বাতায়ন/চৈতি হাওয়া—নববর্ষ/পর্যালোচনা/৪র্থ বর্ষ/১ম
সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | পর্যালোচনা
কবিতা— বিষবৃক্ষ
কবি— তাজিমুর রহমান
পর্যালোচক— গৌতম কুমার গুপ্ত
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | পর্যালোচনা
কবিতা— বিষবৃক্ষ
কবি— তাজিমুর রহমান
পর্যালোচক— গৌতম কুমার গুপ্ত
"ন’ লাইনের একটি ছোট কবিতা, কিন্তু অন্তর্নিহিত অর্থে কবিতাটির গুরুত্ব কম নয়। বিষবৃক্ষ জন্ম নেয় এই পৃথিবীতে, তার বিষফুল ও ফল মানবসমাজের ক্ষতিকারক সেই অর্থে একটা সর্তকীকরণ সচেতনতা নিহিত আছে।"
[কবির নাম না-জেনে শুধু কবিতা ও শিরোনামের ভিত্তিতে এই পর্যালোচনা]
নিখুঁত আয়োজন, তবু সমাহারের ভেতর থেকে
আর এক সমাহার রং বদলায়
বায়ুকোণ থেকে যে বিষণ্ণতা ক্ষণে ক্ষণে
অচল করে সৌন্দর্যের ক্রিয়া— তার জন্য
এক-একদিন হেঁটে ফেরা যায় দীর্ঘপথ
শুধু আকাশ জুড়ে বেজে উঠুক নূপূরধ্বনি...
সময়ের বাঁকে যে সংলাপগুলি আজও অচেনা
তাকে অচিরেই নস্যাৎ করো
না হলে বুকের আদল ভেঙে জন্ম নেবে বিষবৃক্ষ
ন’ লাইনের একটি
ছোট কবিতা, কিন্তু অন্তর্নিহিত অর্থে
কবিতাটির গুরুত্ব কম নয়। বিষবৃক্ষ জন্ম নেয় এই পৃথিবীতে, তার বিষফুল ও ফল মানবসমাজের ক্ষতিকারক সেই অর্থে একটা
সর্তকীকরণ সচেতনতা নিহিত আছে।
"নিখুঁত আয়োজন, তবু সমাহারের ভেতর থেকে
আর এক সমাহার রং বদলায়।"
মানবজীবন উপভোগ করার বা চালনা
করার আয়োজন আছে রং রূপ আর বৈচিত্রে, তবু তার প্রতিবন্ধকতা আসে, বিষণ্ণতা জন্ম নেয়... তার জন্য শ্রমের সাধনা করা যায় তাই কবির কথায়..
এক-একদিন হেঁটে ফেরা যায়
দীর্ঘপথ। তবু আকাশ জুড়ে নূপূরধ্বনি বেজে উঠুক— কবি সেই শ্রম আর ক্লান্তির লাঘব বা
উৎসাহের বার্তা দিতে চেয়েছেন।
শেষ লাইনগুলিতে একটি সতর্কতার
উপদেশ দিয়েছেন, অচেনা সংলাপ এখানে যে
কথকতায় মানবসমাজের ভীতির সংকেত আছে বলে
মনে হয়েছে, না হলে বুকের (আদল?), (আগল হওয়াই বাঞ্ছনীয়), প্রতিরোধ ভেঙে শয়তান বা দুর্বৃত্তের জন্ম হবে।
কবিতাটি আবেগের বালাই নেই, যথাযথ এবং মেদবর্জিত।
আর এক সমাহার রং বদলায়
বায়ুকোণ থেকে যে বিষণ্ণতা ক্ষণে ক্ষণে
অচল করে সৌন্দর্যের ক্রিয়া— তার জন্য
এক-একদিন হেঁটে ফেরা যায় দীর্ঘপথ
শুধু আকাশ জুড়ে বেজে উঠুক নূপূরধ্বনি...
সময়ের বাঁকে যে সংলাপগুলি আজও অচেনা
তাকে অচিরেই নস্যাৎ করো
না হলে বুকের আদল ভেঙে জন্ম নেবে বিষবৃক্ষ
আর এক সমাহার রং বদলায়।"

No comments:
Post a Comment