বাতায়ন/ঝড়/কবিতাণু/৩য় বর্ষ/১ম সংখ্যা/১লা বৈশাখ, ১৪৩২
ঝড় | কবিতাণু
কেয়া নন্দী
অপেক্ষা
ও অন্যান্য
অপেক্ষা
বেঁচে
থাকা
আর কোনদিন
দেখা হবে না আমাদের
আর কোনদিন কথা হবে না আমাদের
তবুও দুজনে একই আকাশের নীচে
দীর্ঘজীবী হবো।
পাহাড়ের গা বেয়ে ঝরনা যেমন নামে
তেমনই বুকের ভেতর
স্মৃতিরা হাত ধরাধরি করে চলবে…
এভাবেই তুমি-আমি পরস্পরের স্পর্শে জীবিত থাকব।
শেষের
দিনেও
স্যাঁতসেঁতে বিছানা ছেড়ে
অশক্ত হাতে গরাদ ধরি
পৃথিবীকে দেখি জানলা দিয়ে
ঠাহর হয় না ঝাপসা চোখে
সজাগ কানে বুঝি ব্যস্ত একটা দিন।
হঠাৎ শুনি— ভোকাট্টা
চোখ বুজে দেখি কাটা ঘুড়ি
যাচ্ছে চলে দিচ্ছে দূরে পাড়ি
ধূসর স্মৃতিরা আসে হাত ধরাধরি
অশ্রুসজল চোখে আজও তার অপেক্ষা করি।
অনুভূতি
ভালোবাসা এক
অদৃশ্য অনুভূতি
দূর থেকেও যা স্পর্শ করা যায়।
যতন করে আমি তাকে লালন করি
আমার প্রতিটা বসন্তে সেখানেই ফোটে কৃষ্ণচূড়া,
এ অনুভূতি
হয় না জরাগ্রস্ত
অনুভূতির নেই কোনো মৃত্যু
অমূল্য এ অনুভূতি একান্তই আমার।
তার তলায় আবিররাঙা হাত গালে ছোঁয়াই
অনুভব করি তোমার স্পর্শ।
ঝড় | কবিতাণু
কেয়া নন্দী
কেউ থেকে
যাবে বলে আসেনি—
ঝরাপাতার
কলরব, বনফুলের
সৌরভ,
সময় হলেই
ফিরে যায়।
তবুও
প্রতীক্ষায় থাকে মন
ফিরে যাওয়াকে
অনুভব করে বেদনার্ত মনে।
ফিরে আসার
অপেক্ষায় থাকে।
আবার যদি
হয় সাক্ষাৎ এক চৈত্রের শুভক্ষণে।
আর কোনদিন কথা হবে না আমাদের
তবুও দুজনে একই আকাশের নীচে
দীর্ঘজীবী হবো।
পাহাড়ের গা বেয়ে ঝরনা যেমন নামে
তেমনই বুকের ভেতর
স্মৃতিরা হাত ধরাধরি করে চলবে…
এভাবেই তুমি-আমি পরস্পরের স্পর্শে জীবিত থাকব।
অশক্ত হাতে গরাদ ধরি
পৃথিবীকে দেখি জানলা দিয়ে
ঠাহর হয় না ঝাপসা চোখে
সজাগ কানে বুঝি ব্যস্ত একটা দিন।
হঠাৎ শুনি— ভোকাট্টা
চোখ বুজে দেখি কাটা ঘুড়ি
যাচ্ছে চলে দিচ্ছে দূরে পাড়ি
ধূসর স্মৃতিরা আসে হাত ধরাধরি
অশ্রুসজল চোখে আজও তার অপেক্ষা করি।
দূর থেকেও যা স্পর্শ করা যায়।
যতন করে আমি তাকে লালন করি
আমার প্রতিটা বসন্তে সেখানেই ফোটে কৃষ্ণচূড়া,
অনুভূতির নেই কোনো মৃত্যু
অমূল্য এ অনুভূতি একান্তই আমার।
তার তলায় আবিররাঙা হাত গালে ছোঁয়াই
অনুভব করি তোমার স্পর্শ।

No comments:
Post a Comment