বাতায়ন/শারদ/কবিতা/৩য় বর্ষ/২২তম সংখ্যা/১লা আশ্বিন, ১৪৩২
শারদ | কবিতা
দীপশিখা পোদ্দার
গন্ধ পরেছি খুব। এক-শাড়ি
ঝলমলে ফুল
পরেছি তরুণ সন্ধ্যায়।
স্টেশনে ঢোকার মুখে এক কোণে দাঁড়িয়ে রয়েছি ঠায়।
শুঁকে শুঁকে চলে যাচ্ছে ওরা। দামে পোষালো না!
আর কত কম করলে পোষাবে বলো তো বাপ!
এ পৃথিবী এখনও তো ঠিক করে দেয়নি কোনও অন্ধকারের নির্ধারিত রেট!
রেট ঠিক করা ছিল না বলেই
একগ্রাম লোক সাক্ষী করা রাত চলে গেল বৃথা...
চলে গেল শুভদৃষ্টি, স্বজন বাতাস...
বাবুমশায় গো
একটা জীবন তো দিচ্ছি তোমাদের!
একটা গোটা সমাজ দিয়ে দিচ্ছি,
যেখানে আমি আর কোনও দিন গিয়ে
দাঁড়াবো না।
দামাদামি কোরো না আর,
দু' দুটো কচি মুখ জানলায় তাকিয়ে আছে,
অন্ধকার ঘর,
আমি ফিরে লন্ঠন জ্বালালে
ওরা পড়তে বসবে।
শারদ | কবিতা
দীপশিখা পোদ্দার
পুস্তক
পরেছি তরুণ সন্ধ্যায়।
স্টেশনে ঢোকার মুখে এক কোণে দাঁড়িয়ে রয়েছি ঠায়।
শুঁকে শুঁকে চলে যাচ্ছে ওরা। দামে পোষালো না!
আর কত কম করলে পোষাবে বলো তো বাপ!
এ পৃথিবী এখনও তো ঠিক করে দেয়নি কোনও অন্ধকারের নির্ধারিত রেট!
রেট ঠিক করা ছিল না বলেই
একগ্রাম লোক সাক্ষী করা রাত চলে গেল বৃথা...
চলে গেল শুভদৃষ্টি, স্বজন বাতাস...
বাবুমশায় গো
একটা জীবন তো দিচ্ছি তোমাদের!
একটা গোটা সমাজ দিয়ে দিচ্ছি,
দামাদামি কোরো না আর,
ওরা পড়তে বসবে।

No comments:
Post a Comment