বাতায়ন/অতিরিক্ত বিশেষ সংখ্যা/মুখর/কবিতা/২য় বর্ষ/১১তম/৩০শে শ্রাবণ,
১৪৩১
মুখর | কবিতা
কল্যাণ গঙ্গোপাধ্যায়
আড়ালে থাকবে না কিছু
নিরাময় ঘরের দেয়ালও জানে নৃশংসতার কথা, তাই
বুঝি ভাঙা শুরু! সব সত্যের মোড়ক খুলবে একদিন,
যারা চিরে ফেলেছে তোমার সত্তা, ঘটনা নতুন নয়
এবার তোমার উপস্থিতি রোজদিনই পোড়াবে
আপস করে বিলিয়ে দাওনি মেধা, তোলাবাজদের হাতে
সোনার তকমা চাওনি তুমি, অর্থের বিনিময়ে, তাই
ওরা তোমাকে যতটা দেখাত ভয়, তুমি তার চেয়ে দৃঢ়,
ইচ্ছাশক্তি আর মনোবল দিয়ে, গড়েছিলে প্রতিরোধ
তোমাকেই হত্যা করাটা ছিল জরুরি, তোমার টাকার
ভাগও পাবে না, অথচ রাজ্য জুড়ে, যত লেনদেন সব
প্রকাশিত হবে! তাই শত ব্যথা দিয়ে, জীবনটা ওরা নিল
আগামী দিনের যোদ্ধারা শুধু মিথ্যের জালে
জড়াবে?
কত যত্নে গোলামেরা আছে খামারে, পোষা জন্তুর মতো
বেহায়া জীবন, চুপ থেকে শুধু এঁটো পাতখানি
চাটে সারাদিন
মান হারিয়ে বেহুঁশ শরীর, পৃথিবী জানবে বেজন্মা বলে!
ওদের যেন বোবায় ধরেছে, কানেও শোনে না, বন্ধ চোখেই হাঁটে
এদিকে উঠছে গর্জন প্রতিদিন, অশনিসংকেত, জমাট বাঁধছে
কল্লোলিনী তিলোত্তমায়, যেখানে বন্য পিশাচের ছায়া,
সেখানে
আগুন জ্বলবে, নির্ভয়া থেকে কামদুনি হয়ে
ঘৃণার গলিত লাভা
গড়াবে আর-জি করে, তোমার মৃত্যু
কখনো হবে না বৃথা
জাগরণ যদি শিরদাঁড়া বেয়ে নামায় শীতল স্রোত,
ত্রাস দেখা যাবে, চোখে মুখে শুধু পালানোর
মায়াখেলা
দাউ দাউ করে জ্বলবে আগুন পাপের সিংহাসনে!
সেখানে বসে, মিথ্যা বলার অবসর পাওয়া যাবে?
জাগরণ যদি শিরদাঁড়া বেয়ে নামায় শীতল স্রোত,
সেখানে বসে, মিথ্যা বলার অবসর পাওয়া যাবে?

চমৎকার প্রতিবাদ- জয়িতা বসাক
ReplyDelete