বাতায়ন/রং/কবিতা/২য় বর্ষ/৩২তম সংখ্যা/২৯শে
ফাল্গুন, ১৪৩১
রং | কবিতা
মধুপর্ণা বসু
নীল
বাসনা
রং | কবিতা
মধুপর্ণা বসু
কেন জানো নীল প্রিয় ছিল প্রাথমিক?
আজও আদিঅন্তে সেই তো স্থিরচিত্র—
সমস্ত দিন রঙের প্রাদুর্ভাব সইতে সইতে
ভেঙে পড়ে সন্তর্পণে
নিজস্ব বিরোধ,
প্রকৃত এক!
আজও আদিঅন্তে সেই তো স্থিরচিত্র—
সমস্ত দিন রঙের প্রাদুর্ভাব সইতে সইতে
ভেঙে পড়ে সন্তর্পণে
নিজস্ব বিরোধ,
প্রকৃত এক!
তীক্ষ্ণ রোদের অবর্ননীয় প্রাচুর্য
ব্যাহত করে নিজের দৃষ্টি
আমি স্বপ্নের একেবারে প্রারম্ভে
অসূর্যম্পশ্যা লুব্ধতা পুষেছিলাম মনে!
জীবনের নিত্য স্তবের সাথে
অশ্রুর জলকেলিতে এতগুলি প্রহরের
শাপ দোষ অতিক্রম করে
মজা রোদের মতো ম্রিয়মাণ,
অবশেষে ময়ূরকণ্ঠী এই গাঢ় নীলোৎপল
অঙ্গহার করে মুক্তি পেয়েছি
বারবার দিকভ্রান্ত দুই পায়ে কলঙ্কের দাগ
ছুঁয়ে ষোলোকলা পূর্ণ করে
আজন্ম তিয়াসী—
কখন যে নীল সেই পদ্ম চোখে আত্মন্মোচন
সে জগৎ চরাচরে একমাত্র সেইই জানে…
যার ফাগুনের সব রং ওই উদাত্ত নীলে।
ব্যাহত করে নিজের দৃষ্টি
আমি স্বপ্নের একেবারে প্রারম্ভে
অসূর্যম্পশ্যা লুব্ধতা পুষেছিলাম মনে!
জীবনের নিত্য স্তবের সাথে
অশ্রুর জলকেলিতে এতগুলি প্রহরের
শাপ দোষ অতিক্রম করে
মজা রোদের মতো ম্রিয়মাণ,
অবশেষে ময়ূরকণ্ঠী এই গাঢ় নীলোৎপল
অঙ্গহার করে মুক্তি পেয়েছি
বারবার দিকভ্রান্ত দুই পায়ে কলঙ্কের দাগ
ছুঁয়ে ষোলোকলা পূর্ণ করে
আজন্ম তিয়াসী—
কখন যে নীল সেই পদ্ম চোখে আত্মন্মোচন
সে জগৎ চরাচরে একমাত্র সেইই জানে…
যার ফাগুনের সব রং ওই উদাত্ত নীলে।

No comments:
Post a Comment