বাতায়ন/চৈতি হাওয়া—নববর্ষ/পর্যালোচনা/৪র্থ বর্ষ/১ম
সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | পর্যালোচনা
কবিতাণু— বিপথে ও অন্যান্য
কবি— পরমেশ্বর গাইন
পর্যালোচক— গৌতম কুমার গুপ্ত
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | পর্যালোচনা
কবিতাণু— বিপথে ও অন্যান্য
কবি— পরমেশ্বর গাইন
পর্যালোচক— গৌতম কুমার গুপ্ত
"‘সুসময়ে’ কবি আশার সঞ্চার ঘটিয়েছেন। সুসময়ের পূর্বে প্রলয়, মৃত্যমুখী রমণীর অচৈতন্য শরীরী ভাষায় নরকের ছায়া, কান্নার কলরোল যন্ত্রণা দুঃসময়ের প্রতীক।"
[কবির নাম না-জেনে শুধু কবিতা ও শিরোনামের ভিত্তিতে এই পর্যালোচনা]
সলতে পোড়া আগুন
চৈত্র চিতার ছাই ওড়া অভিমানের মেঘ
কালো ছায়ায় নেমে আসে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কে
তখন, বেলা শেষে অশ্রু ভেজা বিশ্বাস
অজান্তে সাড়া দেয় রাতের নিশাচর ডাকে…
বুড়িয়ে যাওয়া অপত্য
ভাঙা নৌকার গলুইতে মাঝির দীর্ঘ নিঃশ্বাস
আটকে গেছে কান্না হয়ে
দরিয়ার ঝোড়ো আলাপন ছাপিয়ে।
এ কূল-ও কূল সব কূলে গভীর নীরবতা
মাঝখানে পারের খেয়ায় ধূসর শূন্যতা…
চেয়ে আছে অনন্তকাল
দু’পারের নিষ্ঠুর হৃদয়ে।
সুসময়ে
তখন বজ্রধ্বনির অন্তরালে দেখেছিল প্রলয়…
মৃত্যুমুখী রমণীর অচৈতন্য শরীরী ভাষায়
নরকের ছায়া, কান্নার কলরোল যন্ত্রণায়।
মেঘ কেটে গেছে কালো ওড়না সরিয়ে
রামধনু চেয়ে আছে প্রেয়সীর চোখে
স্নিগ্ধ ধরণির দিকে…
দু’পারের নিষ্ঠুর হৃদয়ে।"
রামধনু চেয়ে আছে প্রেয়সীর চোখে
স্নিগ্ধ ধরণির দিকে…।

No comments:
Post a Comment