বাতায়ন/ত্রৈসাপ্তাহিক/কবিতা/২য়
বর্ষ/১৫তম সংখ্যা/শারদ/১১ই আশ্বিন, ১৪৩১
শারদ | কবিতা
হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়
বিষথলি
এখনো ঝাউবনে শিস দিয়ে যায় বাউল বাতাস
সংগোপনে নাগকেশর, চুপচাপ নিষিদ্ধ রাজকুমারীর
মতো জ্যোৎস্নায় ভিজে গা ভর্তি সোনার গয়না পরে
একদিন দাঁড়িয়েছিলে প্রিয় রমণীর পাশে...
সংগোপনে নাগকেশর, চুপচাপ নিষিদ্ধ রাজকুমারীর
মতো জ্যোৎস্নায় ভিজে গা ভর্তি সোনার গয়না পরে
একদিন দাঁড়িয়েছিলে প্রিয় রমণীর পাশে...
তখন যতদূর জানি তোমার মাথায় মণি
আর সেই প্রথম তোমার খোলস ছাড়া
শীতঘুমে খানাখন্দে ঢুকে যাওয়ার আগেই দ্বিখন্ডিত জিভে প্রতিশোধ স্পৃহা, সেই টানটান উত্তেজনার পারদ, সমুদ্র স্রোত আর দেখা যাবে না কোনওদিন...
আর সেই প্রথম তোমার খোলস ছাড়া
শীতঘুমে খানাখন্দে ঢুকে যাওয়ার আগেই দ্বিখন্ডিত জিভে প্রতিশোধ স্পৃহা, সেই টানটান উত্তেজনার পারদ, সমুদ্র স্রোত আর দেখা যাবে না কোনওদিন...
মুঠোভর্তি বিষথলিতে যখন বিষ জমল, যখন খালাস করার জন্যে তুমি দিগ্বিদিক জ্ঞান শূন্য
কুল গোত্র জন্ম পরিচয় ভেদে ঢেলে দিতে চাইলে
রাতের আঁধারে নিজস্ব আলোয়, সেই সব বিষাক্ত অধ্যায় শিরায় মজ্জায় যেন আগুন জ্বালাল...
কুল গোত্র জন্ম পরিচয় ভেদে ঢেলে দিতে চাইলে
রাতের আঁধারে নিজস্ব আলোয়, সেই সব বিষাক্ত অধ্যায় শিরায় মজ্জায় যেন আগুন জ্বালাল...
আর আজ ফের, নিকষ অন্ধকারে সেইসব ভেবে আবার চাইছ উদ্যত শিশ্নের মতো
ফণাটি তুলে রাখতে, আর তারপর শেষবারের মতো টানটান বিষথলি থেকে
বিষ ঢেলে দিয়ে যেতে...
কী দুষ্টু আকাঙ্ক্ষা তোমার, এখন
সেকথা ভাবলে
হাসি পায়, তুমি নিজেও জানো-না আগুন নিয়ে এই খেলা কতটা বিপজ্জনক কতটা ভয়ংকর।
হাসি পায়, তুমি নিজেও জানো-না আগুন নিয়ে এই খেলা কতটা বিপজ্জনক কতটা ভয়ংকর।
এখন যত ভাবছি ততই হাসি পাচ্ছে আমার
তোমার মতো মানুষের রক্তও একসময় তাহলে ঠান্ডা হয়ে যায়...
তোমার মতো মানুষের রক্তও একসময় তাহলে ঠান্ডা হয়ে যায়...

No comments:
Post a Comment