বাতায়ন/অতিরিক্ত বিশেষ সংখ্যা/মুখর/সম্পাদকীয়/২য় বর্ষ/১১তম/৩০শে
শ্রাবণ, ১৪৩১
মুখর | সম্পাদকীয়
স্বাধীনতা
"সম্প্রতি আর-জি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা সমস্ত রাজ্যবাসী তথা দেশবাসীকে স্তম্ভিত করেছে। বিভিন্ন জায়গায় মৌন মিছিল, মোমবাতি মিছিল দেখলে বোঝা যায়, আপামর মানুষকে এই ঘটনা কতটা নাড়া দিয়েছে।"
সার্বভৌম ভারতবর্ষের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
দেশ মানে কোন দেশের মাটি-সীমানা-সম্পদই শুধু নয়, সেই দেশের মানুষের সকল মৌলিক অধিকার, নিরাপত্তা, মন ও মনন, তাদের মনে শিশুর মতন অনাবিল খুশি সবই বোঝায়। যারা দেশবাসীর এইসব দায়িত্ব নিতে সক্ষম তারাই দেশ শাসন করেন।
কিন্তু সত্যি-সত্যিই দেশের নারী এবং পুরুষও কি স্বাধীন? ছিলেন কোনদিন! এইরকম হাজারো প্রশ্ন বিভিন্ন সময়ে দেশবাসীকে নাড়া দেয়।
সম্প্রতি আর-জি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা সমস্ত রাজ্যবাসী তথা দেশবাসীকে স্তম্ভিত করেছে। বিভিন্ন জায়গায় মৌন মিছিল, মোমবাতি মিছিল দেখলে বোঝা যায়, আপামর মানুষকে এই ঘটনা কতটা নাড়া দিয়েছে।
তাছাড়াও এইসব মিছিল মানুষ অতীতে বহু দেখেছেন। কারোর চেতনা জেগেছে কি? মানুষ আজ আবেগে ভাসছেন কাল ভুলে জীবনযুদ্ধের স্রোতে মিশে যাবেন।
যতদিন গণচেতনা, গণজাগরণ না ঘটে ততদিন এর সুরাহা কি সম্ভব? চাই সমাজের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা। চাই মানুষের সচেতনতা, সংযম। জীবনযুদ্ধ অবশ্যই করতে হবে তবে চেতনা বিসর্জন দিয়ে নয়।

তবে, মানুষ একজোট হচ্ছে, এটা বড় আশার কথা।
ReplyDeleteঅবশ্যই আশার কথা। তবে একটাই অনুরোধ আর নিজেদের পর্দার আড়ালে রাখবেন না, মানুষের পরিচয় দেবার সময় পেরিয়ে যাচ্ছে।
Deleteমুখোশের আড়ালে মুখ লুকিয়ে দ্বৈত সত্তায় আর কত দিন? মানবিক মুখ নিয়ে এবার আত্মপ্রকাশ ঘটুক মানুষের।
Deleteউপরের মন্তব্য- জয়িতা বসাক
Deleteমুখোশের আড়ালে মুখ লুকিয়ে দ্বৈত সত্তায় আর কত দিন? মনুষ্যত্বের মুখ নিয়ে সত্যিকারের মানুষের আত্মপ্রকাশ ঘটুক।
ReplyDeleteঅবশ্যই। আন্দোলন যে পথে চলেছে শুধু তাদের সঙ্ঘবদ্ধ ভাবে লক্ষ্যে স্থির থাকা দরকার।
Delete