বাতায়ন/তৈমুর
খান সংখ্যা/গল্পাণু/৩য় বর্ষ/৩২তম
সংখ্যা/১১ই অগ্রহায়ণ,
১৪৩২
তৈমুর
খান সংখ্যা | গল্পাণু
অর্পিতা দাস
ব্যর্থতা
"সকালে অভিমন্যুর বিছানা তুলতে গিয়ে আনমনে তোশক ওলটাতেই চকচক করে ওঠে সাতনরী হার। ছন্দা ছেলের গালে চড় কষিয়ে, -তোর সব চাহিদাই পূরণ করার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি, অথচ তুই কিনা..."
পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে গঙ্গাকে।
ছন্দা নিশ্চিত যে, গঙ্গাই এ কাজ করেছে।
অমিতের কথায় বিরক্ত হয়ে
ছন্দা,
-আমি একাই প্রশ্রয় দিয়েছি, আর তুমি? তোমার তো ওর হাতের রান্না
ছাড়া মুখে কিছুই রোচে না।
অমিত পায়চারি করতে করতে,
-বারবার বলেছি চাবি সাবধানে রাখতে। কে শোনে কার কথা।
ছন্দা ধরা ধরা গলায়,
-লকারের চাবি তো আমার কাছেই থাকে।
জোর গলায় অমিত,
-তাহলে?
সারারাত ঘুমাতে পারেনি ছন্দা।
সাতপুরুষের স্মৃতি জড়ানো হার।
সকালে অভিমন্যুর বিছানা তুলতে
গিয়ে আনমনে তোশক ওলটাতেই চকচক করে ওঠে সাতনরী হার। ছন্দা ছেলের গালে চড় কষিয়ে,
-তোর সব চাহিদাই পূরণ করার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি, অথচ তুই কিনা...
চিৎকার করে অভিমন্যু,
-তুমি জানো, আমার সব বন্ধুদের কত
দামি দামি জিনিস? ওরা আমাকে নিয়ে
হাসাহাসি করে...
অমিত দেয়ালে ঠেস দিয়ে,
-ছেড়ে দাও ছন্দা,
আমরা
ওকে মানুষ করতে পারিনি।
সমাপ্ত

No comments:
Post a Comment