বাতায়ন/অতিরিক্ত বিশেষ সংখ্যা/মুখর/কবিতা/২য় বর্ষ/১১তম/৩০শে শ্রাবণ,
১৪৩১
মুখর | কবিতা
জয়তী ব্যানার্জী
অব্যক্ত রাত
তুমি কাঁদছ কেন,
আমি
তো শুয়ে রয়েছি—
লাল চাদর গায়ে দিয়ে।
ওয়ার্ডের কিছু লেলিহান জিভ
আমাকে বিশ্রামে পাঠিয়ে
দিয়েছে।
আমি ক্লান্ত—
আমার ঘন্টার পর ঘন্টা
কেটে গেছে,
রক্তাক্ত
চাদর মুড়ি দিয়ে।
--ক্রোশ যোজন
দূরে থেকে তুমি কি
শুনতে পেয়েছিলে,
সেই ডাক?
নিজেদের পাষব অভিপ্রায়ে
আমায় পশু বানিয়ে;
পশুর মাংসকে ওরা
ছিঁড়ে ছিঁড়ে খেলো।
আর
তারপর
তার তো আর পর নেই।
মা,
তবে পুরুষ মানেই কী
শুধু,
মনে পুষে রাখা না পাওয়ার
বেদনার ক্ষোভ।
না, না তা হতে পারে না।
বাবা, দাদা—
এরা কি তাহলে পুরুষ নয়?
না না, তা হতে পারে না,
হতে পারে না।
তোমরা নিজেদের ঘেন্না
করো না।
তোমরা না থাকলে
আমরা কাদের আদরের
দুলালী হয়ে উঠব
বাবা?
দাদা, তুই না থাকলে
আমি
কার হাতে বাঁধবো রাখী।
হ্যাঁ,
সময় এসেছে বলার,
এরা পুরুষ নয়—
রাতের অন্ধকার দিনের আলো—
কোন কিছুকেই পরোয়া নেই তাদের।
এরা যে,
মেরুদণ্ডহীন বিকৃত কাম বিচিত্র গোত্রীয়
প্রাণী।
আর যে পারি না;
সময় যে শেষ,
কথা দেওয়া আছে আগে,
থেমে থাকলে তো চলবে না।
শুধু
শুধু বলি,
শেষ মুহূর্তে বলে যাই—
তোমরা যারা পুর্- হুঁশ
তারা নিজেদেরকে
হেয় করো না।
পাশে থেকো,
বাঁচিয়ে রেখো,
বড় যত্নে লালিত হওয়া—
বাবার স্বপ্নের রাজকন্যাদের।
লাল চাদর গায়ে দিয়ে।
ওয়ার্ডের কিছু লেলিহান জিভ
আমাকে বিশ্রামে পাঠিয়ে
দিয়েছে।
আমি ক্লান্ত—
কেটে গেছে,
--ক্রোশ যোজন
শুনতে পেয়েছিলে,
আমায় পশু বানিয়ে;
পশুর মাংসকে ওরা
ছিঁড়ে ছিঁড়ে খেলো।
তার তো আর পর নেই।
মা,
শুধু,
বেদনার ক্ষোভ।
না না, তা হতে পারে না,
তোমরা নিজেদের ঘেন্না
করো না।
তোমরা না থাকলে
আমরা কাদের আদরের
দুলালী হয়ে উঠব
আমি
কার হাতে বাঁধবো রাখী।
সময় এসেছে বলার,
আর যে পারি না;
শুধু
শুধু বলি,
তোমরা যারা পুর্- হুঁশ
হেয় করো না।
বাবার স্বপ্নের রাজকন্যাদের।

ভালো লাগলো
ReplyDeleteYea
ReplyDeleteYea
ReplyDelete