বাতায়ন/শারদীয়া/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
কবিতা
নবনীতা রক্ষিত
শারদীয়ার রঙে মায়ের আগমন
আকাশে
নীল-সাদা মেঘের খেলা, বাতাস জুড়ে শিউলি
সুবাস
শরতের এই আলোয় মাখা স্নিগ্ধ এক নতুন আশ্বাস।
কাশবনের ওই শুভ্র দোলায় জাগল রে আজ অমল সুর
শারদীয়ার পুণ্য ছোঁয়ায় বিষাদ যত হলো যে দূর।
ঢাকের কাঠি বাজল রে ভাই, 'মা এসেছেন মর্ত্যপুরে'
আনন্দের
এই মধুর ধ্বনি ভাসছে সারা জগৎজুড়ে।
দশহাতে তাঁর আশীর্বাদের আলো ছড়ায় ভুবন-মাঝে
নতুন রঙে শহর-গ্রামের প্রতিটি গলি আজকে সাজে।
পিতৃপক্ষের অবসানে দেবীপক্ষের শুরুই শুভ
তর্পণেরই পুণ্য জলে কাটল যা অমঙ্গল সব।
মণ্ডপে আজ আলোর রোশনাই, ধূপ-আরতির মিষ্টি ধোঁয়া
ভক্তির ওই পদ্মফুলের চরণ আজ হৃদয় ছোঁয়া।
নতুন
জামায় সাজল সবাই, হাসির মেলা ঘরে ঘরে
মণ্ডপ হপিং আর আড্ডাতে সময় কাটে আনন্দ ভরে।
ফুচকা খাওয়া, হাতটি ধরা, প্যান্ডেল জুড়ে চেনা ভিড়
উৎসবের এই দিনগুলোতে চঞ্চল হয় যা ছিল স্থির।
অঞ্জলির
ওই সজল চোখে ভক্তি ঢেলে প্রার্থনা হয়
মায়ের হাসির আলোয় যেন অশুভ সব হারিয়ে যায়।
চারটি দিনের রঙের মেলা, কাটুক সবার সুখে-হেসে
সবাই যেন এক হয়ে যায় ভালবাসার শুভ্র বেশে।
বিসর্জনের
ঢাকের সুরে বিজয়া আজ দুয়ারে এসে
কোলাকুলি আর মিষ্টিমুখে কাটুক জীবন ভালবেসে।
আসছে বছর আবার হবে—এই আশাতেই বাঁধি বুক
শারদীয়ার প্রীতি-শুভেচ্ছায় ভরুক সবার মানব-মুখ।
শারদীয়া
কবিতা
নবনীতা রক্ষিত
শারদীয়ার রঙে মায়ের আগমন
শরতের এই আলোয় মাখা স্নিগ্ধ এক নতুন আশ্বাস।
কাশবনের ওই শুভ্র দোলায় জাগল রে আজ অমল সুর
শারদীয়ার পুণ্য ছোঁয়ায় বিষাদ যত হলো যে দূর।
ঢাকের কাঠি বাজল রে ভাই, 'মা এসেছেন মর্ত্যপুরে'
দশহাতে তাঁর আশীর্বাদের আলো ছড়ায় ভুবন-মাঝে
নতুন রঙে শহর-গ্রামের প্রতিটি গলি আজকে সাজে।
পিতৃপক্ষের অবসানে দেবীপক্ষের শুরুই শুভ
তর্পণেরই পুণ্য জলে কাটল যা অমঙ্গল সব।
মণ্ডপে আজ আলোর রোশনাই, ধূপ-আরতির মিষ্টি ধোঁয়া
ভক্তির ওই পদ্মফুলের চরণ আজ হৃদয় ছোঁয়া।
মণ্ডপ হপিং আর আড্ডাতে সময় কাটে আনন্দ ভরে।
ফুচকা খাওয়া, হাতটি ধরা, প্যান্ডেল জুড়ে চেনা ভিড়
উৎসবের এই দিনগুলোতে চঞ্চল হয় যা ছিল স্থির।
মায়ের হাসির আলোয় যেন অশুভ সব হারিয়ে যায়।
চারটি দিনের রঙের মেলা, কাটুক সবার সুখে-হেসে
সবাই যেন এক হয়ে যায় ভালবাসার শুভ্র বেশে।
কোলাকুলি আর মিষ্টিমুখে কাটুক জীবন ভালবেসে।
আসছে বছর আবার হবে—এই আশাতেই বাঁধি বুক
শারদীয়ার প্রীতি-শুভেচ্ছায় ভরুক সবার মানব-মুখ।
No comments:
Post a Comment