বাতায়ন/চৈতি
হাওয়া—নববর্ষ/পর্যালোচনা/৪র্থ বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | পর্যালোচনা
কবিতা— অপেক্ষার প্রহরে
কবি— মালা চক্রবর্তী
পর্যালোচক— প্রদীপ সরকার
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | পর্যালোচনা
কবিতা— অপেক্ষার প্রহরে
কবি— মালা চক্রবর্তী
পর্যালোচক— প্রদীপ সরকার
"টুপ করে ডুব দিয়ে হারিয়ে যাওয়া চাঁদ উৎকৃষ্ট উপমা। রাত, রাতের কৃষ্ণ প্রহর আজন্ম তৃষ্ণার মরুভুমি বুকে পুষে চাঁদের জন্য অপেক্ষা করে।"
যে ভাবে ঠিকানা খুঁজে না পেয়ে
ফিরে যায় চিঠি,
শেষ রাতে ন্যাড়া ডালে আধ খাওয়া চাঁদ
দোল খেতে খেতে হঠাৎ ঝুপ্ করে হারায় দিগন্ত পেছনে ফেলে।
সব যখন ফুরিয়ে যায় তখন রবীন্দ্রনাথ জাগে...
যে প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে কবিতার নির্মাণ সেই প্রেক্ষিতে কারশেডের গাড়ি খুব ভাল উপমান বা উপমেয় নয়, কারণ পরবর্তী সূচিতে কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে আবার সে-পথেই ফিরে আসে বারবার। আপন পথ ও ঠিকানা নির্দিষ্ট ভাবে খুঁজে পায়। ঠিকানা খুঁজে না পাওয়া চিঠি যথার্থ শব্দবন্ধ।
শেষ স্তবকের চারটি পঙ্ক্তি—
আবার রবীন্দ্রনাথ স্মরণ করি, "আমি তোমার বিরহে রহিব বিলীন..."
এখান থেকেই অপেক্ষার জন্ম। যন্ত্রণায় যাপনের নাছোড়বান্দা অভ্যাস।

No comments:
Post a Comment