বাতায়ন/অতিরিক্ত বিশেষ সংখ্যা/মুখর/কবিতা/২য় বর্ষ/১১তম/৩০শে শ্রাবণ,
১৪৩১
মুখর | কবিতা
ডঃ পাপড়ি চট্টোপাধ্যায়
প্রতিবাদ
আমার দেহে কেবল বিষাক্ত যন্ত্রণার ছোবল।
আজ আমার কোনো মন নেই,
নেই কোনো সত্তা—
আমি শুনতে পাচ্ছি আমার মায়ের কান্না
আমি দেখতে পাচ্ছি আমার বাবার হাহাকার
কিন্তু আমার তো মন নেই আজ
তাই ভাবছি না।
তোমরা যারা ছাত্রীরা, শিক্ষিকারা কিংবা
তোমরা যারা ডাক্তার, উকিল, সরকারী অফিসাররা রয়েছ
প্রাক্তন অবসরপ্রাপ্তরা
তোমাদের দুচোখে জ্বালিয়ে নিও প্রতিবাদের আগুন—
তোমাদের ঘৃণার বিষে ওই বিষাক্ত
কাল নাগেরাও হয়ে যাক ছারখার।
আমি নেই তো কী হয়েছে?
আমার মন পুড়ে গেছে, দেহ পিষে গেছে ওই নরখাদকদের আক্রমণে
তো কী হয়েছে?
একজন ভস্মীভূত হয়েছে তো কী হয়েছে?
এরকম কতই রয়েছে ঘরে ঘরে।
আজ কেউ বাবা মায়ের হাত ধরে রাস্তা
পেরচ্ছে, কাল স্কুল, পরশু কলেজ যাবে, তারপর...
তারপর অনেকদূর যাবে—
দেখো সেই রাস্তার যেন এমন গভীর ক্লেদাক্ত অন্ধকার না থাকে।
রাত্রির আঁধারেও তাদের পথ চলা স্তব্ধ না হয়ে যায়—
আমি জানি না আমার মায়ের চোখের জল আর
কোনোদিন শুকোবে কিনা
জানি না বাবা কোনোদিন একটা দিনও আমার কথা
না ভেবে কাটাতে পারবে কিনা- আমি কিছুই জানব না-
তবু তোমাদের এই প্রতিবাদ যেন ঝড় তোলে
তীব্র
তোমারা বলো চাইছি বিচার, চাইছি শাস্তি
আরজি কর পাক জাস্টিস
আমি বলছি হারিয়ে যাওয়ার দলে আমি
কিন্তু যেন বাঁচে আগামী।
আমি নেই তো কী হয়েছে?
দেখো সেই রাস্তার যেন এমন গভীর ক্লেদাক্ত অন্ধকার না থাকে।
রাত্রির আঁধারেও তাদের পথ চলা স্তব্ধ না হয়ে যায়—
তোমারা বলো চাইছি বিচার, চাইছি শাস্তি
আরজি কর পাক জাস্টিস
আমি বলছি হারিয়ে যাওয়ার দলে আমি
কিন্তু যেন বাঁচে আগামী।

খুউব ভালো লাগলো
ReplyDelete