বাতায়ন/ঝড়/কবিতা/৩য় বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩২
ঝড় | কবিতা
তূয়া নূর
ঝড়
তূয়া নূর
আমার
রক্তের গতিপথে প্রথমেই একটা প্লাবন হোক,
শক্তির
অণুগুলো একটা স্বচ্ছ সরল রেখায় এসে সমন্বিত হোক!
আমাদের
সমগ্র স্নায়ুতে এখন প্রয়োজন প্রচণ্ড কালবৈশাখী ঝড়।
চোখের
তারাটা হীরকের স্ফটিকের মতো আরো জ্বলজ্বলে হোক!
চেতনার রুদ্রস্রোতে ভেঙে চুরমার হোক নগ্ন-নৃত্যের মঞ্চ,
কৃষকের গানের সাথে আমার
আর্কেষ্ট্রার সুরটাও
মিলেমিশে এক হোক
আমার দেহের ভেঙ্কোভার থেকে ইয়াকোহামা, ভূমধ্যসাগর থেকে আফ্রিকার শৃঙ্গের বন্দরে বন্দরে।
চেতনার রুদ্রস্রোতে ভেঙে চুরমার হোক নগ্ন-নৃত্যের মঞ্চ,
মিলেমিশে এক হোক
আমার দেহের ভেঙ্কোভার থেকে ইয়াকোহামা, ভূমধ্যসাগর থেকে আফ্রিকার শৃঙ্গের বন্দরে বন্দরে।
প্রচণ্ড
ঝাঁকুনিতে কেঁপে উঠুক আর একবার বারুদ বোঝাই জাহাজগুলো
ডুবে যাক, ডুবে যাক অথৈই জলে সেই মশলার যুদ্ধে যেমন পোর্তুগিজদের জাহাজ ডুবেছিলো কালিকট বন্দরে।
ডুবে যাক, ডুবে যাক অথৈই জলে সেই মশলার যুদ্ধে যেমন পোর্তুগিজদের জাহাজ ডুবেছিলো কালিকট বন্দরে।
আমার
বুকের দুপাশে, মাথায়, অস্থি মজ্জায় এবং অস্তিত্বে কামানের গোলার মতো
বিদঘুটে হাতুড়ি দাগাও পারমাণবিক রণতরী নিমিথের পাটাতনে—
আছড়ে পড়ে শেষ হয়ে যাক শান্তির ধ্বনি তোলা ছদ্মবেশী কবুতরগুলো
এবং শেষ হয়ে যাক জলপাই রঙের সাঁজোয়া গাড়িগুলো।
বিদঘুটে হাতুড়ি দাগাও পারমাণবিক রণতরী নিমিথের পাটাতনে—
আছড়ে পড়ে শেষ হয়ে যাক শান্তির ধ্বনি তোলা ছদ্মবেশী কবুতরগুলো
এবং শেষ হয়ে যাক জলপাই রঙের সাঁজোয়া গাড়িগুলো।
ভিয়েতনামি জনগণের চোখের পাতার নির্জীব নড়াচড়া নাপাম বোমার আঘাতে বিধ্বস্ত আফগান
কিশোরীর মুখ—
সব কিছুর বিপরীতে পাল্টা কিছু হোক;
আমার চিন্তার আঙিনায় আসুক প্রচণ্ড ঝাঁকুনি এবং ঝাকুনির অহং।
সব কিছুর বিপরীতে পাল্টা কিছু হোক;
আমার চিন্তার আঙিনায় আসুক প্রচণ্ড ঝাঁকুনি এবং ঝাকুনির অহং।
আমার
রক্তের গতিপথে প্রথমেই একটা প্লাবন হোক! শরীরের শীর্ণ কোষগুলো নতুন করে উর্বরা হোক!
শক্তির অণুগুলো সমন্বিত হোক একটা স্বচ্ছ সরল রেখায় এসে
আমাদের সমগ্র দেহে এখন একটা প্রচণ্ড ঝড়ের প্রয়োজন।
শক্তির অণুগুলো সমন্বিত হোক একটা স্বচ্ছ সরল রেখায় এসে
আমাদের সমগ্র দেহে এখন একটা প্রচণ্ড ঝড়ের প্রয়োজন।

No comments:
Post a Comment