বাতায়ন/চৈতি
হাওয়া—নববর্ষ/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | কবিতা
শুভদীপ ঘোষ
বজ্রযান
দীর্ঘ দাবদাহের পর
সমুদ্রতীরবর্তী যে তটরেখায় অজ্ঞাতনামা তোমার স্তন প্রথম আমার চোখে পড়ে, সেখানে ছিল একজন মাত্র—একটি নুলিয়া বাচ্চা। তোমার স্তনের
দিকে তাকিয়ে, কিছু বছর আগে মুখ দেওয়া
বোঁটার আকাঙ্ক্ষায় তার মুখ ভরে উঠেছিল দুধে। তাকে কোলে করে ঘরে দিয়ে আসি আমি। ফিরে
এসে দেখি, ব্রেসিয়ার খুলে রাখা তোমার
স্তনদুটি একটি পরিত্যক্ত নৌকায় ছড়িয়ে রয়েছে! প্যান্টিটা ভিজে নুনে সাদা হয়ে আছে।
সম্পূর্ণ দেখার জন্য আমি যখন তোমার একেবারে পাশে এসে দাঁড়াই, দেখি আমাকে ভুলে থাকার অস্থিরতায় তোমার স্তনবৃন্ত দুটি অন্য
কারোর লোভে উঁচু হয়ে আছে! মৃত কোষের মতো লাল এই বালুচরে, যে দেহে মুখ দিলে কিংবা যে যোনিতে হাত দিলে আদিম আদুরে
স্বেচ্ছাচার শুরু হতে পারে, অচিরেই আমি বুঝি তা
তুমি সঞ্চিত করে রেখেছ অন্য পুরুষের জন্য! কে সে? আগামেমনন? উগ্রশ্রবা? নাকি এমন কোনো দৃঢ় সৌষ্ঠব পুরুষ, যার আশ্লেষে তোমার তন্ত্রকাম হবে টইটম্বুর! মনে হবে, ধরিত্রীর এই তটে যেন রাত না হয়, যেন চাঁদ না ওঠে—অনন্ত তোমার এই মনস্কাম সবাই দেখবে, সবাই জানবে, কাকে বলে বজ্রযানী
বালুচর!
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | কবিতা
শুভদীপ ঘোষ

No comments:
Post a Comment