বাতায়ন/অতিরিক্ত বিশেষ সংখ্যা/মুখর/কবিতা/২য় বর্ষ/১১তম/৩০শে শ্রাবণ,
১৪৩১
মুখর | কবিতা
জয়িতা বসাক
মোমবাতি ও সেই মেয়েটি
ফুটন্ত ফুলের মতো লড়াকু সেই মেয়েটি
যন্ত্রণায় শেষ আর্তনাদ করে ওঠার আগেই
তাকে গলা টিপে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছিল
সরীসৃপের মতো হেঁটে চলা একদল হায়না,
কামড়ে ছিঁড়ে নিয়েছিল ফুলের পেলবতা
যেখানে বসন্তের প্রজাপতি ডানা মেলেছিল,
শরীর জুড়ে গেঁথে দিয়েছিল পৈশাচিক ক্ষত
যেখানে জ্যোৎস্নার শুয়ে থাকার কথা ছিল।
অথচ সে তো ছিল আমার বোনেরই মতো
অথবা তোমাদের একরত্তি সন্তানের মতোই,
তবু, সে কেন একচিলতে নিরাপত্তা পেল না?
প্রতিবার মোমবাতি জ্বালাতে জ্বালাতে যেন
ফুরিয়ে ফেলি সভ্যতার শেষ আগুন।
তবুও, অপরাধ বিচার হয় না। দমন হয় না।
রক্তবীজের মতো বেড়ে ওঠা সহস্র অপরাধী
সমাজের চারপাশে ওড়ে বিষাক্ত মাছির মতো
আর আমরা প্রতিবারের মতো এবারও
আরও একগোছা মোমবাতি কিনে ঘরে ফিরি—
পরের মৌন মিছিলে দ্রুত জ্বালানোর জন্য...
যন্ত্রণায় শেষ আর্তনাদ করে ওঠার আগেই
তাকে গলা টিপে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছিল
সরীসৃপের মতো হেঁটে চলা একদল হায়না,
যেখানে বসন্তের প্রজাপতি ডানা মেলেছিল,
শরীর জুড়ে গেঁথে দিয়েছিল পৈশাচিক ক্ষত
যেখানে জ্যোৎস্নার শুয়ে থাকার কথা ছিল।
অথবা তোমাদের একরত্তি সন্তানের মতোই,
তবু, সে কেন একচিলতে নিরাপত্তা পেল না?
ফুরিয়ে ফেলি সভ্যতার শেষ আগুন।
তবুও, অপরাধ বিচার হয় না। দমন হয় না।
রক্তবীজের মতো বেড়ে ওঠা সহস্র অপরাধী
সমাজের চারপাশে ওড়ে বিষাক্ত মাছির মতো
আরও একগোছা মোমবাতি কিনে ঘরে ফিরি—
পরের মৌন মিছিলে দ্রুত জ্বালানোর জন্য...

বাস্তবতার ছবি বড়ো নির্মম। মনে বিষাদ ও লজ্জা ছেয়ে গেলো। -- পাপিয়া অধিকারী
ReplyDeleteদিদি, আমরা একজোট হয়ে যেন এগিয়ে যেতে পারি ।
Deleteভালো লাগল।
ReplyDeleteধন্যবাদ আপনাকে
Delete