বাতায়ন/মাসিক/গল্পাণু/২য় বর্ষ/২৮তম সংখ্যা/২রা
ফাল্গুন, ১৪৩১
অমরেন্দ্র চক্রবর্তী সংখ্যা | গল্পাণু
অর্পিতা দাস
অন্বেষণ
অর্পিতা দাস
"ভিড়ের মধ্যেই কেউ বলে ওঠে— বাবুসাব, উদের কাছে শরীর হইলেই হইল... বেচারি কী কষ্টটাই না পাইয়েছে! সোহম অসহিষ্ণু কণ্ঠে— তোমরা পুলিশে খবর দাওনি?"
জব্বর শীত পড়েছে, রাস্তাঘাট শুনসান। একটা জায়গায় লোকসমাগম দেখে সোহম গাড়ি থেকে নেমে পড়ে। ভিড়ের মধ্যে সবাইকে হা-হুতাশ করতে দেখে আরেকটু ঠেলে এক্কেবারে সামনে এসে চোখ বন্ধ করে ফ্যালে। শেষে গায়ের জ্যাকেটটা
খুলে খুবলে খাওয়া দেহটা ঢেকে দেয়। ভিড়ের মধ্যেই কেউ বলে ওঠে— বাবুসাব,
উদের কাছে শরীর হইলেই হইল... বেচারি কী কষ্টটাই না পাইয়েছে!
সোহম অসহিষ্ণু কণ্ঠে— তোমরা পুলিশে খবর দাওনি?
ভিড়ের মধ্যেই আবার— ইটা বস্তি, ইখানে পুলিশ ক্যানে, শকুনও ছায়া ফ্যালে না
—তাহলে?
—চান্দা
তুইলে...
সোহম নিজেকে সামলে নিয়ে— পোস্টমর্টাম হবে না?
তাচ্ছিল্যের হাসিতে কেউ— উই যে কইলাম...
সোহম বিমর্ষ চিত্তে আকাশের দিকে একবার তাকিয়ে পথ হাতড়াতে থাকে...
সোহম অসহিষ্ণু কণ্ঠে— তোমরা পুলিশে খবর দাওনি?
ভিড়ের মধ্যেই আবার— ইটা বস্তি, ইখানে পুলিশ ক্যানে, শকুনও ছায়া ফ্যালে না
—তাহলে?
সোহম নিজেকে সামলে নিয়ে— পোস্টমর্টাম হবে না?
তাচ্ছিল্যের হাসিতে কেউ— উই যে কইলাম...
সোহম বিমর্ষ চিত্তে আকাশের দিকে একবার তাকিয়ে পথ হাতড়াতে থাকে...
সমাপ্ত

No comments:
Post a Comment