বাতায়ন/শারদীয়া/কবিতা/৪র্থ বর্ষ/১৫তম
সংখ্যা/৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩
শারদীয়া
কবিতা
অমিত পাল
নিশপিশ ইচ্ছেরা
আমিও
চোখে চোখ রেখে কিছু কথা বলতে চাই,
কিন্তু
পারিনা।
এই যে আগুন জ্বলছে, ছাই উড়ছে,
তোমার
মতো আমিও পুড়ছি ভেতরে ভেতরে,
কীট-পতঙ্গরাও
দীর্ঘশ্বাসে।
আমিও ওই ঘুণপোকাদের টিপে টিপে মারতে চাই,
কিন্তু
পারিনা।
অথচ কেন পারিনা?
পারতে
তো চাই, আর এই না পারাটাই বা
কম কীসের?
এদের
চোখরাঙানি আমার একদম সহ্য হয়না,
একবার
আঙুল তুলে রক্তচক্ষু দ্যাখাতে পারলেই এরা পিছনে হাঁটবে,
কিন্তু
পারিনা।
শরীরের ভেতর একটা জিহাদ টগবগ করে ফুটতে থাকে,
তবুও
তীব্র শব্দে ফেটে পড়তে পারিনা।
ভেতর থেকে জিভ টেনে ধরে,
মুহূর্তের
মধ্যে ভেতরের বিস্ফোরণ থেমে যায়।
একবার যদি ভগবানের দ্যাখা পেতাম,
ভীষণ
আক্রোশে জিজ্ঞাসা করতাম
দেখতে পাচ্ছনা সমাজটা ঘুণপোকায় ছারখার হয়ে যাচ্ছে?
তুমিও
কী ঘুষখোর?
বলতে
তো ইচ্ছে করে অনেক কিছুই,
কিন্তু
পারিনা।
এসব দেখে চুপ থাকতেও তো পারিনা।
যত ক্ষোভ, ধিক্কার, আন্দোলিত আবাহন সব ভেতরে ভেতরেই,
চোখে
চোখ রেখে একটা শব্দও বার করতে পারিনা।
কিন্তু পারতে তো চাই,
আর এই
না পারাটাই বা কম কীসের?
এভাবেই
নিজেকে ক্ষণিক শান্ত, দৃঢ় রাখি।
আমিও চোখে চোখ রেখে অনেক কথাই বলতে চাই,
অথচ
পারিনা,
ঘুণপোকারা
সামনে এলেই আর পারিনা।
শারদীয়া
কবিতা
অমিত পাল
নিশপিশ ইচ্ছেরা
এই যে আগুন জ্বলছে, ছাই উড়ছে,
আমিও ওই ঘুণপোকাদের টিপে টিপে মারতে চাই,
অথচ কেন পারিনা?
শরীরের ভেতর একটা জিহাদ টগবগ করে ফুটতে থাকে,
ভেতর থেকে জিভ টেনে ধরে,
একবার যদি ভগবানের দ্যাখা পেতাম,
দেখতে পাচ্ছনা সমাজটা ঘুণপোকায় ছারখার হয়ে যাচ্ছে?
এসব দেখে চুপ থাকতেও তো পারিনা।
যত ক্ষোভ, ধিক্কার, আন্দোলিত আবাহন সব ভেতরে ভেতরেই,
কিন্তু পারতে তো চাই,
আমিও চোখে চোখ রেখে অনেক কথাই বলতে চাই,

No comments:
Post a Comment