ্রীর আজকে জন্মদিন।
-ওবাবা, আজকে খুবই আনন্দের দিন তোমাদের, আমারও।
-কেন, আপনার কেন?
-কারণ তোমার
জায়গায় আজকে আমি থাকতাম।
-ও তাই নাকি এই বলে বৃষ্টি ফোনটা কেটে দিল।
তন্ময়কে কিছু না বলে একটু অফ মুডে ছিল, ভেবেছিল কাজ মিটে গেলে এই বিষয়ে তন্ময়ের সাথে কথা বলবে। কিন্তু আগুনে ঘৃতাহুতি হলো যখন, পাপড়ি সারপ্রাইজ দেবে বলে কিছু না বলে একটা দামী গিফট নিয়ে সোজা
তন্ময়ের বাড়ি এসে হাজির। পাপড়ি একসপ্তা আগে জার্মানি থেকে ফিরে এক বন্ধুর কাছে তন্ময়ের ফোন নম্বর বাড়ির ঠিকানা জোগাড় করেছিল।
তন্ময়ের সাথে পাপড়ির বন্ধুত্ব ছিল স্কুল জীবনে। তন্ময়ের থেকে পাপড়িরা ছিল অনেক ধনী। পাপড়ির বিয়ের কথা হলে পাপড়ি বলল আমি তন্ময়কে ভালবাসি ওকেই বিয়ে করব। কিন্তু পাপড়ির বাবা বিয়ে অন্য জায়গায় দেয়। পাপড়ি জার্মানিতে থাকে। কবে এসেছে এ সবের বিন্দুবিসর্গ জানত না তন্ময়। হঠাৎ পাপড়ি এসে পড়ায় তন্ময় যেমন আশ্চর্য হলো তেমনি আনন্দ পেলো। শুধু বৃষ্টির মুখ ভার হলো। পরে এই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর বিবাদ চরম পর্যায়ে গিয়ে ডিভোর্স। নাবালিকা শুভশ্রীর মায়ের কাছে থাকার রায় হলো। মেয়েটা বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হলো আর নির্দোষ তন্ময় আদরের শুভর গলার স্বর শোনার জন্য আর একটু দেখার জন্য পাগলের মতো হয়ে উঠল।
-পাপানের ফোন দাও-না দাদান কথা বলি কতদিন পাপানকে দেখিনি, কথা বলিনি, খুব কথা বলতে ইচ্ছা করছে।
-না শুভ চলো বেইমানের সাথে আমাদের কথা নেই।
-মা, তোমাদের ঝগড়া মিটিয়ে নাও-না মা। তাহলে আমি পাপান-তোমার দুজনেরই আদর পাই। আমার খুব ইচ্ছা করছে এই বারের কালীপুজো পাপানের কোলে চড়ে তোমার হাত ধরে দেখব।
শুভশ্রীর এখন সাড়ে ছয়। ঘটনার সুত্রপাত শুভশ্রীর পাঁচ বছরের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে। তন্ময়ের কিশোরবেলার বান্ধবী পাপড়ি, হঠাৎ তন্ময়কে ভিডিও কলিং করে, ফোনটা বৃষ্টি রিসিভ করে।
কে বলছেন, কাকে চাইছেন?
তো খুব সুন্দরী।
-আমাকে বলা যাবে না তন্ময়কে দেবো? ও একটু ব্যস্ত।
-শোনই-না তোমার সাথেই দুটো কথা বলি।
-বলুন একটু তাড়াতাড়ি, আমিও ব্যস্ত।
-আচ্ছা তোমাদের কিছু আছে? আজকে ব্যস্ত এত
-হ্যাঁ আমার একমাত্র মেয়ে, শুভশ্রীর আজকে জন্মদিন।
-ওবাবা, আজকে খুবই আনন্দের দিন তোমাদের, আমারও।
-কেন, আপনার কেন?
-ও তাই নাকি এই বলে বৃষ্টি ফোনটা কেটে দিল।
তন্ময়কে কিছু না বলে একটু অফ মুডে ছিল, ভেবেছিল কাজ মিটে গেলে এই বিষয়ে তন্ময়ের সাথে কথা বলবে। কিন্তু আগুনে ঘৃতাহুতি হলো যখন, পাপড়ি সারপ্রাইজ দেবে বলে কিছু না বলে একটা দামী গিফট নিয়ে সোজা
তন্ময়ের বাড়ি এসে হাজির। পাপড়ি একসপ্তা আগে জার্মানি থেকে ফিরে এক বন্ধুর কাছে তন্ময়ের ফোন নম্বর বাড়ির ঠিকানা জোগাড় করেছিল।
তন্ময়ের সাথে পাপড়ির বন্ধুত্ব ছিল স্কুল জীবনে। তন্ময়ের থেকে পাপড়িরা ছিল অনেক ধনী। পাপড়ির বিয়ের কথা হলে পাপড়ি বলল আমি তন্ময়কে ভালবাসি ওকেই বিয়ে করব। কিন্তু পাপড়ির বাবা বিয়ে অন্য জায়গায় দেয়। পাপড়ি জার্মানিতে থাকে। কবে এসেছে এ সবের বিন্দুবিসর্গ জানত না তন্ময়। হঠাৎ পাপড়ি এসে পড়ায় তন্ময় যেমন আশ্চর্য হলো তেমনি আনন্দ পেলো। শুধু বৃষ্টির মুখ ভার হলো। পরে এই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর বিবাদ চরম পর্যায়ে গিয়ে ডিভোর্স। নাবালিকা শুভশ্রীর মায়ের কাছে থাকার রায় হলো। মেয়েটা বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হলো আর নির্দোষ তন্ময় আদরের শুভর গলার স্বর শোনার জন্য আর একটু দেখার জন্য পাগলের মতো হয়ে উঠল।
সমাপ্ত

অনন্য
ReplyDeleteপরাণ মাঝি