রম্যরচনা
প্রদীপ কুমার দে
রসের জুটি
ধারাবাহিক— ৩
"-আমি বুক করে রাখব। বিয়ে করব। না হলে পরে যদি অন্য কেউ বিয়ে করে নেয়?
হো হো হাসিতে ঘর ভরে আওয়াজ বাইরে বেরিয়ে যায়। মা মজা দেখতে চলে আসে।"
-কী ব্যাপার? আমি এলাম অথচ তুমি
খুশি হলে না কেন?
-না আমার মন ভাল নেই।
-কেন গো সাহেব?
-বোঝো না? আমার একা একা ভাল
লাগে না, দাদা কী সুন্দর সাথী
পেয়ে গেল।
-ওমা! কী করে বুঝলে আমি সুন্দর সাথী?
-সেতো দেখলেই বোঝা যায়। আচ্ছা তুমি তো এক মেয়ে, তা তোমাদের গ্রামে আর কেউ দেখতে সুন্দর মেয়ে নেই?
-অনেক আছে। তা তুমি কী করবে?
-আমি বুক করে রাখব। বিয়ে করব। না হলে পরে যদি অন্য কেউ বিয়ে
করে নেয়?
হো হো হাসিতে ঘর ভরে আওয়াজ
বাইরে বেরিয়ে যায়। মা মজা দেখতে চলে আসে।
-কী মজা হচ্ছে তোমাদের দেওর বৌদির?
বৌমা হেসে লুটোপুটি খায়,
-মা, এবার ছোট ছেলের বিয়ে দিতেই হবে?
মা মুখ ভেংচে বলে,
-কে করবে ওকে বিয়ে?
রোজগার
করে?
ভ্যাবলা মাকে জড়িয়ে ধরে,
-কেন মা এমন করো?
সব্বাই তো
খাচ্ছ আর একজন বাড়লে, সে খেলে কি কম পড়ে
যাবে?
মা আর বৌমা হাসতে হাসতে
পালায়।
ওদিকে সাইকেলের দোকান বন্ধ
করে নতুন বৌয়ের লোভে বাড়ি ফিরে আসে হ্যাবলা,
-কী হল তোমরা এত হাসাহাসি কেন করছ?
মায়ের চক্ষু ছানাবড়া,
-ওমা, তুই এত তাড়াতাড়ি? দোকান বন্ধ করে দিলি?
-না, মা, শরীর ভাল লাগছে না তাই!
মা অবাক,
-সব বুঝি বাবা আমার!
বৌমা লজ্জায় লাল হয়ে যায়।
হ্যাবলার খুব ইচ্ছে হয় আদরকে জড়িয়ে ধরতে,
পারে না
লজ্জায়...
ক্রমশ

সকলের জন্য রইল আমার আন্তরিক ভালবাসা, আনন্দে থাকুন। হাসিয়ে খুশি হতে চায় আমার রম্য কলম 🙏
ReplyDelete