বাতায়ন/মাসিক/কবিতাণু/২য় বর্ষ/২৮তম সংখ্যা/২রা
ফাল্গুন, ১৪৩১
অমরেন্দ্র চক্রবর্তী সংখ্যা | কবিতাণু
পারমিতা চ্যাটার্জি
একটি
তারা ও অন্যান্য
একটি তারা
একটি
ছোট্ট নাম
বন্ধু মানে
হৃদয়ে লেখা একটি ছোট্ট নাম
সময়ে-অসময়ে উড়ে আসে তার নীল রঙের খাম।
মনের অজান্তে কতবার তাকে ডেকে ফিরে চলে যাই,
শ্রাবণ
মাসের বৃষ্টি নেশায় একলা ভিজে যাই।
তার চোখের ভাষা পড়তে পেরেও বুঝতে পারে না মন,
বৃষ্টি
ভেজায় সন্ধ্যা শুধু ভিজে যায় অকারণ।
স্বপ্নভঙ্গ
কোন স্মৃতি
আজ দেয় যে মনে দোলা,
শ্রাবণ জানে
কী তোমার বাদলা হাওয়া?
পথ চেয়ে
থাকি সেই পাগল প্রেমিকের
আমায় যে বলেছিল তোমায় ভালবাসি—
কবে যেন নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ হয়—
ধুয়ে যায় স্মৃতিটুকু শ্রাবণের ধারায়—
আবার
বসন্ত
এসেছে ফাগুন
এসেছে বসন্ত আবার,
সেই লাল
পলাশ আর কৃষ্ণচূড়ার মেলা।
পূর্ণ চাঁদের ছায়া নদীর জলে,
ভ্রূক্ষেপহীন নদী বয়ে চলে আপনমনে।
তুমি কি খুঁজে পাও কখনও নিজেকে রঙিন জলের গ্লাসে!
আমি খুঁজি শুধু অনাবিল সবুজ বসন্তের আঙিনাকে।
পারমিতা চ্যাটার্জি
যে তারা যায়-না দেখা তারা ভরা আকাশে,
সে শুধু
থাকতে চায় নিঃসঙ্গতার আড়ালে,
রেখো-না বেঁধে আর মিথ্যে শৃঙ্খলডোরে।
সময়ে-অসময়ে উড়ে আসে তার নীল রঙের খাম।
মনের অজান্তে কতবার তাকে ডেকে ফিরে চলে যাই,
তার চোখের ভাষা পড়তে পেরেও বুঝতে পারে না মন,
আমায় যে বলেছিল তোমায় ভালবাসি—
কবে যেন নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ হয়—
ধুয়ে যায় স্মৃতিটুকু শ্রাবণের ধারায়—
পূর্ণ চাঁদের ছায়া নদীর জলে,
তুমি কি খুঁজে পাও কখনও নিজেকে রঙিন জলের গ্লাসে!
আমি খুঁজি শুধু অনাবিল সবুজ বসন্তের আঙিনাকে।

বাহ্।
ReplyDelete