বাতায়ন/চৈতি
হাওয়া—নববর্ষ/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩৩
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | কবিতা
অর্পিতা সাহা
সেই
প্রেমিকা
পলাশের আগুন রাঙা লাল রঙে
তখন প্রেমের ছোঁয়া
দুটো মানুষ হেঁটে চলেছে হাত ধরাধরি করে
রাঙা-মাটির পথে মহুয়ার সুবাস মেখে;
একজন নর আর অপরজন তার কাঙ্ক্ষিত নারী
চৈতি হাওয়া ছুঁয়ে যাচ্ছিল মেয়েটির কপালের পাশে থাকা অবিন্যস্ত চুলগুলো—
মেয়েটার ঘামে ভেজা কপালে
উজ্জ্বল লাল টিপ
ছেলেটা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে দেখছিল—
আর মেয়েটা তখন লজ্জাবতী লতা
মুখে লাজুক হাসি।
কবে যেন বসন্ত চলে গেছিল
আর কখনো কোনো চৈতি হাওয়ায়
ওরা এক সাথে রাঙা মাটির পথে
হাত ধরাধরি করে হাঁটেনি;
কখনো প্রেমিকের মুগ্ধ চোখের
দিকে তাকিয়ে লাজুক হাসি হাসেনি।
আসলে মেয়েটা পরে আর প্রেমিকা
থাকেনি
মেয়েটা তখন ধর্ষিতা
যার নাম হারিয়ে যায় নিমেষে
হয়ে যায় কোনো অভয়া কিংবা নির্ভয়া;
যাকে কোনো প্রেমিক মুগ্ধ চোখে
দেখে না
যাকে সমাজ নির্লজ্জ প্রশ্ন করে
সন্দেহ করে ঘেন্না করে।
মেয়েটা এখন নিজের জন্যে বাঁচে
কোনো প্রেমিকের পরোয়া না করে।
চৈতি হাওয়া—নববর্ষ | কবিতা
অর্পিতা সাহা
তখন প্রেমের ছোঁয়া
দুটো মানুষ হেঁটে চলেছে হাত ধরাধরি করে
রাঙা-মাটির পথে মহুয়ার সুবাস মেখে;
চৈতি হাওয়া ছুঁয়ে যাচ্ছিল মেয়েটির কপালের পাশে থাকা অবিন্যস্ত চুলগুলো—
ছেলেটা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে দেখছিল—
মুখে লাজুক হাসি।
আর কখনো কোনো চৈতি হাওয়ায়
ওরা এক সাথে রাঙা মাটির পথে
হাত ধরাধরি করে হাঁটেনি;
দিকে তাকিয়ে লাজুক হাসি হাসেনি।
মেয়েটা তখন ধর্ষিতা
যার নাম হারিয়ে যায় নিমেষে
হয়ে যায় কোনো অভয়া কিংবা নির্ভয়া;
যাকে সমাজ নির্লজ্জ প্রশ্ন করে
সন্দেহ করে ঘেন্না করে।
কোনো প্রেমিকের পরোয়া না করে।

No comments:
Post a Comment